• ই-পেপার

দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে

জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, বগুড়া
জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর
রেজানুর ইসলাম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম (৪০) জামিন পেয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তানজিম আল মিসবাহ জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝির জেরে এই মামলাটি দায়ের হয়েছিল। উভয় পক্ষই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং খুব শিগগিরই হয়তো বিষয়টি নিজেদের মধ্যে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের গাছা থানার বোর্ডবাজার এলাকা থেকে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন শুক্রবার (১৯ জুন) আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে গত ১৭ জুন বগুড়া সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন বগুড়া প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন। মামলায় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে সদর থানা মামলাটি সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় রেকর্ড করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবি পুলিশকে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিনিধি মো. শামস ও জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসান।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জেলা সফরকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে উসকানিমূলক ও মানহানিকর মন্তব্য ছড়ানো হয়। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

কারামুক্ত হলেন ড. আবুল বারাকাত

অনলাইন ডেস্ক
কারামুক্ত হলেন ড. আবুল বারাকাত

রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় জামিন মেলায় অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারাকাত কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল শনিবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। 

পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, দীর্ঘ কারাবাসের কারণে ড. আবুল বারাকাতের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বর্তমানে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে এবং উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে ড. আবুল বারাকাতের পক্ষে করা জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন দেন।

এর আগের দিন সোমবার (১৫ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত একই মামলায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আবেদন করা হলে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মঙ্গলবার তার জামিন মঞ্জুর করেন। আগের দিন রবিবার  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালত আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় ড. বারাকাতকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
 

সুপ্রিম কোর্টের রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দিদার, সম্পাদক ডালিম

অনলাইন ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্টের রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দিদার, সম্পাদক ডালিম
সংগৃহীত ছবি

সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের মো. দিদারুল আলম এবং দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা পোস্টের বিশেষ প্রতিনিধি মেহেদী হাসান ডালিম।

শনিবার (২০ জুন) ঢাকা ক্লাবে এসআরএফের বার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির প্রধান মাজহারুল হক মান্না নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কালবেলার হেড অব নিউজ কবির হোসেন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার এজাজুল হক মুকুল।

কোষাধ্যক্ষ পদে স্টার নিউজের ইমন মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কালের কণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার পিয়াস তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক পদে যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মো. রাব্বি হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বিডিনিউজের স্টাফ রিপোর্টার ইমরান নাফিজ এবং প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক পদে ডেইলি স্টারের সিরাজুল ইসলাম রুবেল নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন— চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিনিধি মাজহারুল হক মান্না, চ্যানেল আগামীর সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, দৈনিক সমাচারের সিনিয়র রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম মল্লিক, নাগরিক টিভির স্টাফ রিপোর্টার অলিউল ইসলাম রনি এবং সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দা সাবরিনা মজুমদার।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এসআরএফের বিদায়ি সভাপতি মাসউদুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আরো বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

বিচারব্যবস্থায় কোনো রাজনৈতিক চাপ নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল

অনলাইন ডেস্ক
বিচারব্যবস্থায় কোনো রাজনৈতিক চাপ নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কদ্দুছ কাজল। ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে বিচারব্যবস্থার ওপর কোনো রাজনৈতিক চাপ বা বল প্রয়োগ নেই। বিচারব্যবস্থা স্বাধীন থাকবে—এটি সরকারের প্রত্যাশা। অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কদ্দুছ কাজল এ কথা বলেছেন।

শনিবার (২০ জুন) সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘প্রচলিত ব্যবস্থায় সব মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়। কেননা দেশে অনেক বিচারকের অভাব রয়েছে। সরকার রামিসাসহ ধর্ষণ ও হত্যা মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে বিশেষভাবে উদ্যোগ নিয়েছে। মিডিয়ার মাধ্যমে বিচার না করে আদালতের মাধ্যমেই যেন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়, সেই বিষয়ে নজর রাখতে হবে।’

টিকটক করা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে বার কাউন্সিল থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালে দাখিল হওয়া একটি অভিযোগও যাতে প্রতিহিংসামূলক ও ভুয়া না হয়, এ বিষয়ে প্রসিকিউশন কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। আমরা ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাড়াহুড়া করে বিচার করতে চাই না। তবে মামলার সংখ্যা বাড়ার ফলে দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রমে চাপ তৈরি হতে পারে।’

অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘রামিসা হত্যা মামলার বিচারের মাধ্যমে সরকার তার সক্ষমতার প্রমাণ করেছে। তাহলে অন্য মামলাগুলোর বিচারও কেন দ্রুত নিষ্পত্তি করা যাবে না?’

মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলো নিষ্পত্তি করতে বিশেষ অ্যাডহক বিচারক নিয়োগের পরামর্শও দেন তিনি।