• ই-পেপার

দাম আরো কমে যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা

‘ব্যবসায়ীদের এখন সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভর না করে কৌশল বদলাতে হবে’

অনলাইন ডেস্ক
‘ব্যবসায়ীদের এখন সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভর না করে কৌশল বদলাতে হবে’
সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজেটের একটি বিশাল অংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর গ্যাস সরবরাহে ভর্তুকি দিতে চলে যায় উল্লেখ করে প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের এখন কৌশল বদলাতে হবে। বাংলাদেশে যদি আর সস্তা গ্যাস না থাকে, তবে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভর না করেই কিভাবে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা যায়, সেই পথ খুঁজতে হবে।’

বনানীর হোটেল শেরাটনে সোমবার (১৫ জুন) বাজেট আলোচনার আয়োজন করে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)। এই সভায় প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী। আলোচনায় তিনি আরো বলেন, ‘মোট বাজেটের শতকরা হিসাবে এবার কৃষি খাতে বরাদ্দ কমে গেছে। আমরা এখনো কৃষিতে একই ধরনের খরচ করে যাচ্ছি, যার একটা বড় অংশই চলে যায় সার ভর্তুকিতে। কিন্তু সরকারকে আমরা বারবার বলে আসছি যে, কৃষি মানেই শুধু সার বা বিদ্যুৎ ভর্তুকি নয়।’

তিনি প্রশ্ন তোলেন, নতুন বাজেট কি দেশে ব্যবসা করা সহজ করার কোনো উত্তর দিতে পেরেছে? উত্তর দিতে গিয়ে নিজেই বলেন, ‘আংশিকভাবে দিয়েছে, তবে পুরোপুরি নয়। ব্যবসায়ীরা এখনো আগের চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হচ্ছেন। বাংলাদেশে ব্যবসা করে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়াকে আরো সহজ করতে হবে, যাতে বিদেশিরা এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হন।’

বাংলাদেশকে একটি বড় রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, চীন থেকে যে বিনিয়োগগুলো অন্য দেশে চলে যাচ্ছে, সেগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং বাজেটের মূল মনোযোগ সেখানেই হওয়া উচিত ছিল।

দক্ষতা উন্নয়নের ঘাটতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দেশ এখন ১৭ থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় পাচ্ছে। কিন্তু এই বাজেট কি উত্তর দিয়েছে যে, কিভাবে একজন বাংলাদেশি কর্মীকে দক্ষ করা যাবে? ফিলিপাইনের একজন কর্মী যে আয় করেন, আমাদের কর্মীরা কেন তার চেয়ে কম পাবেন? আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত রেমিট্যান্সকে ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া।’

গতবারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও এবার আরো বেশি কর আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করায় তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের মতো মানুষদের হয়তো আরো বেশি কর দিতে হবে। তবে জ্বালানি ভর্তুকির ওপর নির্ভর না করে কিভাবে জিডিপির আকার বড় করা যায়, বাজেটে সেই উত্তর থাকা প্রয়োজন ছিল।’

বর্তমান সরকারের একটি ইতিবাচক দিকের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এই সরকার আগের তুলনায় মানুষের কথা বেশি শুনছে। বাজেট ঘোষণার আগে আমরা যেসব উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম, তার কিছু প্রতিফলন বাজেটে দেখা গেছে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দেওয়া পরামর্শের গুরুত্বও এবার বেড়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্রেরও একজন ব্যবসায়ীর মতো চিন্তা করা উচিত। আমাদের ব্যবসায়ীদের যখন বিক্রি কমে যায়, তখন আমরা খরচ কমাই, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাদ দিই। তখন আমরা আরো বেশি ঋণ নিতে ব্যাংকে যাই না, বা বিদেশ থেকেও ঋণ আনার চেষ্টা করি না।’ গত বছরের মূলধনী ব্যয় (ক্যাপেক্স) থেকে শিক্ষা নিয়ে কোথায় ভুল ছিল, বাজেট সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কাঁচামাল আমদানিতে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজন বহাল দাবি

অনলাইন ডেস্ক
কাঁচামাল আমদানিতে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজন বহাল দাবি
সংগৃহীত ছবি

ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। এ ছাড়া পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবারের ওপর প্রস্তাবিত ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার এবং প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের করপোরেট করহার কমিয়ে ১২ শতাংশ নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। গতকাল রাজধানীর গুলশান ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমএর পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, সাবেক পরিচালক রাজীব হায়দার, সাবেক সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন এবং তৈরি পোশাকশিল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য সরবরাহকারী কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার। সংবাদ সম্মেলনে বাজেট-পরবর্তী বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে বস্ত্রকল ব্যবসায়ীরা কথা বলেন। এ সময় বস্ত্রশিল্প রক্ষা এবং এ খাতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সরকারের কাছে চারটি দাবি জানায় বিটিএমএ।

এর মধ্যে প্রথম দাবি হচ্ছে, ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানিতে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতার শর্ত বহাল রাখা। বিটিএমএ জানায়, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্ক সুবিধা ধরে রাখতে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের হার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি রাখতে হবে। তাই দেশীয় সুতা ও কাপড়ের উৎপাদন ধরে রাখতে এবং বন্ডের অনিয়ম রুখতে এই শর্ত বহাল রাখা অপরিহার্য।

