kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

খোকানামা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খোকানামা

একসময়কার দাপুটে বামপন্থী নেতা সাদেক হোসেন খোকা বিএনপিতে যোগ দিয়ে আমৃত্যু দলটির ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। জনপ্রতিনিধিত্ব করেছেন দীর্ঘ সময়। এমপি-মন্ত্রী-মেয়র পদে থেকে ঢাকার মানুষের হৃদয় জয় করেছেন খোকা।

আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ৫০ মিনিটে নিউইয়র্কে মারা যান খোকা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনির ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

> ১৯৫২ সালের ১২ মে তারিখ ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

> খোকার স্ত্রী ইসমত হোসেন, মেয়ে সারিকা সাদেক, ছেলে ইশফাক হোসেন।

> ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

> ১৯৯০ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙা কেন্দ্র করে পুরান ঢাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার চেষ্টা হলেও তা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে সম্প্রীতির অনন্য নজির স্থাপন করেন। এতে খোকা পুরান ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেন।

> ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) থেকে বিএনপির মনোনয়নে জয়ী হন খোকা। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হারিয়ে তাক লাগিয়ে দেন খোকা। এর পর তাকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়।

> ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ঢাকার আটটি আসনের মধ্যে সাতটিতে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হলেও একমাত্র খোকা নির্বাচিত হন।

> ২০০১ সালের নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী হন। পরে তাকে ঢাকার মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়া হয়। তিনি বিপুল ভোটে অবিভক্ত ঢাকার মেয়র নির্বাচিত হন। 

> ২০০২ সালে তিনি ঢাকার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

> তিনি ছিলেন অবিভক্ত ঢাকার শেষ নির্বাচিত মেয়র।

> ২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করে দুদক।

> ২০১২ সালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন সাদেক হোসেন খোকা।

> ২০১৫ সালে দুর্নীতির মামলায় তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত।

> সর্বশেষ সাদেক হোসেন খোকার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলেও সরকার তা নবায়ন করেনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা