• ই-পেপার

সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ উদযাপনে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ উদযাপনে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা উদযাপনের জন্য স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এসংক্রান্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে সভাপতি করে করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়, তদারকি, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়।

স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

শিক্ষামন্ত্রীকে সভাপতি করে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক,  স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন), বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি, বিজিএমইএর সভাপতি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব।

অর্থায়নের নতুন রোডম্যাপ হালনাগাদ

এসডিজি অর্জনে আরো ৪২১ বিলিয়ন ডলার দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
এসডিজি অর্জনে আরো ৪২১ বিলিয়ন ডলার দরকার

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জোগাড় করতে হবে। সরকারের নতুন এক মূল্যায়নে এই অর্থের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে এসডিজি বাস্তবায়নের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে দেশের অর্থায়ন কৌশল (ফাইন্যান্সিং স্ট্র্যাটেজি) হালনাগাদ করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি ফাইন্যান্সিং বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালায়’ এ তথ্য তুলে ধরা হয়। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

কর্মশালায় উপস্থাপিত ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্টে বলা হয়, ২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ে এসডিজি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এই অর্থের বড় অংশই আসতে হবে দেশের নিজস্ব সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা থেকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনের বাকি সময়টি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অর্থায়নের ঘাটতি বড়, সময় সীমিত এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনিশ্চিত। তবে সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সমন্বিত উদ্যোগ, সুশাসন এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক বলেন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ ক্রমেই কমে আসছে। তাই এখন দেশের কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো এবং বেসরকারি খাতকে এসডিজি-সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বকারী ইআরডির অতিরিক্ত সচিব এএইচএম জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য সমন্বিত অর্থায়ন পরিকল্পনা এখন আরো জরুরি।

ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নে বলেন, জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে অর্থায়নের ঘাটতি আরো বেড়েছে। সরকারি অর্থায়নকে কাজে লাগিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছ নীতিমালা ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক সুশাসনের মাধ্যমে একটি কার্যকর আর্থিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান কর্মশালায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের অর্থায়নের পরিবর্তিত চিত্র তুলে ধরে সরকারি ও বেসরকারি উৎস, জলবায়ু তহবিল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন পথের কথা তুলে ধরেন।

কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংক, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট এবং হালনাগাদ এসডিজি অর্থায়ন কৌশলের চূড়ান্ত সংস্করণ প্রস্তুত করা হবে।

দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাসস
দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, মুক্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশ জোরালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা খুব শিগগির শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণকে সামনে রেখে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের কৌশলের অংশ হিসেবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরো চার থেকে পাঁচটি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শেষ করার লক্ষ্য নিয়েও সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা এবং বিদ্যমান বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে এফটিএসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি সইকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মুক্তাদির বলেন, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরের জন্য আগামী সংসদ অধিবেশনে উপত্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এসব চুক্তি রপ্তানি গন্তব্য বহুমুখীকরণে সহায়তা করবে, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াবে এবং এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রূপান্তর আরো সহজ করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের বাণিজ্য কূটনীতি এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে চলমান আলোচনা রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহায়ক হবে।

বিমসটেক সচিবালয়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটের কার্যালয়ের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমসটেক সচিবালয়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটের কার্যালয়ের উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (বিমসটেক) সচিবালয়ের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটের (পিএমইউ) কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। গত সোমবার (২০ জুলাই) বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মানি পাণ্ডে এ কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন।

রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমসটেক।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সচিবালয়ে পিএমইউ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সংস্থাটির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক (ডব্লিউবি) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সহায়তায় ‘সাউথ এশিয়া রিজিওনাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ফর প্যান্ডেমিক প্রিভেনশন, প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স উইথ ওয়ান হেলথ অ্যাপ্রোচ’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এফএও, বিশ্বব্যাংক, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিমসটেকভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মানি পাণ্ডে বলেন, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট প্রতিষ্ঠার ফলে সচিবালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও বাস্তবায়ন সক্ষমতা আরো জোরদার হবে। এই ইউনিট আঞ্চলিক বিভিন্ন উদ্যোগের পরিকল্পনা, সমন্বয়, বাস্তবায়ন, তদারকি ও অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকারিতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার, বিমসটেকের সদস্য রাষ্ট্রগুলো, বিশ্বব্যাংক, এফএও এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, পিএমইউ বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাবিষয়ক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সচিবালয়কে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি জটিল আঞ্চলিক কর্মসূচি ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব পরিচালনা এবং বাস্তবায়নে সচিবালয়ের সামগ্রিক সক্ষমতাও বৃদ্ধি করবে।

সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