• ই-পেপার

বাম গণতান্ত্রিক জোটের আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা

‘করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে’

বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরো সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের যাতে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে না হয়, সে জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইনভিত্তিক ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ভৌত স্থাপনা বা শিল্প-কারখানা স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া বাস্তব অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় তা ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ করা সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। কারণ এ ধরনের স্থাপনায় নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত বিষয়সহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থাপনা পরিদর্শন করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।

তিনি জানান, বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বিলম্বিত না হয়, সে জন্য সরকার অস্থায়ী বা প্রভিশনাল লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে অনুমোদন প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনার একটি রূপরেখা নির্ধারণ করেছি। এখন খাতভিত্তিক লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। কারণ একেক খাতের জন্য একেক ধরনের অনুমোদন ও নথিপত্র প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া যেমন টেক্সটাইল কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া থেকে ভিন্ন।

বৈদ্যুতিক যানবাহন বা ইভি প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে আরো টেকসই পরিবহনব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে চায়। সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে, ডিজেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল এবং সংকটকালে সরবরাহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের যানবাহনব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড প্রযুক্তির দিকে নিতে সরকার আগ্রহী। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য প্রস্তুত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার আপাতত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির আমদানি ও ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে বিনিয়োগকারী অনলাইনে এক প্ল্যাটফর্মে ক্লিক করেই প্রয়োজনীয় সেবা পাবেন। আমাদের লক্ষ্য হলো সময়, ব্যয় ও জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করা।’

সভায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রশংসা করে জেবিসিসিআই নেতারা বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।

ডিসি সারওয়ার আলমকে সিলেট থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

অনলাইন ডেস্ক
ডিসি সারওয়ার আলমকে সিলেট থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বদলিপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২০২৫ সালের ১৮ অগাস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে পদায়ন করা হয়।

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার
সংগৃহীত ছবি

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে : অর্থমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

সাধারণ মানুষের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে একটি অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণারোপিত দেশ। রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণের লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং এজন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স বা কর্মদল গঠন করা হয়েছে।

রবিবার রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাজেট অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণে সরকার সব পথ উন্মুক্ত রাখছে। যেকোনো যোগ্য রপ্তানিকারক যাতে বন্ড বা জামানত সুবিধা পায় অথবা শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য এনে রপ্তানি করতে পারে, সেজন্য দুটি বিকল্প পথই খোলা রাখা হয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা কোথাও বাধার সম্মুখীন হলে সরাসরি অভিযোগ জানানোর ওয়েবসাইট চালু করা হবে। যারা প্রগতিশীল কাজে বাধা দেবে তাদের জন্য সরকারের দরজা বন্ধ থাকবে।

এ সময় পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি  আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ এ রাজ্জাক, সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনজীবী মন্টু ঘোষ, পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


 

‘করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে’ | কালের কণ্ঠ