• ই-পেপার

মানবপাচারের হোতা হাজী কামালকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, উদ্বোধনের দিন থেকেই জাদুঘরটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক আহ্বানের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে এক বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই মাসেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেওয়া উচিত। কিছু কাজ বাকি থাকলেও এটি এখনই খুলে দেওয়া যেতে পারে। পরবর্তীতে সংস্কার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ চলমান রাখা সম্ভব।

তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরটি উদ্বোধন করলে এবং আমন্ত্রণ জানালে তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, আগামী ৫ আগস্টের মধ্যেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ তুলে দেবেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই পদক প্রদান অনুষ্ঠান সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ১৭ ও ১৮ নম্বর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিশুদের প্রতিভা ও মননশীলতার বিকাশে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে এসব প্রতিযোগিতা ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে দেশের স্কুল পর্যায়ের ২ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও সম্মাননা দেওয়া হবে। ব্যক্তি পর্যায়ে ১৫টি ক্যাটাগরিতে দেশের ১২ হাজার ৩৮৪ জন এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুটি ক্যাটাগরিতে ৬৫ হাজার ৫৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের ৬৪ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন উদ্যোগ, উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও গৃহীত পদক্ষেপ উপস্থাপন করা হবে। বিভিন্ন জেলার স্টলে ‘স্কুল ফিডিং’, ‘আনন্দময় শিক্ষা’, ‘ডিজিটাল শিক্ষা’ এবং ‘ফাউন্ডেশনাল লার্নিং’সহ বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হবে।

দেশে প্রতি ১৩ জনে একজন নারীর আগাম মেনোপজ : গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক
দেশে প্রতি ১৩ জনে একজন নারীর আগাম মেনোপজ : গবেষণা

দেশে প্রতি ১৩ জনের মধ্যে একজন নারীর ৪৫ বছরের আগেই মেনোপজ (রজঃনিবৃত্তি বা স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ) হচ্ছে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর, বি) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এ গবেষণায় ৪৪টি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের নারীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ গবেষণার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরেছে আইসিডিডিআরবি।

আইসিডিডিআর,বি-র গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৪টি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে প্রতি ১৪ জনে একজন নারীর অসময়ে মেনোপজ হচ্ছে। গবেষণাটির তথ্য ৭ জুলাই আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল বিএমজে মেডিকেল জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গবেষণাটিতে ওই ৪৪ দেশের ৩০ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৮ জন নারীর জাতীয় জনমিতি ও স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে নারীদের মাসিক ও প্রজনন ইতিহাস সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। যাদের কমপক্ষে টানা ছয় মাস ধরে মাসিক হয়নি, অথবা যারা মেনোপজ বা জরায়ু অপসারণের কথা জানিয়েছে, তাদের মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়েছে গবেষণায়। এরপর ৪৫ বছর বয়সের আগে যেসব নারীর মেনোপজ হয়েছে তাদের শনাক্ত করা হয়। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মেনোপজের ১২ মাসের সংজ্ঞা ব্যবহার করে আবার বিশ্লেষণ করার পরও গবেষণার ফলাফল একই রকম ছিল।

মেনোপজ নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক পর্যায়। স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হওয়ার এ প্রক্রিয়া সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে ঘটে। ৪৫ বছর বয়সের আগে স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে তাকে আগাম মেনোপজ এবং ৪০ বছর বয়সের আগে বন্ধ হলে তাকে অকাল মেনোপজ বলা হয়। সময়ের আগে মেনোপজ হলে একজন নারী প্রত্যাশার অনেক আগে ইস্ট্রোজেন হরমোনের সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। এর ফলে নারীদের হৃদরোগ, হাড় ক্ষয়ের রোগ অস্টিওপরোসিস, স্মৃতিভ্রংশ ও বিষণ্ণতার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে অসময়ে মেনোপজ হওয়ার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের অন্য দেশগুলোর সামগ্রিক গড় ৭ দশমিক ১ শতাংশের তুলনায় কিছুটা বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এ হার নেপালে ৭ দশমিক ৯, ভারতে ৮ এবং পাকিস্তানে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ফল ইঙ্গিত করে, সময়ের আগে মেনোপজ পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

গবেষণার প্রধান লেখক ও গবেষক রাইসা বিনতে ইসলাম বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, অকাল মেনোপজ কেবল জৈবিক কারণে ঘটে না। ৪৪টি দেশের ওপর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কম শিক্ষিত, গ্রামে বসবাসকারী এবং অল্প বয়সে বিয়ে বা সন্তান জন্মদানকারীরা বরাবর বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। মেয়েদের শিক্ষার উন্নয়ন এবং মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবায় সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা গেলে প্রজনন স্বাস্থ্যের বাইরেও দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনতে পারে।’

দেশে বসেছে সাড়ে ৮৭ লাখ প্রিপেইড মিটার

বাসস
দেশে বসেছে সাড়ে ৮৭ লাখ প্রিপেইড মিটার

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। বা গ্রাহকদের জন্যও মিটার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গ্রাহককে হয়ত স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাহককে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে।


তিনি বলেন, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত বিদ্যুৎ অপচয় হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিউবোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা পর্যায়ক্রমে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। জুন পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৮২৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতি গ্রাহক গড়ে ৬৬১ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। এছাড়া ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। চলতি বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।

বিউবো পরিচালক মো. শামীম হাসান বলেন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ১২৬টি স্মার্ট ও প্রচলিত একক ও তিনফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে। বাকি প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ১৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮৪, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১০, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৯ লাখ ১২ হাজার ২৩৩ এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

বিউবো চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলের প্রায় ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার খুচরা গ্রাহককে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

ডিপিডিসি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯ লাখ গ্রাহককে এবং বিআরইবি সারাদেশে প্রায় ৩ কোটি ৩ লাখ থেকে ৩ কোটি ৬২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে।

ডেসকো প্রায় ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর বিতরণ নেটওয়ার্ক মূলত ঢাকা মহানগরের উত্তরাংশ, গাজীপুরের টঙ্গী এবং পূর্বাচল মডেল টাউন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

রাষ্ট্রায়ত্ত নেসকো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় আবাসিক, কৃষি ও বাণিজ্যিক খাতের প্রায় ২০ লাখ ১১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ওজোপাডিকো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এর আগে ২০১৮ সালে স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থা চালু এবং যন্ত্রের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার রিচার্জ (ভেন্ডিং) ব্যবস্থা শুরু করা হয়।

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থায় বিল পরিশোধ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা পুনঃসংযোগের ঝামেলা থাকে না। এতে কোনো ন্যূনতম চার্জ বা জামানত দিতে হয় না এবং বিতর্কিত বিলেরও অবকাশ থাকে না।

এছাড়া স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা প্রচলিত বিদ্যুৎ বিলের হারের ওপর ২ শতাংশ মূল্যছাড় পান। অফ-পিক সময় ও সরকারি ছুটির দিনে ব্যালেন্স কমে গেলে বা ঋণাত্মক হলে আগাম সতর্কবার্তাও পাওয়া যায়।

এ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে এবং অস্বাভাবিক ভোল্টেজ ওঠানামা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক। পাশাপাশি এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।

মানবপাচারের হোতা হাজী কামালকে জামিন দেননি হাইকোর্ট | কালের কণ্ঠ