kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বঙ্গবন্ধুর বিজ্ঞানভাবনা

বিধান চন্দ্র দাস   

৯ আগস্ট, ২০২১ ০৪:০৫ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



বঙ্গবন্ধুর বিজ্ঞানভাবনা

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনেক ধরনের গবেষণা হয়েছে। এখনো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। কিন্তু তাঁর বিজ্ঞানভাবনা নিয়ে তথ্যপূর্ণ কাজ খুব একটা চোখে পড়ে না। বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞানী ছিলেন না। বিজ্ঞানের কোনো ডিগ্রিও তাঁর ছিল না। কিন্তু তাঁর মধ্যে বিজ্ঞানের সহজাত ভাবনা ছিল। আর এই ভাবনাগুলো খুঁজে পাওয়া যায় বঙ্গবন্ধুর কাজ, সিদ্ধান্ত, বক্তৃতা ও বাণীতে। এগুলো বিশ্লেষণ করলে বিজ্ঞানীর ভাবনার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ভাবনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। আসলে বঙ্গবন্ধুর বিভাময় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে বিজ্ঞানসংশ্লিষ্ট উপাদান প্রবলভাবে উপস্থিত ছিল।

১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সাল। স্থান তখনকার গণভবন। বঙ্গবন্ধুর সামনের টেবিলে একটি যন্ত্র ও পাশে দুজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে। একজন হলেন মো. জাফর আলী এবং অন্যজন মো. আবদুল হক। দুজনেই কাজ করেন লতিফ বাওয়ানি জুটমিলে। দুজনের কারো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি নেই। তবু তাঁদের মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে বাংলাদেশেই তৈরি করেছেন জুটমিলের জন্য প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্র ‘অয়েল এক্সট্রাক্ট অ্যাপারেটাস’। যুগান্তকারী কোনো বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এটি নয়। আসলে সেই সময় বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে এই যন্ত্রটি বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো। তখন বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ছিল। বঙ্গবন্ধু এই যন্ত্রটি দেখে খুব খুশি হন এবং তাঁদের উদ্ভাবনীশক্তি ও কারিগরি জ্ঞানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এই ঘটনা থেকেই বঙ্গবন্ধুর বিজ্ঞানভাবনার অন্তর্নিহিত দর্শন উপলব্ধি করা যায়। রাষ্ট্রীয় কাজের শত ব্যস্ততার মাঝেও বঙ্গবন্ধু যে তাঁদের সময় দিয়েছিলেন—তা শুধু তাঁদের প্রশংসা করার জন্য নয়; বরং এই ঘটনায় যাতে অন্যরা উৎসাহিত হয়ে দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করেন, সে বিষয়টিও বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় ছিল।

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা’ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন ড. মফিজ চৌধুরী (এপ্রিল ১৯৭২ থেকে জুলাই ১৯৭৪)। তবে এই পোর্টফোলিও ছাড়াও ড. চৌধুরী আরো তিনটি পোর্টফোলিও যেমন—বিদ্যুৎ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও আণবিক শক্তি বিভাগেরও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু অবশ্য এতগুলো বিজ্ঞানসংশ্লিষ্ট পোর্টফোলিওর দায়িত্ব পালনের জন্য সঠিক লোককে অর্থাৎ একজন বিজ্ঞানীকেই বেছে নিয়েছিলেন। আসলে বিজ্ঞানের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ থেকেই ড. মফিজ চৌধুরীকে বঙ্গবন্ধু এতগুলো দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ড. মফিজ চৌধুরী চল্লিশের দশকেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেমিস্ট্রি ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি করেছিলেন।

একবার ক্যাবিনেট মিটিংয়ে বঙ্গোপসাগরে জাপানকে এককভাবে তেল অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে প্রায় সবাই জাপানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। ড. মফিজ চৌধুরী সংগত কারণেই এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্য আরো কয়েকটি দেশকে তেল অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেছিলেন। প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনার পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘ডক্টর সাহেব যা বলেছেন, তাই হবে।’ বঙ্গোপসাগরে যেদিন প্রথম কূপ খনন হয় সেদিন বঙ্গবন্ধু খুবই উল্লসিত হয়েছিলেন এবং ড. মফিজ চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এসব ঘটনা সাক্ষ্য দেয় যে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞানীদের মতামতকে বেশ গুরুত্ব দিতেন।

সময় ও সুযোগ পেলেই বঙ্গবন্ধু নিজে গিয়ে কিংবা বাণীর মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের উৎসাহ জোগাতেন। ১৫ মার্চ ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন উৎসব সপ্তাহের উদ্বোধনকালে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশকে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’ প্রকৃতপক্ষে দেশ গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় বিজ্ঞান ও কারিগরি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।

বঙ্গবন্ধু বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. কুদরাত-এ-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ গঠন করেন। বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করেছিলেন, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও বিজ্ঞানমুখী করতে হলে এমন একজন ব্যক্তিকে কমিশনপ্রধান করতে হবে, যিনি হবেন প্রথিতযশা বিজ্ঞানী, শিক্ষানুরাগী এবং একই সঙ্গে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাজে দক্ষ। ড. কুদরাত-এ-খুদাকে বেছে নেওয়ার পেছনে বঙ্গবন্ধুর মনে বিজ্ঞানের ভাবনাটি যে প্রবল ছিল তা অনুমান করতে অসুবিধা হয় না।

দেশে বিজ্ঞান ও কারিগরি জ্ঞানের চর্চা ও বিকাশের ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত আশাবাদী ছিলেন। বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির সম্মেলন (জুলাই ১৯৭৩) উপলক্ষে এক বাণীতে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য বিজ্ঞান ও কারিগরি জ্ঞানের ক্ষেত্রে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো দরকার। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে উপযুক্ত ভূমিকা পালন করবেন।’

প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের কাছে বঙ্গবন্ধুর অনেক প্রত্যাশা ছিল। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের এক যৌথ সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে (১০ জুলাই ১৯৭৫) বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘যেকোনো দেশের শতকরা ৮০ ভাগ উন্নতি নির্ভর করে সে দেশের প্রকৌশলী ও কারিগরদের ওপর।’ স্থানীয় অবস্থার পটভূমিকায় সমস্যার সমাধান খোঁজার ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের তিনি আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমার নদীগুলো মরে যাচ্ছে।...অনেক সময় দেখি, বিদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে বসে আপনারা অনেক প্ল্যান করেন। শুধু ইমব্যাংকমেন্ট করলে হবে না।...হল্যান্ডের মতো আমাদের গ্রামগুলো তো নিচে চলে যাবে। বাংলাদেশ তো ডেল্টা এরিয়া। সে জন্য আপনারা বাংলাদেশ নিয়ে মাথা ঘামান।’ এ ধরনের কথাগুলো তিনিই বলতে পারেন, যাঁর মধ্যে এ বিষয়ের বৈজ্ঞানিক ভাবনা ক্রিয়াশীল।

বিজ্ঞানীদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর শ্রদ্ধা ছিল অপরিসীম। বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু, যিনি একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। তাঁর মৃত্যুতে (৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) বঙ্গবন্ধু এক শোকবাণীতে বলেন, ‘বাংলার কৃতী সন্তান ও প্রখ্যাত বিজ্ঞানী অধ্যাপক বসুর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বিজ্ঞান ও মানবতার প্রতি তাঁর অবদান মানুষ চিরকাল স্মরণ রাখবে। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।’ শোকবাণীর এই কথাগুলোর মধ্যেই বিজ্ঞানীদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ফুটে ওঠে।

পরিবেশ রক্ষায় গাছ ও বনের প্রয়োজনীয়তার কথা পরিবেশবিজ্ঞানীরা বর্তমানে প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেন। কিন্তু সেই সময়ে বাংলাদেশে এ বিষয়টি নিয়ে ভাবার লোক খুব বেশি ছিল না। অথচ ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু একজন পরিবেশবিজ্ঞানীর মতো গাছ ও বনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। কার্যকর ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছিলেন, যাতে মানুষ গাছ লাগাতে উৎসাহী হয়।

