• ই-পেপার

ব্যবসা সহজীকরণ ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেলে দিনে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াত

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেলে দিনে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াত

ঈদুল আজহার ছুটির দিনগুলোতে মেট্রোরেলে প্রতিদিন ১৪০টি ট্রিপে গড়ে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৭ জন যাত্রী যাতায়াত করেছেন। বুধবার (৩ জুন) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এক বিজ্ঞপিতে তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছুটির দিনগুলোতে যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ঈদের দিন বাদে বাকি দিনগুলোতে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি (হেডওয়ে) অনুযায়ী নিয়মিতভাবে প্রতিদিন ১৪০টি করে ট্রিপ পরিচালনা করা হয়েছে।

ডিএমটিসিএল জানায়, এ সাত দিনে মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৭ জন যাত্রী যাতায়াত করেছেন। 

ঈদের সময় যাত্রীচাপ সামলাতে নিয়মিত ট্রিপের পাশাপাশি বিশেষ প্রস্তুতিও রাখা হয়েছিল। যাত্রী চাহিদার ওপর ভিত্তি করে যেকোনো মুহূর্তে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সার্বক্ষণিকভাবে ১০টি অতিরিক্ত ট্রেন প্রস্তুত রাখা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সরকারি ছুটির দিনেও সাধারণ মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে ডিএমটিসিএল-এর সব স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োজিত ছিলেন। পাশাপাশি ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখার পাশাপাশি স্টেশন ও এর সংলগ্ন এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশেষ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছিল।

ঈদের বন্ধের সময়ে সুষ্ঠু, নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদে মেট্রোরেল চলাচলে সহযোগিতা করার জন্য সকল যাত্রী এবং অংশীজনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

জুনের প্রথমার্ধে গরমের দাপট, মাঝামাঝি বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

অনলাইন ডেস্ক
জুনের প্রথমার্ধে গরমের দাপট, মাঝামাঝি বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

জুন মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকতে পারে। এসময় দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেওয়া বিশেষজ্ঞ কমিটি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জুনের প্রথমার্ধেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বা বর্ষাকাল সারাদেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। তবে বর্ষা শুরু হলেও মাসজুড়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম থাকতে পারে।

তিনি জানান, জুন মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২ থেকে ৩টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মৃদু তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি তাপপ্রবাহে ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

এছাড়া মাসজুড়ে ৫ থেকে ৭ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমী নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ সময়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ৬০০ থেকে ৬৩০ মিলিমিটার, বরিশাল বিভাগে ৪২০ থেকে ৪৭০ মিলিমিটার, রংপুর বিভাগে ৪০০ থেকে ৪২০ মিলিমিটার, ঢাকা বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার, খুলনা বিভাগে ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার এবং রাজশাহী বিভাগে ২৭০ থেকে ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, দেশের কয়েকটি এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত শুরু হলেও তা এখনই তাপপ্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর মতো নয়। বগুড়া, রাজশাহী, নেত্রকোনা ও রংপুরের কিছু স্থানে বৃষ্টি হয়েছে, ফলে স্থানীয়ভাবে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে তাপপ্রবাহ পুরোপুরি প্রশমিত হতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে।

তিনি বলেন, ঢাকায় এখনো উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি এবং গরমের অনুভূতি অব্যাহত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু এখনো বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি; এটি বর্তমানে মিয়ানমার উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। বাংলাদেশে পৌঁছাতে আরও তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে সারাদেশে গড়ে ২৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হলেও চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।

মে মাসে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় দিনাজপুরে। ১৩ মে সেখানে একদিনে ১৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। মাসজুড়ে পশ্চিমা লঘুচাপ ও পূর্বালী বায়ুর সংযোগের কারণে দেশের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময় বজ্রপাত, দমকা হাওয়া ও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টিও দেখা গেছে।

অন্যদিকে মে মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দফা মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ১৮ মে চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয়। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ৩ মে সিলেটে রেকর্ড করা হয়। তবে সামগ্রিকভাবে দেশের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল।

নদ-নদীর পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নদীগুলোর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু নদ-নদীর পানি সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
 

দুপুরের মধ্যে ৪ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
দুপুরের মধ্যে ৪ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
ফাইল ছবি

দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ সতর্কতা জারি আবহাওয়া অফিস।

এতে বলা হয়, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেড়েই চলেছে ব্যয়

অনলাইন ডেস্ক
বেড়েই চলেছে ব্যয়

ইরান যুদ্ধের কারণে সরকার এরই মধ্যে দুবার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরপরই এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। সার্বিকভাবে এই দামবৃদ্ধির ফলে জনজীবনের ওপর পড়তে যাচ্ছে বড় চাপ।

বিদ্যুতের নতুন দাম বৃদ্ধি বিষয়টি বিশ্লেষণ কওে দেখা যায় যে, আবাসিকের গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। আর আবাসিকের লাইফলাইন গ্রাহকের বর্তমান ইউনিটপ্রতি বিল ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা করা হয়েছে। এতে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল মাসে ৩৫ টাকার মতো বৃদ্ধি পাবে। আর আবাসিকে যারা ৬০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের বিল বাড়বে প্রায় ১ হাজার ৬৪৪ টাকা। আনুপাতিকহারে বাড়বে ভ্যাটের পরিমাণও।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করা হলে নিঃসন্দেহে জনজীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে, দ্রব্যমূল্যের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সময় গণশুনানিতে যখন আমরা অংশগ্রহণ করি তখন দাম না বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের অবস্থান শক্ত ছিল। ক্যাবের প্রতিনিধিসহ সুশীল সমাজের যারা দাম না বাড়ানোর কথা বলেছিলাম সরকার কারও কথার মূল্যায়ন করেনি। এখন যে দাম বৃদ্ধি করা হলো তা ৫০ ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ৬০০ ইউনিটের ওপর মূল্য বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি স্তরেই এর প্রভাব পড়বে। বিদ্যুতের সঙ্গে পরিবহন ভাড়াও জড়িত। ঢাকায় প্রচুর ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলছে। এর প্রভাবে ভাড়াও বৃদ্ধি পাবে। আর ভাড়া বৃদ্ধি পেলে তা দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে জনজীবনের প্রতি জায়গায় প্রভাব ফেলবে। সরকার ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিদ্যুৎ চুরির বিষয়ে কোনো কাজ করছে না। এ জায়গা থেকে ভর্তুকির কিছুটা দেওয়া যেতে পারে।

পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রেজওয়ান সেলিম গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে আমাদের উৎপাদন খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে। সমস্যা হচ্ছে যে অর্ডারগুলো এখন আমরা তৈরি করছি তা আরও তিন মাস আগের। সে সময় জ্বালানি খরচ এক রকম ছিল এখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে খরচ আরও বাড়বে। ফলে সার্বিকভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এবার বাড়ল বিদ্যুতের দাম : জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর এবার অনেকটা তাড়াহুড়ো করেই পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গতকাল দাম বৃদ্ধির এই ঘোষণা দেয়। তেলের পর বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতির চাপে পিষ্ট সাধারণ গ্রাহকদের ওপর নতুন করে আবারও বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকার সাধারণ গ্রাহকদের বিষয়টি মোটেও চিন্তা করেনি। এমনকি সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী কারও মতামতেরই মূল্যায়ন করেনি। এতে পণ্য উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি পাবে, জনজীবনের ওপর পড়বে বড় চাপ।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ আর গ্রাহক পর্যায়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বেড়ে হয়েছে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা। আর পাইকারি মূল্য ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা। সঞ্চালন চার্জ দশমিক ৩১৩৫ টাকা/কি.ও.ঘ থেকে দশমিক ০৭৫১ টাকা/কি.ও.ঘ. বেড়ে হয়েছে দশমিক ৩৮৮৬ টাকা/কি.ও.ঘ.। গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন লাইফলাইন গ্রাহকের ১৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। চলতি জুন মাস থেকেই এই দাম কার্যকর হচ্ছে। তবে গ্রাহকশ্রেণিভিত্তিক বিদ্যমান ডিমান্ড চার্জ অপরিবর্তিত থাকছে। রাজধানীর রমনায় বিইআরসির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ গতকাল দুপুরে এই ঘোষণা দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের ওপর দামবৃদ্ধির কোনো চাপ ছিল না। বাজেট মাথায় রেখে দ্রুত বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। দাম বাড়ানোর ফলে মানুষের ব্যয় বাড়বে, তবে অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা হয়নি। এটা করার সুযোগ আছে।’

নতুন খুচরা মূল্যহার অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের লাইফলাইন বা শূন্য থেকে ৫০ ইউনিটের দাম ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা ৩২ পয়সা করা হয়েছে। আর আবাসিক গ্রাহকদের প্রথম ধাপে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিটের দাম ৬ টাকা ১৮ পয়সা, দ্বিতীয় ধাপে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিটে ৮ টাকা ৫০ পয়সা, তৃতীয় ধাপে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিটে ৯টাকা ১০ পয়সা, চতুর্থ ধাপে ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটে ৯ টাকা ৬২ পয়সা, ৫ম ধাপে ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটে ১৫ টাকা ১ পয়সা এবং ৬ষ্ঠ ধাপে ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেচ ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্পের জন্য নিম্নচাপে ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকদের নিম্নচাপে ফ্ল্যাট রেট ইউনিটপ্রতি ১৫ টাকা ৩৬ পয়সা, অফপিকে ১৩ টাকা ৮২ পয়সা এবং পিকে ১৮ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা, ধর্মীয়, হাসপাতাল ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা শূন্য পাঁচ পয়সা করা হয়েছে। রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পের ক্ষেত্রে ৯ টাকা ৭১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৪৬ পয়সা করা হয়েছে।

ক্ষুদ্রশিল্পের ক্ষেত্রে ১১ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২ টাকা ৭৩ পয়সা করা হয়েছে। নির্মাণশিল্পে ১৫ টাকা ১৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৮ টাকা শূন্য ৯ পয়সা করা হয়েছে। ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও ব্যাটারিচার্জিং স্টেশনে ৯ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন