• ই-পেপার

হলিউড আমার রুপটাই দেখেছে, গুণ নয় : স্কারলেট জোহানসন

সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট ‘সেলিনা জেটলি’র

অনলাইন ডেস্ক
সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট ‘সেলিনা জেটলি’র
সংগৃহীত ছবি

বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। পুরনো একটি ভিডিও শেয়ার করে নিজের কষ্ট, মানসিক আঘাত ও সুস্থ হয়ে ওঠার সংগ্রামের কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ভিডিওতে ছেলেদের সঙ্গে সময় কাটানোর পুরনো মুহূর্ত দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে সেলিনা লেখেন, ‘ভাঙা টুকরোগুলোও যে আরো ভেঙে যেতে পারে, তা নিজের হৃদয় দেখার আগে বুঝিনি। আমার তিন ছেলেকে মিস করছি। তাদের আবার জীবনে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেলিনা বলেন, ‘মানুষ তাকে শক্ত মনে করলেও কষ্ট ও মানসিক আঘাত তাকে শক্ত করেনি। বরং বারবার ভেঙে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বলে, মানসিক আঘাত তোমাকে শক্ত করেছে। কিন্তু এটা সত্য নয়। মানসিক আঘাত আমাকে গড়ে তোলেনি, বরং ভেঙে দিয়েছে।

যখনই মনে হয় তিনি নিজেকে সামলে নিয়েছেন, তখনই পুরোনো ক্ষত আবার জেগে ওঠে। স্মৃতি ফিরে আসে এবং হৃদয়ে নতুন করে কষ্ট হয়।’

এমন পরিস্থিতিতে তিনি কিছুটা নিজেকে গুটিয়ে নেন। নিজের কষ্ট থেকে পালানোর জন্য নয়, বরং তা সামলে বেঁচে থাকার জন্যই এমন করেন বলে জানান অভিনেত্রী।

সেলিনা বলেন, ‘মানসিক আঘাত তার জীবনের কিছু অংশ ও নিজের পরিচয়ের কিছুটা কেড়ে নিয়েছে। তবে মানুষ তার মধ্যে যে শক্তি দেখে, তা কষ্ট থেকে আসেনি। বরং প্রতিবার ভেঙে পড়ার পরও সুস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেই সেই শক্তি এসেছে।’

এদিকে, স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে সেলিনার। গত বছর অস্ট্রিয়ার আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন পিটার।

সম্প্রতি সেলিনার অভিযোগের ভিত্তিতে পিটারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুম্বাই পুলিশ। শারীরিক নির্যাতন, নিষ্ঠুরতা, হুমকি ও দীর্ঘদিনের হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পিটার হাগকে বিয়ে করেন সেলিনা জেটলি। ২০১২ সালে তাদের যমজ ছেলে হয়। ২০১৭ সালে আবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন সেলিনা। তবে তাদের একজন জন্মের কিছুদিন পর মারা যায়।

শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন সোহেল খান

অনলাইন ডেস্ক
শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন সোহেল খান
সংগৃহীত ছবি

শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সোহেল খান। দীর্ঘদিন বিষয়টি নিজের মধ্যে চেপে রাখার পর প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে বাবার কাছে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি ‘অ্যালায়েন্স’ রিয়েলিটি শোর এক পর্বে এ কথা জানান সোহেল খান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সন্তানদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সোহেল বলেন, তিনি র‍্যাগিং ও বুলিংয়ের ঘোর বিরোধী। ছেলেরা কোনো সমস্যায় পড়লে বা কেউ তাদের অস্বস্তিতে ফেললে যেন নির্দ্বিধায় তাকে জানায়—সব সময় এ কথা বলেন তিনি।

সোহেল জানান, ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া ওই ঘটনা তিনি বহু বছর কাউকে বলেননি। বড় হওয়ার পর বাবার কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান। তখন নিজের মধ্যে লজ্জা ও সংকোচ কাজ করত বলেও জানান এই অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‘ভুলটা আমার ছিল না। কিন্তু তখন মনে হতো লজ্জাটা যেন আমারই।’

সোহেলের এই বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের অন্য প্রতিযোগীরা তার সাহসের প্রশংসা করেন।

এদিকে, অনুষ্ঠানে সাবেক স্ত্রী সীমা সাজদেহের সঙ্গেও সোহেলের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। ২০২২ সালে বিচ্ছেদ হলেও দুই ছেলে নির্বাণ ও ইয়োহানের দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করছেন তারা।

শোতে সোহেল জানান, সীমার প্রতি তার ভালোবাসার চেয়েও এখন বেশি সম্মান রয়েছে। তাদের সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে এই অনুষ্ঠানও ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মমতার দল ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, বিজেপির শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
মমতার দল ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, বিজেপির শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই ভাঙন দেখা দিয়েছে দলটিতে। একে একে অনেকেই টিএসসি থেকে ইস্তফা দিয়ে ভিড়ছেন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও নামসর্বস্ব দলে। এতে রয়েছেন টিএমসির রাজ্যসভা ও লোকসভার সাংসদরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিল্লিতে উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণের কাছে পদত্যাগ জমা দেন তিনি।

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদত্যাগের পরই বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন এই অভিনেত্রী। এর আগে এই বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাত ধরেই টিএমসির ২০ লোকসভা সাংসদ ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়াতে (এনসিপিআই) যোগ দিয়েছিলেন। 

চলতি মাসে রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগদানের পরই তিনজনকেই মনোনয়ন দিয়ে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে বিজেপি। এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাতের পরেই তৈরি হয়েছে জল্পনা। তবে কি এই তারকা রাজনৈতিকও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন! সুখেন্দুদের মতো তাঁকেও কি রাজ্যসভায় পাঠাবে বিজেপি, এমন প্রশ্ন জেগেছে রাজনৈতিক মহলে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পরে একবারও সংসদের কোনো অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি কোয়েলের। সোমবার থেকে বর্ষার অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সাংসদপদ পাওয়ার পরে সেটাই হতে পারত কোয়েলের প্রথম অধিবেশন। কিন্তু তার আগেই তিনি ইস্তফা দিলেন।

এর আগে দিল্লির ভূপেন্দ্রের বাড়িতেই দফায় দফায় বৈঠক করে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। 

তার পরেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে জানান, টিএমসির ২০ সাংসদ এনসিপিআইতে মার্চ করছেন। 

এই বিদ্রোহীদের সমন্বয়ের নেপথ্যে অন্যতম ভূমিকা পালন করছেন বিজেপির এই কেন্দ্রিয় মন্ত্রী। তাই তাঁর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাৎ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ছেলের নাম ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলেন সোহেল খান

বিনোদন ডেস্ক
ছেলের নাম ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলেন সোহেল খান
সোহেল খান ও সীমা সাজদেহ ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন।

বলিউডের প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের ছোট ছেলে এবং সুপারস্টার সালমান খানের ভাই অভিনেতা ও নির্মাতা সোহেল খান জানিয়েছেন, তার বড় ছেলে নির্বাণ খানের নাম প্রথমে ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে সন্তান জন্মের পর সেই পরিকল্পনা বদলে যায় এবং ছেলের নাম রাখা হয় ‘নির্বাণ’।

সম্প্রতি ‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে নিজের পারিবারিক জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন সোহেল খান। সেখানেই তিনি জানান, ছেলে জন্মের আগে তার ও সাবেক স্ত্রী সীমা সাজদেহর মধ্যে একটি মজার চুক্তি হয়েছিল।

সোহেল বলেন, সন্তান জন্মের আগে তারা ঠিক করেছিলেন—ছেলে হলে নাম রাখবেন সোহেল, আর মেয়ে হলে নাম রাখবেন সীমা। সেই অনুযায়ী তিনি ছেলের জন্য ‘রাম খান’ নামটি পছন্দ করেছিলেন।

সোহেলের ভাষ্য, আমি আমার ছেলের নাম ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলাম। আমরা এ ব্যাপারে খুবই ধর্মনিরপেক্ষ ছিলাম।

তবে সন্তান জন্মের পর শেষ পর্যন্ত সেই নাম রাখা হয়নি। সোহেল জানান, নির্বাণের জন্মের পর সীমার জ্ঞান ফেরার সময় তিনি ছেলের নাম হিসেবে ‘নির্বাণ’ শব্দটি বলেন। সীমা যখন জানতে চান, ‘নির্বাণ কেমন আছে?’, তখন সোহেলের মনে হয়, এই নামটিই যেন ছেলের জন্য ঠিক করা হয়ে গেছে।

সোহেল বলেন, সীমা যেভাবে স্বাভাবিকভাবে নামটি বলেছিলেন, এরপর আর তিনি নাম পরিবর্তনের কথা ভাবেননি। মজার ছলে তিনি আরো জানান, নির্বাণের স্বভাবও তার নামের মতো—শান্ত ও স্থির।

সন্তানদের লালন-পালন নিয়ে প্রশংসা

‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে অভিনেতা আলি গনির সঙ্গে কথোপকথনের সময় সোহেল ও সীমার সন্তানদের নিয়েও আলোচনা হয়। আলি তাদের সন্তানদের ভদ্রতা ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সোহেল ও সীমার সন্তানদের মধ্যে বাবা-মায়ের শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায়।

বিচ্ছেদের পরও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

সোহেল খান ও সীমা সাজদেহের বিচ্ছেদের পরও তাদের সম্পর্কের উষ্ণতা ‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে দেখা যায়। শো-তে সীমার উপস্থিতির সময় সোহেল তাকে বিশেষভাবে স্বাগত জানান।

সোহেল বলেন, ‘আমি এই সুন্দরী নারীর সঙ্গে ২৫ বছর কাটিয়েছি। জাতীয় টেলিভিশনে আমি স্বীকার করছি, যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তার দায়ভার আমিই নেব।’

এর জবাবে সীমাও সোহেলের সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দ প্রকাশ করেন। পরে যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, শো-তে তার ‘অ্যালায়েন্স’ বা সহযোগী কে, তখন সীমা বলেন, ‘এই মুহূর্তে সোহেলই আমার একমাত্র সহযোগী।’

সোহেলও জানান, শো-তে সীমাকে দেখে তিনি ভেতর থেকে খুশি হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর পরিবারের একজন সদস্যের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়াটা তার কাছে বিশেষ অনুভূতি ছিল।

বিয়ে ভাঙা নিয়ে সোহেলের স্বীকারোক্তি

শো-এর আরেক পর্বে নিজের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন সোহেল। তিনি জানান, একসময় তার ক্যারিয়ার ভালো যাচ্ছিল না এবং সেই সময় মানসিক অবস্থাও ভালো ছিল না।

সোহেল বলেন, নিজের আচরণের কারণেই তিনি এমন একজন মানুষকে হারিয়েছেন, যাকে তিনি সত্যিই ভালোবাসতেন।

তিনি আরো বলেন, ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সুখে থাকাটাই আসল। ও আমার দুই সুন্দর সন্তানের মা, তাই ভালোবাসার চেয়েও সীমার প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে।’

সোহেলের মতে, বিচ্ছেদের পরও সন্তানদের জন্য ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। কারণ বাবা-মায়ের দূরত্ব যেন সন্তানদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে।

২৪ বছরের দাম্পত্যের পর বিচ্ছেদ

সোহেল খান ও সীমা সাজদেহ ১৯৯৮ সালে পালিয়ে বিয়ে করেন। দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২২ সালে তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তাদের দুই ছেলে—নির্বাণ খান ও ইয়োহান খান। বিচ্ছেদের পরও তারা দুজন মিলে সন্তানদের দায়িত্ব পালন করছেন।

সোহেল জানান, সন্তানদের কথা ভেবেই তারা একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি বলেন, সন্তানরা যখন একসঙ্গে থাকে, তখন তারাও একসঙ্গে সময় কাটান।

তিনি আরো জানান, সীমা নিয়মিত সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে আসেন এবং তাদের সম্পর্ক এখন পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

বর্তমানে সীমা সাজদেহ ব্যবসায়ী বিক্রম আহুজার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। উল্লেখ্য, সোহেল খানকে বিয়ে করার আগে সীমার সঙ্গে বিক্রম আহুজার বাগদান হয়েছিল।

হলিউড আমার রুপটাই দেখেছে, গুণ নয় : স্কারলেট জোহানসন | কালের কণ্ঠ