১৬ জুলাই ১৯৭২ সালে বৃক্ষরোপণ পক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিজের হাতে গাছের চারা রোপণ করে বঙ্গবন্ধু দেশের প্রতিটি নাগরিককে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘শুধু একটি পক্ষ পালনের মাধ্যমেই দায়িত্ব শেষ হবে না। এই পক্ষ শেষ হওয়ার পরেও যেন আমরা গাছ লাগানোর উদ্যম থেকে বিরত না হই।’ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ছোবল থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য বন সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে সেদিন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘যে পরিমাণ বন আমাদের দেশের জন্য প্রয়োজন, তা আমাদের নেই।...২৪ বছরের অবহেলায় এ দেশের বনরাজিকে প্রায় ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।...সমুদ্র উপকূলে গড়ে ওঠা সুন্দরবন, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য একটি বড় রকমের অবলম্বন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, তাকে ধ্বংস না করার জন্য পাকিস্তান সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু সুন্দরবনের জন্য কোনো দরদ তাদের ছিল না।...রাজস্ব বন্ধ হয়ে যাবে—এই দোহাই দিয়ে তারা সুন্দরবন থেকে গাছ কাটা বন্ধ করতে সম্মত হয়নি।...হানাদার আমলে মুক্তি বাহিনীর আস্তানা ধ্বংসের জন্য মধুপুর বনের ১০-১২ মাইল এলাকার গাছপালা সব তারা পুড়িয়ে দিয়েছে।’ বাংলাদেশের এই বনজ সম্পদের ক্ষতি পূরণের জন্য তিনি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। একবার উপকূলীয় এলাকায় (সাতক্ষীরা, খুলনা) ভ্রমণকালে (ডিসেম্বর ১৯৭২) বঙ্গবন্ধু নদী বরাবর বাঁধের পাশ দিয়ে গাছ লাগানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের নির্দেশ দেন। তিনি বুঝেছিলেন, বাংলাদেশের উপকূলে বনাঞ্চল গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দিক থেকেই লাভবান হবে।

বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে, বিশেষ করে প্রাকৃতিক সম্পদ জরিপ, পরিবেশ, দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র উৎক্ষপিত আর্থ রিসোর্স টেকনোলজি স্যাটেলাইটের (ইআরটিএস) প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ ইআরটিএস নামের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে পরবর্তীকালে ‘বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)’ তৈরি হয়।

বঙ্গবন্ধু ১৪ জুন ১৯৭৫ বেতবুনিয়ায় বাংলাদেশে প্রথম উপগ্রহ যোগাযোগ ভূকেন্দ্র উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘আজ থেকে বাংলাদেশ বিশ্ববাসীর আরো নিকট প্রতিবেশী হলো।’ এই ভূকেন্দ্রটি স্থাপন কাজে যেসব প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও অন্যরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তিনি তাঁদের অভিনন্দন জানান। এই অভিনন্দন নিঃসন্দেহে প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের জন্য ছিল দারুণ এক প্রেরণামূলক বার্তা।

বঙ্গবন্ধুর সময়েই নতুন বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান তৈরি ও বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু অর্ডার, অধ্যাদেশ ও আইন তৈরি হয় (যেমন—বাংলাদেশ অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশন অর্ডার, ১৯৭৩; বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ অধ্যাদেশ, ১৯৭৩; বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট আইন, ১৯৭৩ ইত্যাদি)। এগুলো তৈরির মাধ্যমে দেশে নতুন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান তৈরিসহ বিজ্ঞানের নানা বিষয়ের গবেষণার পথ প্রশস্ত হয়।

বাংলাদেশে আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যেটুকু অগ্রগতি হয়েছে তার বেশির ভাগের যাত্রা শুরু হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর সময়েই। পাহাড় পরিমাণ সমস্যার মাঝে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি করা খুব সহজ কাজ ছিল না। অগ্রাধিকার নির্বাচন ছিল সব থেকে কঠিনতম সমস্যা। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরিতে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর বিজ্ঞানভাবনার অবদান নিঃসন্দেহে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

লেখক : অধ্যাপক, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়



সাতদিনের সেরা