kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

এমপির ‘বড়লোক’ স্বজনরা পেল গৃহহীনদের ঘর

রফিকুল ইসলাম, কলাপাড়া থেকে ফিরে    

১ নভেম্বর, ২০২০ ০২:২১ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



এমপির ‘বড়লোক’ স্বজনরা পেল গৃহহীনদের ঘর

মহিববুর রহমান

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. মহিববুর রহমান। তাঁর গ্রামের বাড়ি কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব ধুলাসারে। তাঁর মামাতো ভাই মো. মোস্তফা হাওলাদার তাঁর প্রতিবেশী। মামাতো ভাইয়ের দুই ছেলে তাইফুর রহমান ও আরিফু উজ্জামান সাগরতীরে বাবলাতলা বাজারের ব্যবসায়ী। গৃহহীন হিসেবে তাঁরা দুজনই সরকারি বরাদ্দের ঘর পেয়েছেন। তালিকায় দুজনই পরিচয় গোপন রাখতে শুধু বাবা নন, মায়ের নামও বিকৃত করেছেন। তা ছাড়া বরাদ্দকৃত ঘরের কাঠামো পরিবর্তন করে নিজেদের টাকায় সম্প্রসারণও করেছেন।

সংসদ সদস্যের আগের বাড়ি ছিল ধুলাসার ইউনিয়নের চরচাপলী গ্রামে। সেখানে থাকেন তাঁর চাচাতো ভাই আলী আহম্মদ মৃধা। তাঁর দুই ছেলে জিয়া ও আবু তাহের। তাঁদের টিনশেড ঘর আছে। আছে বিঘায় বিঘায় কৃষিজমি। তাঁরাও গৃহহীনদের তালিকায় নাম তুলে ঘর পেয়েছেন। সরকারি দপ্তরের নজর এড়াতে তাঁরাও মা-বাবার নাম বিকৃত করেছেন। এক ভাই নিজের সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহারের পাশাপাশি বাবার বংশপরিচয় এড়িয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয়, মায়ের নামের শেষাংশ ‘বেগম’ বাদ দিয়েছেন।

বাবলাতলা বাজারের ব্যবসায়ী তাইফুর রহমান ও তাঁর ভাই আরিফউজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, তাঁরা সরকারি ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। বরাদ্দকৃত ঘরটি দুই কক্ষের। পরিবার-পরিজন নিয়ে তাতে থাকা কষ্টসাধ্য। তাই কাঠামো পরিবর্তন করে একটু বড় করেছেন। সংসদ সদস্য তাঁদের চাচা। নির্বাচনের সময় তাঁর হয়ে কাজ করেছেন। সংসদ সদস্য তার প্রতিদান দিয়েছেন। তাঁরা আরো বলেন, তাঁদের অনেক আত্মীয় ঘর পেয়েছেন। সেই তালিকায় চরচাপলী গ্রামের জিয়া ও তাঁর ভাই আবু তাহেরের নাম রয়েছে।

শুধু এই চারজন নন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলায় যে ২৫টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তার ১৯টিই পেয়েছেন দুই গ্রামে থাকা সংসদ সদস্যের নিকটাত্মীয়রা। তাঁদের মধ্যে ভাতিজা ৯ জন, ভাগ্নে ছয়জন ও নাতি দুজন। তাঁর বাড়ির আশপাশে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১১টি।

সংসদ সদস্যের সঙ্গে আত্মীয়তা ঘর পাওয়ার ‘যোগ্যতা’ : সংসদ সদস্য মহিববুর রহমানের আরেক চাচাতো ভাই শাহ এমরান। এলাকায় তিনি কালু মৃধা নামে বেশি পরিচিত। তাঁর দুই ছেলের ঘরের তিন নাতি নুহু মৃধা, শহিদুল ইসলাম মৃধা ও জাহিদুল মৃধাও ঘর পেয়েছেন। তালিকায় নুহু মৃধার ঠিকানা ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের বরকোতিয়া গ্রাম উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বরকোতিয়া গ্রামে গিয়ে ঘর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পূর্ব ধুলাসারে তিনি ঘর তুলেছেন। সংসদ সদস্যের ঘরের ঠিক পূর্ব পাশেই তাঁর ঘর। সেখানেই তিনি থাকছেন। সংসদ সদস্যের চাচাতো বোন ফজিলাতুন্নেছার দুই ছেলে হান্নান হাওলাদার ও কাওছার আহমেদও ঘর পেয়েছেন; যদিও হান্নান হাওলাদার তাঁর মাকে তালিকায় মৃত দেখিয়েছেন। তাঁদের টিনশেড ঘর রয়েছে। তাঁরা থাকেন সংসদ সদস্যের বাড়ির পেছনের গ্রাম পশ্চিম ধুলাসারে। অন্য আত্মীয়রা হলেন চাচাতো ভাইয়ের ছেলে বশিরউদ্দিন মৃধা, আরেক চাচাতো ভাই নিজাম মৃধার ছেলের ঘরের নাতি রিয়াদ মৃধা, চাচাতো বোন সাজেদা বেগমের ছেলে মো. শাহাদাৎ, চাচাতো ভাই ওহাব আলী মৃধার ছেলে মো. ইউনুচ ও মেয়ে লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের নূপুর বেগম, ওহাব আলীর আপন ভাইয়ের ছেলে সাইদুর রহমান, চাচাতো বোন কমলা বেগমের ছেলে মো. নবুয়াত, আরেক চাচাতো বোন ছকিনা বেগমের মেয়ের ঘরের নাতনি হেলেনা বেগম।

অন্য দুজনও মহিববুর রহমানের নিকট আত্মীয় বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। কিন্তু তাঁরা তাঁর কোন পক্ষের আত্মীয়, তা নিশ্চিত করতে পারেনি স্থানীয় লোকজন। জানা গেছে, তাঁদের একজন জুয়েল হোসেন সংসদ সদস্যের বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ জালাল উদ্দিন কলেজের অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মহিববুর রহমান ওই কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। অন্যজন মাসখানেক আগে মারা যাওয়া শহীদুল্লাহ ধুলাসার বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী পদে চাকরি করতেন। সংসদ সদস্য ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

বরাদ্দেও অসংগতি, দুই গ্রামেই ১৯ ঘর : দুটি পৌরসভা আর ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে সাগরপারের কলাপাড়া উপজেলা। কিন্তু গৃহহীনদের মাঝে ঘর বরাদ্দের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যে তালিকা সরকারি দপ্তরে সংরক্ষিত আছে, তাতে অসংগতি রয়েছে। তালিকা ঘেঁটে দেখা গেছে, তালিকার ২৫ জনের মধ্যে ধুলাসার ইউনিয়নেরই ২১ জন রয়েছেন। ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন তালিকায় থাকলেও বাস্তবে সেখানে ঘর খুঁজে পাওয়া যায়নি। কারণ ওই ইউনিয়নে যে দুজনের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে, তাঁদের ঘর আসলে ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব ধুলাসার গ্রামে। অথচ পরের বছর অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থবছরে উপজেলায় যে ৩০টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো প্রথম ভাগ হয়েছে ইউনিয়নপ্রতি দুটি করে। বাকি ছয়টির মধ্যে টিয়াখালী ইউনিয়নে দুটি এবং অন্যগুলো একাধিক ইউনিয়নে বণ্টন করা হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তালিকাভুক্ত গৃহহীনদের মধ্যে সংসদ সদস্যের নিজের গ্রাম পূর্ব ধুলাসারের ১৫ জন। তাঁর বাড়ির প্রবেশদ্বার পড়েছে পশ্চিম ধুলাসার গ্রামে। ওই গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের ছেলেসহ চারজন ঘর পেয়েছেন। সংসদ সদস্যের আগের বাড়ি ধুলাসার ইউনিয়নের চরচাপলী গ্রামের চারজন ঘর পেয়েছেন। ধানখালী ইউনিয়নের একজনের নাম তালিকায় উল্লেখ থাকলেও সেখানকার গৃহহীনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। লতাচাপলী ইউনিয়নের একজনকে ঘর দেওয়া হয়েছে। যিনি ঘর পেয়েছেন, তিনি (নূপুর বেগম) সংসদ সদস্যের নাতনি।

এমপির বাড়ির পাশেই ১১ ‘গৃহহীন’ : সাগরতীরে কলাপাড়া উপজেলা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে ধুলাসার ইউনিয়নের বাবলাতলা বাজার। বাজার থেকে প্রায় ২৫০ মিটার দক্ষিণে পূর্ব ধুলাসার গ্রামে সংসদ সদস্য মহিববুর রহমানের বাড়ি। সেই বাড়ির প্রবেশমুখে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাই আনিচ দালালের সরকারি ঘর। সংসদ সদস্যের বাসভবন (পূর্ব দিকে) লাগোয়া (পেছনে) রিয়াদ মৃধা ও তাঁর চাচাতো ভাই সাইদুর রহমান মৃধার পাশাপাশি ঘর। সাইদুরের ঘরের উত্তর-পূর্ব পাশেই নুহু মৃধার ঘর। নুহুর স্ত্রী জালাল উদ্দিন কলেজের আয়া। নুহুর ঘরের উত্তর পাশে শহিদুল ইসলামের ঘর। শহিদুল ইসলামের ওই ঘর থেকে আরো ১৫০ গজ দক্ষিণে ইউনুচ মৃধার ঘর।

মহিববুর রহমানের বাসভবন থেকে প্রায় ৫০০ গজ দক্ষিণে ধুলাসার পুনর্বাসন এলাকা। ওই এলাকার (আবাসন) লাগোয়া জুয়েল হোসেনের ঘর। বাসভবনের প্রবেশদ্বার ও জালাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের বিপরীতে ধুলাসার বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের বিপরীতেই স্কুলের নৈশপ্রহরী শহীদুল্লাহর অর্ধনির্মিত ঘর। ওই ঘরের ২০০ গজ দক্ষিণ দিকে হান্নান গাজীর ঘর। ঘূর্ণিঝড় সিডরের পরে তিনি সরকারি ঘর পেয়েছিলেন। সেই ঘরের পেছনে তাঁর নামে আবার বরাদ্দ করা নতুন ঘর তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। বাসভবনের ৫০০ গজ দক্ষিণে ধুলাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম লাগোয়া কাওছার আহমেদের ঘর তৈরির কাজ শেষ। আর তাঁর ভাই হান্নান হাওলাদারের ঘর নির্মাণাধীন।

সরকারি নীতিমালায় যা আছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে টেস্ট রিলিফ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় কলাপাড়ায় ২৫টি দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি ঘরের জন্য দুই লাখ ৫৮ হাজার টাকা হিসাবে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৬৪ লাখ টাকা। গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ নির্দেশিকা অনুযায়ী, গ্রামীণ এলাকায় যেসব দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সামান্য জমি বা ভিটা আছে কিন্তু টেকসই ঘর নেই, তাদের জন্য ৮০০ বর্গফুট জায়গায় (প্রায় ২ শতাংশ জমি) রান্নাঘর ও টয়লেটসহ একটি সেমিপাকা টিনশেড ঘর (দুই কক্ষবিশিষ্ট) নির্মাণ করা হয়।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ চলমান থাকা অবস্থায় কলাপাড়ায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন তপন কুমার ঘোষ। বর্তমানে তিনি সাময়িক বরখাস্ত। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, গৃহহীন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে গৃহহীন পরিবার, বিধবা মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও পরিবারে উপার্জনক্ষম সদস্য নেই এমন পরিবার বা অসহায় বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা। ঘরের কাঠামো পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে কেউ করলে আমাদের কী করার থাকে। গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘর, তাদের কাঠামো পরিবর্তনের অর্থ থাকার কথা না।’

সংসদ সদস্যের বক্তব্য : সংসদ সদস্য মহিববুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম ঘরগুলো বরাদ্দ এসেছিল। তাই নিজ এলাকার বিশেষ করে দূরের আত্মীয়দের প্রাধান্য দিয়েছি। তাতে করে সমবণ্টন হয়নি। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবছরের বরাদ্দকৃত ৩০টি ঘরের মধ্যে ধুলাসার ইউনিয়নে দুটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার সমবণ্টন নিয়ে যেটা হয়েছে, সেটি পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসনের জন্য ৪৭২টি ঘর বরাদ্দ আসবে, সেগুলো সমবণ্টন করা হবে, যাতে করে প্রতিটি ইউনিয়ন সমানসংখ্যক সরকারি ঘর পায়।’ তবে কবে নাগাদ ঘর বরাদ্দ আসবে কিংবা কোন প্রকল্পে সে ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত বলেননি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য : ধুলাসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল কালের কণ্ঠকে বলেন, গৃহহীনদের জন্য বাসগৃহ নির্মাণের ওই তালিকা সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। তবে ইউনিয়নের দুটি গ্রামে অন্তত ১৮টি সরকারি ঘর দেখেছেন। যাঁরা ঘর পেয়েছেন তাঁদের বেশির ভাগই সচ্ছল, কারো কারো ভবনও আছে। অনেকেই সরকারি নির্দেশিত কাঠামো পরিবর্তন করে নিজের টাকা খরচ করে বিশাল ঘর তৈরি করেছেন।

কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ছিলেন সুমন চন্দ্র দেবনাথ। বর্তমানে তিনি ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২০১৯ সালের শুরুর দিকে সংসদ সদস্য মহিববুর রহমান তাঁর প্যাডে (আধাসরকারি পত্র) গৃহহীনদের তালিকা দিয়েছেন। সেই তালিকা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তালিকা অনুমোদিত হয়ে এসেছে। ওই ঘটনার পর আমি বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে এসেছি।’

বর্তমানে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমান তালিকা তৈরি ও ঘর নির্মাণের সময় কলাপাড়া উপজেলায় ছিলেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তালিকা তৈরির কাজ জনপ্রতিনিধিদের। আমরা তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দিই, তারা অনুমোদন করে।’ কলাপাড়ায় দুর্যোগ সহনশীল ঘর নির্মাণের জন্য গৃহহীনদের তালিকা সংসদ সদস্য তৈরি করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, গত বছরের ৬ জুন সেখানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তখন ঘর বরাদ্দের তালিকায় অসংগতি দেখে তিনি সেটি জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠাতে চাননি। পরে সংসদ সদস্যের আধাসরকারি পত্র পেয়ে তালিকাটি পাঠান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা