• ই-পেপার

হবু শাশুড়ির জন্মদিন পালনে রুক্মিনীকে নিয়ে মালদ্বীপে দেব

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট

বিনোদন প্রতিবেদক
ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট
সংগৃহীত ছবি

ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৭ জুন) অভিনেত্রী জয়া আহসানের করা একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১১ মে করা রিটে অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।

রিটে আরো বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

পিটিশনকারীরা এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে ৬০ দিনের মধ্যে একটি জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেরও আবেদন জানিয়েছেন। এ ছাড়া বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ করা এবং উদ্ধার করা প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য ‘বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ নামে একটি উপযুক্ত অভয়ারণ্য বা পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।

রিট আবেদনে পিটিশনকারীদের দাবি, দ্রুত বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ বাণিজ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

৩৩ বছরেই চলে গেলেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক
৩৩ বছরেই চলে গেলেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা
সংগৃহীত ছবি

ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল সময়েই থেমে গেল চীনা অভিনেতা ও মডেল জিন জের পথচলা। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। গত ৪ জুন হাংঝৌ শহরে নিজ বাসভবনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তার ব্যবস্থাপনা সংস্থা।

এক বিবৃতিতে এজেন্সি জানায়, ‘গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের চুক্তিবদ্ধ শিল্পী জিন জে (আসল নাম ঝাং জিয়াওয়েই) ২০২৬ সালের ৪ জুন হাংঝৌয়ে তাঁর বাসভবনে মারা গেছেন।’

তবে অভিনেতার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে তারা। কারণ, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগেই তার মৃত্যু নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।

এজেন্সির তথ্যমতে, ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি চীনের শানতুং প্রদেশের ওয়েইহাই শহরে জন্মগ্রহণ করেন জিন জে। তিনি ছিলেন একজন প্রতিভাবান তরুণ অভিনেতা ও মডেল। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বেইজিং ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর মডেলিংয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন জিন জে। পরে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অভিনয়জগতে পা রাখেন। বিশেষ করে বিভিন্ন মাইক্রো ড্রামায় তার অভিনয় দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায় এবং অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

জনপ্রিয়তার মধ্যগগণে থাকা এই অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যু চীনের বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া ফেলেছে। ভক্ত ও সহকর্মীরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

‘আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকুক’, গানে আর ফিরবেন না রিংকু

বিনোদন প্রতিবেদক
‘আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকুক’, গানে আর ফিরবেন না রিংকু
সংগৃহীত ছবি

চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর জীবন যেন পুরোপুরি বদলে গেছে ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মশিউর রহমান রিংকুর। ২০২০ সাল থেকে শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার পর তিনি নিজ গ্রামের বাড়িতেই নিভৃতে দিন কাটাচ্ছেন। 

শারীরিক অবস্থার কারণে সংগীতাঙ্গনে আর ফেরা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন এই শিল্পী। তবে তার শেষ চাওয়া, তার সৃষ্টি করা গানগুলো যেন হারিয়ে না যায়।

সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, ফেলে আসা ক্যারিয়ার এবং জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন রিংকু।

তিনি বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ, চারবার স্ট্রোক হয়েছে, এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য। আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’

শহরের মানুষের সম্পর্ক নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই শিল্পী। তার কথায়, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে—কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। যদি কারও কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই—বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারও জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারও সিমপ্যাথি আমি চাই না।’

রিংকু জানান, বর্তমানে গ্রামের সাধারণ মানুষের আন্তরিক ভালোবাসাই তাকে বেঁচে থাকার শক্তি জোগাচ্ছে। জীবনের কঠিন এই সময়ে তাদের সঙ্গেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন প্রকৃত বন্ধুত্ব ও নতুন করে বাঁচার প্রেরণা।

রোমান্টিক সিনেমায় ত্রিশোর্ধ্ব নায়িকাতে অনীহা পরিচালকদের, ক্ষোভ তাপসীর

বিনোদন ডেস্ক
রোমান্টিক সিনেমায় ত্রিশোর্ধ্ব নায়িকাতে অনীহা পরিচালকদের, ক্ষোভ তাপসীর
সংগৃহীত ছবি

বলিউডে নারী ও পুরুষ তারকাদের ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক বৈষম্যের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এনেছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। 

তার অভিযোগ, ইন্ডাস্ট্রিতে এখনো এমন একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে ৩০ বছরের বেশি বয়সী অভিনেত্রীদের রোমান্টিক বা কমেডি ঘরানার সিনেমায় প্রধান চরিত্রে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যায়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে তাপসী বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে এখনো এমন ধারণা কাজ করে যে ৩০ বছরের বেশি বয়সী অভিনেত্রীদের রোমান্টিক, কমেডি ঘরানার ছবিতে নিতে চায় না।’

এই মানসিকতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যদি বয়স সত্যিই একটি মানদণ্ড হয়, তাহলে সেটা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই সমানভাবে হওয়া উচিত।’

নিজের বক্তব্যের পক্ষে তিনি বলিউডের জনপ্রিয় পুরুষ তারকাদের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের উদাহরণও তুলে ধরেন। বিশেষ করে শাহরুখ খানকে উল্লেখ করে তাপসী বলেন, ‘বয়স বাড়লেও তিনি এখনো রোমান্টিক ঘরানার সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন এবং দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য।’

‘সমস্যা বয়স নয়, সমস্যা দৃষ্টিভঙ্গি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৩০ বছরের পর অনেক অভিনেত্রীকে রোমান্টিক লিড চরিত্রে কম দেখা যায়, অথচ তাদের দক্ষতা বা জনপ্রিয়তা কমে না।’

তাপসীর বিশ্বাস, সময়ের সঙ্গে এই মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। তার ভাষায়, ‘আধুনিক সিনেমায় চরিত্র ও গল্পই হওয়া উচিত মূল বিষয়, বয়স নয়।’

১৯৮৭ সালে জন্ম নেওয়া তাপসী পান্নু ২০১০-এর দশকের শুরু থেকে বলিউডে কাজ করছেন। শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পিংক’, ‘বদলা’, ‘থাপ্পড়’, ‘মিশন মঙ্গল’, ‘মারজাবান’, ‘হাসিন দিলরুবা’ এবং ‘দুনকি’।

বর্তমানে তিনি বলিউডের ব্যস্ত অভিনেত্রীদের অন্যতম। সাম্প্রতিক সময়ে অনুভব সিনহার পরিচালনায় ‘অস্সি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যা ২০২৬ সালে মুক্তি পেয়েছে এবং তার অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এ ছাড়া তার আসন্ন কাজের তালিকায় রয়েছে কনিকা ধিল্লনের সঙ্গে নির্মিত নেটফ্লিক্স থ্রিলার ‘গান্ধারী’, যেখানে তাকে একটি অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে দেখা যাবে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি নতুন প্রজেক্টে কাজ করছেন তিনি, যেগুলো ২০২৬–২০২৭ সালে পর্যায়ক্রমে মুক্তির কথা রয়েছে।