kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

জেনে নিন ধরন অনুযায়ী মাথা ব্যথার লক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক   

৮ আগস্ট, ২০২২ ১৫:১৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জেনে নিন ধরন অনুযায়ী মাথা ব্যথার লক্ষণ

সর্দি, মানসিক চাপ, পানিশূন্যতাসহ নানা সমস্যায় উপসর্গ হিসেবে দেখা দেয় মাথা ব্যথা। মাথার যেকোনো অংশেই ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা কখনো কখনো পুরো শরীরকে নিস্তেজ করে দেয়। বেশির ভাগ মানুষেরই মাথা ব্যথার ধরন নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই।

বিজ্ঞাপন

মাথা ব্যথার কারণে অনেক সময় রোগ নির্ণয় বেশ ঝামেলাপূর্ণ হয়। মাথা ব্যথার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে এর ধরন নির্ণয় করা যায়। মাথার ঠিক কোন অংশে ব্যথা হচ্ছে সেটি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চোখের চারপাশে ব্যথা
চোখের মধ্যে কিংবা চারপাশে ব্যথা খুবই অস্বাভাবিক। এটি মাথা ব্যথার সবচেয়ে গুরুতর ধরনের মধ্যে একটি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের মতে, কোনো সতর্কতা ছাড়াই এ ধরনের ব্যথা শুরু হয়। পরে আস্তে আস্তে ঘাড়, গাল, নাক এবং কাধে ছড়িয়ে পরে।

সাইনাসের ব্যথা
সাইনাস হলো খুলির ভেতরে বাতাসভর্তি ফাঁকা জায়গা। এর অবস্থান কপাল, নাকের হাড়, গাল এবং চোখের পেছনে। সাইনাসে ব্যথা হলে মাথা ব্যথাও শুরু হতে পারে। এটি মাইগ্রেনের সাথে সম্পর্কিত। এটির ফলে কপাল এবং গালে ব্যথা ও চাপ অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের মতে মাঝে মাঝে নাক এবং ওপরের দাঁতে ব্যথা হতে পারে। সেই সাথে শরীরে আসতে পারে ক্লান্তি।

মাথার ত্বকে ব্যথা
মাথার উপরিভাগে কিংবা মাথার ত্বকে ব্যথার মানে হলো আপনি এখন দুশ্চিন্তা করছেন। এটি মাথা ব্যথার সবচেয়ে সাধারণ ধরন।  দুশ্চিন্তায় হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা হতে পারে। কখনো সপ্তাহে কয়েকবার এই ব্যথা হয়ে থাকে। কপালজুড়ে বা মাথার পাশে এবং পেছনে চাপ অনুভূত হতে পারে। মনে হবে মাথার চারপাশে কিছু চেপে আছে।

ঘাড় এবং মাথার পেছনে ব্যথা
এটি ঘাড় থেকে শুরু হয় এবং পেছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এটি সার্ভিকোজেনিক মাথা ব্যথার লক্ষণ। অন্য অসুস্থতা বা শারীরিক অবস্থার কারণে যে মাথা ব্যথা হয় তাকেই সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথা বলা হয়ে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্যথা থাকলে অন্য আরো সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই ব্যথার ফলে ঘাড় নাড়ানো কঠিন হয়। অন্যদিকে সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে অনেক ক্ষেত্রে ঘাড়ের ব্যথা মাইগ্রেনের একটি সাধারণ উপসর্গও হতে পারে, যা মস্তিষ্ক থেকে শুরু হয়।  

মাথা ব্যথার ধরন যা-ই হোক না কেন তা অবহেলা করা যাবে না। ধরন চিহ্নিত করে তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, আঘাত, অত্যধিক ব্যায়াম এবং আরো অনেক কারণে মাথা ব্যথা হতে পারে। মাইগ্রেন এবং দুশ্চিন্তা থেকে যে মাথা ব্যথা হয় তা ওষুধ খেয়ে দূর করা যায়। তবে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে। এ ছাড়া মাথা ব্যথা দূর করতে প্রয়োজনে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়। যেমন একটি শান্ত অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম নেওয়া, মাথা এবং ঘাড়ে গরম বা ঠাণ্ডা শেক দেওয়া, মেসেজ করা ইত্যাদি। কিন্তু আঘাতজনিত মাথা ব্যথার ক্ষেত্রে যদি চিকিৎসার পরও ব্যথা না কমে তবে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া



সাতদিনের সেরা