দ্বিতীয় দাবি, করপোরেট করহার কমিয়ে ১২ শতাংশ নির্ধারণ এবং তা ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর করা। তৃতীয় দাবি, পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার আমদানিতে আরোপ করা ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্ববাজারে ম্যান-মেইড ফাইবার বা কৃত্রিম তন্তুর তৈরি পোশাকের চাহিদা প্রায় ৭০ শতাংশ হলেও বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো মূলত তুলাভিত্তিক। কৃত্রিম আঁশের সুতা ও কাপড় উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার। চতুর্থত, নগদ সহায়তার ওপর উৎসে কর সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিটিএমএ।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, প্রাইমারি টেক্সটাইল শিল্প দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের মূল ভিত্তি। এই খাত শক্তিশালী না হলে স্থানীয় মূল্য সংযোজন বাড়ানো, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হবে। তাই প্রস্তাবিত বাজেটের এসব বিষয় পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে দেশীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। 

খেলাপির চাপে ব্যাংক

আয়ে ধস মুনাফা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক
খেলাপির চাপে ব্যাংক

দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির স্থবিরতা, খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত সহায়তার কারণে সুদ আদায় স্থগিত থাকায় দেশের ব্যাংকিং খাতের মূল আয়ের উৎস নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঋণাত্মক অবস্থায় নেমে এসেছে। এতে ব্যাংকগুলোর মুনাফা ও ব্যবসার দীর্ঘমেয়াদি টেকসই নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন ছিল ১ দশমিক ৩০ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা কমে ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে ব্যাংকগুলোর সুদ আয় ৮ দশমিক ১০ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে আমানতের সুদসহ সুদ-সংক্রান্ত ব্যয় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। ফলে ব্যাংকগুলোর আয়ের তুলনায় ব্যয় দ্রুত বাড়ছে, যা খাতটির মুনাফা ও স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

ব্যাংকাররা বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘দুই ধারবিশিষ্ট তলোয়ারের’ সঙ্গে তুলনা করছেন। একদিকে অর্থনৈতিক ধীরগতির কারণে ঋণ বিতরণ ও সুদ আয় কমছে, অন্যদিকে আমানতকারীদের নির্ধারিত সুদ পরিশোধ অব্যাহত রাখতে হচ্ছে। ফলে ঋণ ও আমানতের সুদের ব্যবধান বা নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর একটি বড় অংশের তহবিল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রেও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি সংকটে থাকা উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত সহায়তার আওতায় দুই বছর পর্যন্ত সুদ আদায় স্থগিত রাখার সুবিধাও ব্যাংকগুলোর সুদ আয়ে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, খেলাপি ঋণের কারণে আমানতের একটি বড় অংশ আটকে থাকলেও ব্যাংকগুলোকে আমানতকারীদের সুদ নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে। নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। তিনি জানান, ২০২৫ সালে ব্যাংকিং খাতের অন্যান্য লাভজনকতার সূচকেও বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। এ সময়ে খাতটির রিটার্ন অন অ্যাসেটস নেমে হয়েছে ঋণাত্মক ৪ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং রিটার্ন অন ইকুইটি কমে দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।

তার ভাষ্য, সম্পদের গুণগত মানের অবনতি, খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি, দুর্বল ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রক মানদণ্ডের দুর্বল প্রয়োগের কারণে ব্যাংকগুলোর লাভজনকতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতের ৩২ শতাংশের বেশি ঋণ খেলাপি। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো তাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ থেকে কোনো আয় পাচ্ছে না, অথচ আমানতকারীদের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আয়ের তুলনায় ব্যয় অনেক বেশি হয়ে গেছে। এটি ব্যাংকগুলোর জন্য ভালো লক্ষণ নয়। প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকিং ব্যবসার টেকসইতা এখন ঝুঁকির মুখে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণও বেড়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ বিতরণের পরিবর্তে বিদ্যমান ঋণগ্রহীতাদের ব্যবস্থাপনায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি কিছু আয় নিশ্চিত করতে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মতো ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগে ঝুঁকছে।

মাহবুবর রহমানের ভাষায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সহায়তার কারণে বিদ্যমান সংকটাপন্ন ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে দুই বছর সুদ আদায় স্থগিত রাখতে হচ্ছে। এসব কারণে ব্যাংকগুলোর মূল আয়ের উৎস নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ পুনরুদ্ধার এবং ব্যাংকগুলোর সুদভিত্তিক আয় বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ব্যাংকিং খাতের মুনাফা ও আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সতর্কতা জারি করে ইসলামী ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন ডেস্ক
সতর্কতা জারি করে ইসলামী ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি
সংগৃহীত ছবি

গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে একটি সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। শনিবার (২০ জুন) বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করে ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ফলে ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং গ্রাহকদের লেনদেনও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ইসলামী ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি, বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ব্যাংক কম্পানি আইন অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, সম্প্রতি বিভিন্ন গুজব ও তারল্য সংকটের কারণে গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এর ফলে অনেক গ্রাহক একসঙ্গে আমানত উত্তোলনে আগ্রহী হন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।