• ই-পেপার

নতুন রূপে হাজির হলেন সাদিয়া আয়মান

ভিন্ন ধর্মে বিয়ে ও ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান

বিনোদন ডেস্ক
ভিন্ন ধর্মে বিয়ে ও ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান
সংগৃহীত ছবি

তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পর থেকেই নানা বিতর্কের মুখে পড়েছেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান। ৫ জুলাই দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে শুরু হয় সমালোচনা। 

কেউ কেউ এই বিয়েকে ‘লাভ জিহাদ’ বলে আখ্যা দেন। এমনকি এ নিয়ে ফতোয়াও জারি করা হয়েছে। অবশেষে পুরো বিতর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন আমির খান।

সম্প্রতি মুসলিম পারসোনাল দারুল ইফতার শাহির প্রধান মুফতি মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন এ বিয়েতে আপত্তি জানিয়ে বলেন, কোনো মুসলিম পুরুষ অমুসলিম নারীকে বিয়ে করতে পারেন না, যদি না তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেন অভিনেতা।

রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগের জবাবে আমির বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমাদের পরিবার খুবই উদার এবং সবাইকে আপন করে নেয়। আমার দুই বোনেরই বিয়ে হিন্দু পরিবারে হয়েছে। আমার মেয়েও একজন হিন্দুকে বিয়ে করেছে। আমার চাচাতো ভাই মনসুর একজন খ্রিষ্টান নারীকে বিয়ে করেছে।’

ধর্ম পরিবর্তনের প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘গৌরী স্প্র্যাট, কিরণ রাও কিংবা রীনা দত্ত—কেউই তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করেননি। কারণ, আমাদের সব বিয়েই সিভিল ম্যারেজ ছিল। গৌরী হিন্দুও নন, তিনি একজন খ্রিষ্টান। তবে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চাকারী খ্রিষ্টানও নন। সময়ের সঙ্গে জীবন আরও বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠছে।’

আমিরের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের পরিবারে বহুদিন ধরেই ভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে বিয়ের নজির রয়েছে। তবে কোনো ক্ষেত্রেই ধর্ম পরিবর্তনের শর্ত ছিল না। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই সম্পর্কগুলো গড়ে উঠেছে।

ব্যক্তিগত জীবনে এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে তিনি প্রথম বিয়ে করেন রীনা দত্তকে। প্রায় ১৬ বছরের সংসারের পর ২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন। সেই সম্পর্কেরও ইতি ঘটে ২০২১ সালে।

সর্বশেষ ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাসভবনে একান্ত ঘরোয়া আয়োজনে ৪৭ বছর বয়সী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন ৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতা। 

জানা গেছে, প্রায় ২৫ বছর আগে প্রথম পরিচয় হলেও দুই বছরের কিছু বেশি আগে আমিরের চাচাতো বোন নুজহাত খানের মাধ্যমে তাঁদের আবার যোগাযোগ হয়। পরে সেই বন্ধুত্ব গড়ায় সম্পর্কে।

এর আগে গত মার্চে নিজের ৬১তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সামনে গৌরী স্প্র্যাটকে পরিচয় করিয়ে দেন আমির।

প্রেমের গল্পে ফিরলেন জাহিদ হাসান, সঙ্গে বাসার ও তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রেমের গল্পে ফিরলেন জাহিদ হাসান, সঙ্গে বাসার ও তটিনী
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় অভিনয় করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। 

প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানবিক আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘পথহারা মন’ শিরোনামের এই নাটকে জাহিদ হাসানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার, তানজিম সাইয়ারা তটিনী ও দীপা খন্দকার। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ডা. এজাজুল ইসলাম ও মনিরা আক্তার মিঠু।

নির্মাতা মুহাম্মদ জানান, ‘পথহারা মন’ এমন একটি গল্প, যেখানে ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং মানুষের অনুভূতির নানা দিক উঠে এসেছে। 

তার কথায়, ‘পথহারা মন’ মূলত ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানুষের আবেগের গল্প। দর্শক যেন নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত এই নাটকে খুঁজে পান, সেভাবেই গল্পটি লেখা।’

জাহিদ হাসান ও রাজের শেষ কাজ ছিল ২০১৮ সালে। সে সময় বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচারিত সাত পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘ছেলেমানুষি’তে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। প্রায় আট বছর পর এই জুটির পুনর্মিলন ঘটছে ‘পথহারা মন’-এর মাধ্যমে।

দীর্ঘদিন পর প্রিয় অভিনেতাকে নিয়ে কাজ করার অনুভূতি জানিয়ে রাজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। তার অভিনয় দক্ষতা নাটকটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ও তরুণ শিল্পীদের সমন্বয়ে দারুণ একটি টিম পেয়েছি।’

অন্যদিকে জাহিদ হাসানও নতুন এই কাজ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাজের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সবসময়ই ভালো। অনেকদিন পর আবারও তার পরিচালনায় কাজ করছি, এটা আমার জন্য আনন্দের। গল্পটি খুব আন্তরিক। আমার অভিনীত চরিত্রটিও বেশ চ্যালেঞ্জিং। শুটিংয়ের পরিবেশও দারুণ।’

নাটকটির গল্প লিখেছেন জাকিয়া হোসেন তৃষা। চিত্রনাট্য করেছেন আসাদ জামান ও নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই ইউটিউবের ‘সিনেমাওয়ালা’ চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও পায়েল

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও পায়েল
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন পর ওটিটিতে ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। এই প্রত্যাবর্তনে প্রথমবারের মতো তার বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে। নির্মাতা জাহিদ প্রীতম পরিচালিত অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর মাধ্যমে নতুন এই জুটিকে পর্দায় দেখতে পাবেন দর্শক।

নির্মাতা জানান, সমকালীন জীবনের নানা জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। 

রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই চলচ্চিত্রে সম্পর্ক, আবেগ এবং বর্তমান প্রজন্মের মানসিক বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে।

ফিল্মটিতে আরিফিন শুভ অভিনয় করেছেন আনিস চরিত্রে। সাধারণত অ্যাকশনধর্মী কিংবা দৃঢ় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্রে দেখা গেলেও এবার তিনি হাজির হচ্ছেন একেবারেই ভিন্ন রূপে। স্বাধীনচেতা, আত্মনির্ভরশীল এবং একাকী জীবনযাপনে অভ্যস্ত এক তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ বলেন, ‘রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার চরিত্রটি মফস্বলের অত্যন্ত দায়িত্বশীল এক যুবকের, যার পুরো পৃথিবী জুড়েই রয়েছে পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষেরা।’

অন্যদিকে, কেয়া পায়েলকে দেখা যাবে অনামিকা চরিত্রে। উচ্চবিত্ত শহুরে জীবনের আবহে বেড়ে ওঠা এই তরুণীর জীবন ঘিরে রয়েছে সামাজিক যোগাযো গমাধ্যম, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল দুনিয়ার মোহ। গল্পে আনিস ও অনামিকার দুই ভিন্ন জগতের সংঘাত এবং সম্পর্কের বিকাশই মূল আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার চরিত্রটা প্রেমে পড়ার মতো। আর আমার অভিনয়ের অনেকগুলো লেয়ার আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় যে, দর্শক আমাকে অনেকভাবেই দেখেছেন, আবারও একটু ভিন্নভাবে দেখবেন।’

জানা গেছে, এই ওয়েব ফিল্মটি খুব শিগগিরই দেশের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে।

‘ওমকারা’র শুটিংয়ে নিজেকে প্রথম প্রকৃত অভিনেতা মনে হয় সাইফের

অনলাইন ডেস্ক
‘ওমকারা’র শুটিংয়ে নিজেকে প্রথম প্রকৃত অভিনেতা মনে হয় সাইফের
সংগৃহীত ছবি

বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত কালজয়ী সিনেমা ‘ওমকারা’ মুক্তির ২০ বছর পূর্ণ হলো। এই ছবিতে ‘ল্যাংড়া ত্যাগী’ চরিত্রে অভিনয় করে ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সাইফ আলি খান সম্প্রতি ছবিটির দুই দশক পূর্তিতে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন। সাইফ জানান, এই সিনেমার সেটেই প্রথম তার নিজেকে একজন ‘প্রকৃত অভিনেতা’ বলে মনে হয়েছিল

সাইফ স্মরণ করেন, কিভাবে পরিচালক থিয়েটার ও মূলধারার সিনেমা জগতের সেরা প্রতিভাদের এক ছাদের নিচে এনেছিলেন। তিনি বলেন, বিশাল ভরদ্বাজ ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার (এনএসডি) দক্ষ অভিনেতাদের সঙ্গে মূলধারার তারকাদের এক সুতোয় বেঁধেছিলেন। অজয় দেবগন, কারিনা কাপুর, বিবেক ওবেরয়, বিপাশা বসু, নাসিরুদ্দিন শাহ ও দীপক ডোবরিয়ালের মতো সমৃদ্ধ কাস্টিং নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে একটি ‘জাদুকরী সময়’ হিসেবে উল্লেখ করেন সাইফ। তিনি জানান, প্রত্যেকেই তখন একটি ভালো সিনেমা উপহার দিতে চেয়েছিলেন।

ল্যাংড়া ত্যাগী চরিত্রের জন্য সাইফের ছোট করে ছাঁটা চুল সে সময় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে এই চুল কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সাইফের জন্য সহজ ছিল না। তার মা-ও তাকে সতর্ক করে বলেছিলেন শুধু একটি সিনেমার কথায় নিজের সুন্দর চেহারা নষ্ট না করতে।

সাইফ চুল কাটার সিদ্ধান্তটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এড়াতে চেয়েছিলেন। অবশেষে শুটিংয়ের আগের দিন রাতে তার চুল কাটা হয়। সেদিন ছিল ঈদ। পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ তখন মজার ছলে সাইফকে বলেছিলেন, ‘চলো, কোরবানি করি। সিনেমার জন্য এটা করা যাক।’ দুই দশক পেরিয়ে গেলেও পুরো শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা সাইফের মনে আজও একেবারে তাজা।

নতুন রূপে হাজির হলেন সাদিয়া আয়মান | কালের কণ্ঠ