• ই-পেপার

এআই চিপ নির্মাতা এসকে হাইনিক্সের শেয়ারে বড় পতন

ফেসবুকের মতো হোয়াটসঅ্যাপেও আসছে অবাক করা নতুন ফিচার

অনলাইন ডেস্ক
ফেসবুকের মতো হোয়াটসঅ্যাপেও আসছে অবাক করা নতুন ফিচার
সংগৃহীত ছবি

ব্যক্তিগত ও পেশাগত যোগাযোগে হোয়াটসঅ্যাপ এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। তবে ব্যস্ততার কারণে পরিচিতদের জন্মদিন মনে রাখা সব সময় সম্ভব হয় না। এই সমস্যার সমাধানে ব্যবহারকারীদের জন্য জন্মদিনের রিমাইন্ডার সুবিধা আনতে কাজ করছে হোয়াটসঅ্যাপ। খবর ডব্লিউএবেটাইনফো

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট WABetaInfo-এর তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপটিতে একটি নতুন জন্মদিন (Birthday) বিভাগ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সুবিধা চালু হলে যেসব ব্যবহারকারী স্বেচ্ছায় নিজেদের জন্ম তারিখ যুক্ত করবেন, তাদের জন্মদিন ঘনিয়ে এলে বা নির্ধারিত দিনে সংশ্লিষ্ট পরিচিতদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিমাইন্ডার পৌঁছে যাবে। ফলে সময়মতো জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো আরো সহজ হবে।

তবে সুবিধাটি এখনো কাজ চলছে। তাই এটি কবে সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধুদের জন্মদিনের রিমাইন্ডার দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হোয়াটসঅ্যাপে একই ধরনের সুবিধা যুক্ত হলে তা ব্যবহারকারীদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, সে বিষয়েও আলোচনা তৈরি হতে পারে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে মেটা হোয়াটসঅ্যাপে ধারাবাহিকভাবে নতুন নতুন সুবিধা যুক্ত করছে। এর মধ্যে WhatsApp Plus নামে একটি প্রিমিয়াম সেবার কথাও জানা গেছে। এক মাস বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগের পর এ সেবার জন্য মাসিক ফি পরিশোধ করতে হবে। প্রিমিয়াম গ্রাহকেরা সাধারণ সংস্করণের তুলনায় কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন এবং নিবন্ধনের জন্য সেটিংসে আলাদা একটি অপশনও রাখা হবে।

এ ছাড়া, ফোন নম্বর প্রকাশ না করেই অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দিতে ইউজারনেমভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও চালুর ঘোষণা দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। এর ফলে অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় ব্যবহারকারীরা নিজেদের মোবাইল নম্বর গোপন রাখতে পারবেন।

এআই চাহিদায় টিএসএমসির রেকর্ড আয়

অনলাইন ডেস্ক
এআই চাহিদায় টিএসএমসির রেকর্ড আয়
ছবি : রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় চুক্তিভিত্তিক চিপ নির্মাতা টিএসএমসি দ্বিতীয় প্রান্তিকে রেকর্ড আয় করেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে কম্পানিটির আয় হয়েছে ১ দশমিক ২৭ ট্রিলিয়ন তাইওয়ান ডলার (প্রায় ৩৯ দশমিক ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় এটি ৩৬ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের তুলনায়ও কম্পানিটির আয় সামান্য বেশি হয়েছে।

টিএসএমসি বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া ও অ্যাপলের জন্য চিপ তৈরি করে। এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে তাদের উন্নত চিপের চাহিদাও বেড়েছে।

শুধু জুন মাসেই টিএসএমসির আয় আগের বছরের একই মাসের তুলনায় প্রায় ৬৮ শতাংশ বেড়েছে। আগের মাসের তুলনায়ও আয় ৬ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হবে। তখন চলতি বছরের বাকি সময়ের ব্যাবসায়িক পূর্বাভাসও জানানো হবে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, দ্বিতীয় প্রান্তিকে টিএসএমসির নিট মুনাফা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫৯ শতাংশ বাড়তে পারে।

এদিকে আয়ের তথ্য প্রকাশের আগে সোমবার তাইপে শেয়ারবাজারে টিএসএমসির শেয়ারের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে।

প্রযুক্তিবিদদের প্রত্যাশা

বৈশ্বিক প্রযুক্তিতে ভারতকে টেক্কা দেবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈশ্বিক প্রযুক্তিতে ভারতকে টেক্কা দেবে বাংলাদেশ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তির বিকাশকে কাজে লাগিয়ে আগামী এক দশকে বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পে ভারতের মতো প্রতিষ্ঠিত আইটি শক্তির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা অর্জন করবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন বিটোপিয়া গ্রুপের কর্মকর্তারা। তাদের মতে, দক্ষ মানবসম্পদ, উদ্ভাবন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকেই বিশ্বমানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেছে বিটোপিয়া গ্রুপ। একই সঙ্গে নেতৃত্ব কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ এবং আগামী এক বছরের মধ্যে কর্মসংস্থান দ্বিগুণ করার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ঢাকার ফোর্টিস ডাউনটাউন রিসোর্টে অনুষ্ঠিত বিটোপিয়া অ্যানুয়াল প্ল্যানিং (বিএপি) ২০২৬-২৭ সম্মেলনে এসব ঘোষণা দেওয়া হয়। দিনব্যাপী এ কৌশল নির্ধারণী সম্মেলনে গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদ, শীর্ষ নির্বাহী, সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বিভাগীয় প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সম্মেলনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রতিটি ব্যবসা ইউনিটের কৌশলগত পরিকল্পনা, বার্ষিক বাজেট এবং কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (কেপিআই) অনুমোদন করা হয়।

বিটোপিয়া জানায়, ‘ভিশন ২০৩০’-এর মূল লক্ষ্য বাংলাদেশকে এআইনির্ভর বৈশ্বিক প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমের অন্যতম অংশীদারে পরিণত করা। এ পরিকল্পনার আওতায় সফটওয়্যার উন্নয়ন ও আইটি আউটসোর্সিংয়ের পাশাপাশি এআই, ক্লাউড কম্পিউটিং, এন্টারপ্রাইজ সল্যুশন, বিজনেস অটোমেশন, ডেটা অ্যানালিটিকস ও ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আফ্রিকাসহ নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

বর্তমানে বিটোপিয়া গ্রুপের অধীনে ২২টি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় পাঁচ হাজার পেশাজীবী এখানে কর্মরত রয়েছেন এবং বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশের গ্রাহকদের সফটওয়্যার উন্নয়ন, এন্টারপ্রাইজ সল্যুশন, ক্লাউড সেবা, আইটি আউটসোর্সিং, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও), ডিজিটাল মার্কেটিং এবং এআইভিত্তিক প্রযুক্তি সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রুপটির বার্ষিক টার্নওভার বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৫০ কোটিরও বেশি।

সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল নেতৃত্ব কাঠামোর পুনর্গঠন। চেয়ারপারসন সাবিনা আক্তার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেনকে বিটোপিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ম্যানেজিং ডিরেক্টর) হিসেবে ঘোষণা দেন। নতুন কাঠামোর আওতায় তিনি গ্রুপের কৌশল, বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব দেবেন। অন্যদিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইওরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও নির্ধারিত কেপিআই বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবেন।

নেতৃত্ব পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে সফটভেন্স আইটি লিমিটেডের সিইও হিসেবে মোহাম্মদ নাসির এবং বিটোপিয়া লিমিটেডের সিইও হিসেবে গৌরব কৃষ্ণ গুপ্তকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আবদুল্লাহ আল আলামিনকে গ্রুপের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে আগামী এক বছরের মধ্যে কর্মী সংখ্যা পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। পাশাপাশি ‘বিটোপিয়া সিটি’ নামে একটি প্রযুক্তিনগরী গড়ে তোলার ধারণা উপস্থাপন করা হয়। এতে ডেটা সেন্টার, গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া এআইভিত্তিক জিপিইউ অবকাঠামো, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ও ক্লাউড প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কথাও জানানো হয়।

সমাপনী বক্তব্যে বিটোপিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘বিটোপিয়ার লক্ষ্য শুধু একটি সফল ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান হওয়া নয়; বাংলাদেশ থেকে এমন একটি বিশ্বমানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যা একদিন ভারতের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) কিংবা ইনফোসিসের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হবে।’

তিনি বলেন, ‘ভিশন ২০৩০ কেবল একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নয়; এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার। আমরা বিশ্বাস করি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের সমন্বয়ে একদিন বাংলাদেশও বিশ্ব প্রযুক্তি শিল্পে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে।’

অনুষ্ঠান শেষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কৌশলগত পরিকল্পনা, বাজেট ও কেপিআই সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। পরে ফটোসেশন, নেটওয়ার্কিং এবং র‍্যাফল ড্রর মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।

এআই কম্পানির শেয়ারে জনগণের অংশীদারি চান বেশির ভাগ মার্কিনি

অনলাইন ডেস্ক
এআই কম্পানির শেয়ারে জনগণের অংশীদারি চান বেশির ভাগ মার্কিনি
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এআই কম্পানিগুলোর শেয়ারে জনগণের অংশীদারি চায় দেশটির বেশির ভাগ মানুষ। প্রযুক্তি খাতে বাড়তে থাকা চাকরি ছাঁটাইয়ের কারণে এমন দাবি জোরালো হচ্ছে।

রবিবার (১২ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

সম্প্রতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভেরাসাইট একটি জরিপ প্রকাশ করেছে। এতে ১ হাজার ৬৯০ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন।

জরিপে ৬৯ শতাংশ মানুষ বলেছেন, বড় এআই কম্পানিগুলোকে তাদের ৫০ শতাংশ শেয়ার একটি সরকারি সম্পদ তহবিলে (সোভারেন ওয়েলথ ফান্ড) দিতে বাধ্য করা উচিত। এই তহবিলের লাভ জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা যাবে।

ভেরাসাইটের প্রধান নির্বাহী বেঞ্জামিন লেফ বলেন, সাধারণ মানুষ চান এআই শিল্পের লাভের একটি অংশ সমাজের সবাই যেন পায়।

গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স আমেরিকান এআই সোভারেন ওয়েলথ ফান্ড অ্যাক্ট নামে একটি বিল উত্থাপন করেন। বিলটি পাস হলে দেশের বড় এআই কম্পানিগুলোর ৫০ শতাংশ শেয়ার জনগণের জন্য সংরক্ষিত হবে।

স্যান্ডার্স বলেন, এআই থেকে যে আয় হবে, তার সুফল শুধু ধনীরা নয়, দেশের সব মানষের পাওয়া উচিত।

এদিকে প্রযুক্তি খাতে চাকরি ছাঁটাই বাড়ছে। এতে অনেক কর্মী ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েই চলেছে।

বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরে এআই প্রযুক্তির কারণে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিনি চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এআই নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই সম্পদ তহবিল গঠন করা হলে এআই খাতের লাভের একটি অংশ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব হবে। তবে এ ধরনের তহবিল পরিচালনায় নানা চ্যালেঞ্জও রয়েছে।