• ই-পেপার

প্লটের আবেদন প্রত্যাহার করলেন রুমিন ফারহানা

গণমানুষ ও গণতান্ত্রিক দলের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থান সফল হয়: মাহ্দী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণমানুষ ও গণতান্ত্রিক দলের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থান সফল হয়: মাহ্দী আমিন

সব শ্রেণী-পেশার গণমানুষ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। 

তিনি বলেন, সেদিন ফ্যাসিবাদের পতনের লক্ষ্যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল সর্বস্তরের জনগণ। বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে মাদরাসা, কলেজ এবং পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা একযোগে এই আন্দোলনে শামিল হয়েছিল। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছেন সমাজের প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষও। রাস্তার দিনমজুর, হকার, রিকশাচালক, গার্মেন্টস শ্রমিক, কৃষক, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা এবং সর্বস্তরের নারীরা—বিশেষ করে মায়েরা এই গণঅভ্যুত্থানে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘ফল উৎসব-২০২৬’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

ঐতিহাসিক ১৬ জুলাই উপলক্ষে অনুষ্ঠানের শুরুতেই মাহ্দী আমিন শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরামসহ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আত্মদানকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষাই ছিল দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমতা এবং সামাজিক ন্যায্যতা নিশ্চিত হবে। যারা আন্দোলনে দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের মায়েদের অশ্রু আর প্রত্যাশার সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে সবাই এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মাহ্দী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আজকে ফ্যাসিবাদ পরবর্তী বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। এটি সেই দল যারা গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সবচেয়ে বেশি গুম-খুন, হামলা-মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছিল। বিএনপি সেই রাজনৈতিক দল, যার ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে, কেবল গনঅভ্যুত্থানে যে দলের শহীদ হয়েছেন ৪০০ এর বেশি নেতাকর্মী। বিএনপি সেই রাজনৈতিক দল যার সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের ১৪০ জনের বেশি শহীদ হয়েছিলেন।

মাহ্দী আমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের এবং অবশ্যই প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের। যেহেতু বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল, আমাদের ৬০ লক্ষ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানে আমাদের প্রতিটি নেতাকর্মী এবং পেশাজীবী সংগঠন এবং সহযোগী সংগঠন সর্বস্ব দিয়ে জনগণের সাথে থেকেছিল, জনগণের পাশে থেকেছিল।

গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে মাহ্দী আমিন আরো বলেন, আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা ছিলেন এই আন্দোলনের আন্তর্জাতিক কণ্ঠস্বর। দেশে যখন ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হয়েছিল, তখন প্রবাসীরাই বিশ্ব দরবারে স্বৈরাচারের নির্মমতার চিত্র তুলে ধরেছেন। তারা বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ করেছেন, রেমিট্যান্স শাটডাউনের ডাক দিয়ে ফ্যাসিবাদের অর্থনৈতিক ভিত নাড়িয়ে দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রেখেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডিজিটাল ফ্রন্টে লড়েছেন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, সাইবার নিরাপত্তা আইনের ভয় তোয়াক্কা না করে তারা রাজপথের প্রতি মুহূর্তের আপডেট, ভিডিও এবং তথ্য ছড়িয়ে দিয়েছেন। প্রপাগান্ডা ও গুজব রুখে দিয়ে তারা জনমত গঠনে এবং সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নেমে আসতে উদ্বুদ্ধ করতে মূল ভূমিকা পালন করেছেন।

গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আবেগঘন ও শক্তিশালী দিক ছিল নারী ও মায়েদের অংশগ্রহণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, কেবল ছাত্রীরাই রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়েনি, মায়েরা তাদের সন্তানদের বাঁচাতে ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। আন্দোলনে শহীদদের মায়েদের কান্না ও সাহসী অবস্থান পুরো জাতিকে স্বৈরাচার পতনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামতে বাধ্য করেছিল।

দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সূচনালগ্ন থেকেই তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ও তাদের ঢাল হিসেবে কাজ করার স্পষ্ট নির্দেশনা দেন। তার দূরদর্শী রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা, আন্দোলনকে বেগবান করতে জাতীয় ঐক্যের ডাক এবং বিএনপির লাখো নেতাকর্মীর রাজপথে আত্মত্যাগ এই গণঅভ্যুত্থানকে একটি সফল পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিপূরক ভূমিকা পালন করেছে।

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা সেই বৃহত্তর ঐক্যকে আবারও ধারণ করতে চাই উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, অবশ্যই আমাদের ভিন্ন মত, ভিন্ন পথ, ভিন্ন আদর্শ, ভিন্ন মূল্যবোধ থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করব, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা দেশপ্রেম ধারণ করব, ততক্ষণ পর্যন্ত জাতির বৃহত্তর স্বার্থ জায়গাগুলোতে, দেশের সার্বভৌমত রক্ষার জায়গাতে, জনগণের অধিকার এবং স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা অটুট থাকবো, একসাথে কাজ করে যাব। সেখানে প্রতিটি পেশার এবং শ্রেণির মানুষ যেভাবে গণ-অভ্যুত্থানে এবং ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ভূমিকা রেখেছিল, সেই ধারাবাহিকতায় আজকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলামসহ সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাধারণ সদস্যরা।

তথ্যমন্ত্রী

জবাবদিহির সংস্কৃতির জন্য সাংবাদিক-উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
জবাবদিহির সংস্কৃতির জন্য সাংবাদিক-উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাষ্ট্রকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও গণমাধ্যমশিল্প টিকিয়ে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভ্য সমাজে জবাবদিহির সংস্কৃতি বজায় রাখতে সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে বলে জানান তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার বসুন্ধরায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সমাজ এবং সভ্যতার পরিবর্তন হচ্ছে জানিয়ে মতবিনিময়সভায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে হয় আমরা এই চলমান রূপান্তরিত প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। এর ফলে পুরনো ব্যবস্থাটা দিন দিন অচল হয়ে যাচ্ছে। নতুন ব্যবস্থাতে প্রবেশে নতুন জ্ঞান, দক্ষতা, আইনি কাঠামোর প্রয়োজন হচ্ছে। সেটিকে কার্যকর করতে নতুন কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে হচ্ছে। এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আমরা খুব সজাগ নই। ফলে আমাদের অনেক কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে।

দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখা, উৎসাহ দেওয়া রাষ্ট্রের কাজ। কারণ আমাদের এই পেশাকে (গণমাধ্যম) বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজনে রাষ্ট্রকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে হবে।

সভ্য সমাজে জবাবদিহির সংস্কৃতি বজায় রাখতে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট পেশার ব্যক্তিদের চাকরির নিরাপত্তা, উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, আমাদের ইনফরমেশনের সোর্স হিসেবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম একটা লায়ন সোর্স হয়ে গেছে। এটি টিপিক্যাল মিডিয়া হাউসগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। তাদের মাল্টিমিডিয়ার উইং ওপেন করতে হয়েছে। বড় প্রতিষ্ঠাগুলোর অনেককেই তাদের আয় সোর্স হিসেবে মাল্টিমিডিয়ার ওপর ডিপেন্ড হতে হচ্ছে।

মন্ত্রী বলে, এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে সবার আগে যেটা মনোযোগ দেওয়া দরকার যে আমাদেরকে গণমাধ্যমের এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের প্রক্রিয়াটাকে ধরে রাখতেই হবে।

বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জানিয়েছে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মতবিনিময়সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪-এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলানিউজ২৪ডটকম-এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু ও কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।

তারা অনলাইন নিউজপোর্টালের নীতিমালা প্রণয়ন, সব গণমাধ্যমের সরকারি বিজ্ঞাপন নিশ্চিত, স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের সংস্কারন প্রস্তাবনা অনুসরণ, গণমাধ্যম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নিয়মের কড়াকড়ির আহ্বান জানান।

তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে বিএফএসএ-এর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজার থেকে এসব খাদ্যপণ্য প্রত্যাহার করে বিপণন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া খাদ্যপণ্যগুলো হলো—ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ ও আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে উল্লিখিত খাদ্যপণ্যগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করে বিক্রি বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএফএসএ সর্বসাধারণকে এসব খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

এএফডব্লিউসি টিমের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক
এএফডব্লিউসি টিমের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন
ছবি: কালের কণ্ঠ

আর্মড ফোর্সেস ওয়্যার কোর্সের (এএফডব্লিউসি) প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছেন।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসস্থ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) চলমান ‘এএফডব্লিউসি-২০২৬’ কোর্সের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। এনডিসির চিফ ইনস্ট্রাক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। পরিদর্শনকারী দলে ৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা ছিলেন।

পরিদর্শনকালে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ‘হল অব প্রাইড’-এ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মো. মুশফেকুর রহমান।

সভার শুরুতে পুলিশের ডিআইজি (এইচআর) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর একটি তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) প্রদর্শন করা হয়।

পরে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজিপি মো. মুশফেকুর রহমান বলেন, দেশের যেকোনো সংকটকালে সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করে থাকে। এ ধরনের পরিদর্শনের ফলে সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে বিরাজমান পেশাগত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

প্লটের আবেদন প্রত্যাহার করলেন রুমিন ফারহানা | কালের কণ্ঠ