• ই-পেপার

‘রানু মণ্ডলের কণ্ঠস্বর যেন স্বর্গীয়’

অপেক্ষার অবসান, আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে যশের ‘টক্সিক’

বিনোদন ডেস্ক
অপেক্ষার অবসান, আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে যশের ‘টক্সিক’
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মুক্তির তারিখ পেল দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহুল আলোচিত ছবি ‘টক্সিক’। একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের পর নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি।

রবিবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশ নিজেই। তার ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বহুদিন ধরেই আলোচনায় থাকা এই মেগাবাজেট অ্যাকশন ড্রামাকে ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে।

‘মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশন’ এবং ভেঙ্কট কে নারায়ণার কেভিএন প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত ‘টক্সিক’-এর ঘোষণা আসে ২০২৩ সালে। প্রথমে ২০২৪ সালে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নানা জটিলতায় কাজ শুরুতে দেরি হয়। এরপর ২০২৫ সালের একাধিক সময়ে মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হলেও প্রতিবারই তা পিছিয়ে যায়।

চলতি বছরের মার্চে ছবিটি মুক্তির কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সেই সিদ্ধান্তও স্থগিত করা হয়। পরে জুনে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে ২৬ আগস্টকে বেছে নেওয়া হয়েছে মুক্তির দিন হিসেবে।

গোয়ার নব্বইয়ের দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘টক্সিক’ মূলত মাদকচক্র, অপরাধ ও ক্ষমতার লড়াইকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি অ্যাকশন-ড্রামা। নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, ছবিটি হবে মারকাটারি অ্যাকশন ও আবেগঘন গল্পের মিশ্রণ।

ছবিটি কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও মুক্তি পাবে হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মালয়ালম ভাষায়, যাতে সর্বভারতীয় দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে।

যশের বিপরীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে কিয়ারা আদভানিকে। পাশাপাশি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। হুমা কুরেশি অভিনয় করছেন ‘এলিজাবেথ’ চরিত্রে, আর রুক্মিণী বসন্তকে দেখা যাবে ‘মেলিসা’ হিসেবে। নয়নতারাও রয়েছেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী চরিত্রে।
 

হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় গায়িকাকে ৭৪টি বেত্রাঘাতের নির্দেশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিনোদন ডেস্ক
হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় গায়িকাকে ৭৪টি বেত্রাঘাতের নির্দেশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সংগৃহীত ছবি

হিজাব ছাড়া দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করায় কঠোর শাস্তির মুখে পড়েছেন ইরানের তরুণ সংগীতশিল্পী পারাস্তু আহমাদি। দেশটির আদালত তাকে ৭৪টি বেত্রাঘাতের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি দুই বছরের জন্য সংগীতচর্চা থেকে নিষিদ্ধ করেছেন। একই সঙ্গে তার বিদেশ ভ্রমণেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

ঘটনার শুরু ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় ইউটিউব লাইভে ‘আজ খুনে জাভানানে ওয়াতান’ শিরোনামের একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন ২৯ বছর বয়সী পারাস্তু আহমাদি। পারফরম্যান্সের সময় তিনি হিজাব পরেননি। ভিডিওটি প্রকাশের পর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ ওই পরিবেশনাকে ‘অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যা দেয়। গানটি প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই পারাস্তু আহমাদি ও তার কয়েকজন সহশিল্পীকে আটক করা হয়। পরে তারা মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে থাকে।

Iranian artist Parastoo Ahmadi reportedly sentenced to 74 lashes for  singing without hijab | Euronews

সম্প্রতি কোম প্রদেশের আদালত সেই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পারাস্তু আহমাদি এবং তার দলের আরো আট সদস্যকে ৭৪টি করে বেত্রাঘাতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুই বছরের জন্য তার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা এবং দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রায় প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। 

মানবাধিকারকর্মী ও সংস্কৃতিকর্মীদের ভাষ্য, এটি শুধু একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় নয়; বরং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দমনের আরেকটি উদাহরণ। 

তাদের দাবি, সরকারের সমালোচনামূলক অবস্থানে থাকা শিল্পীদের বিরুদ্ধে ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বোনিয়াদি, নির্বাসিত ইরানি অভিনেত্রী সেতারেহ মালেকিসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি।

ইরানি মানবাধিকার সংস্থা ‘দাদবান’-এর আইনজীবী মইন খাজায়েলি বলেছেন, এ রায়ের কোনো সুস্পষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। 

তার মতে, ইরানের প্রচলিত আইনে নারীদের গান গাওয়া বা সংগীত পরিবেশনকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। তাই এসব কর্মকাণ্ডকে ‘অশ্লীল কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে শাস্তি দেওয়া আইনের অপব্যবহার।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’-এর অ্যাডভোকেসি পরিচালক বাহার ঘান্দেহারি বলেন, শুধু গান গাওয়া এবং হিজাব ছাড়া উপস্থিত হওয়ার কারণে একজন শিল্পীকে ৭৪টি বেত্রাঘাতের সাজা দেওয়া অত্যন্ত কঠোর ও উদ্বেগজনক।
 

বিয়ে করেছেন সেই শেখ সাদী, পাত্রী কে?

বিনোদন প্রতিবেদক
বিয়ে করেছেন সেই শেখ সাদী, পাত্রী কে?
সংগৃহীত ছবি

বিয়ে করেছেন তরুণ সংগীতশিল্পী শেখ সাদী। গত শুক্রবার পারিবারিকভাবে তার তাঁর আংটিবদল হয়েছে বলে নিজেই নিশ্চিত করেছেন এই গায়ক।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ সাদী জানান, আংটিবদলের সিদ্ধান্তটি ছিল একেবারেই আকস্মিক। 

তিনি বলেন, ‘আংটিবদলের ব্যাপারটি একেবারে হুট করে হয়েছে। আমার আব্বু–আম্মু দুজনই যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তাঁরা কিছুদিন আগে দেশে এসেছিলেন। এর মধ্যে আমার বিয়ের ব্যাপারে পারিবারিকভাবে কথাবার্তা হয়। তাঁরা আমার জন্য একজনকে পছন্দ করেন। তাঁদের পছন্দে আমি সম্মতি জানাই। এরপর তাঁর সঙ্গে আমার আংটিবদল হয়েছে।’

জানা গেছে, শেখ সাদীর হবু স্ত্রীর নাম সুরাইয়া আফরোজ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন এবং সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। গত শুক্রবার ঢাকার শাহজাদপুরে কনের বাসায় দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় আংটিবদলের আয়োজন।

‘ললনা’ গান দিয়ে আলোচনায় আসা এই শিল্পী অভিনয়েও নাম লিখিয়েছিলেন। ‘শহরের নতুন অতিথি’ নাটকে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন সামিরা খান মাহি। 

এছাড়া চিত্রনায়িকা পরীমনির ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে একাধিকবার দেখা গেছে শেখ সাদীকে। এক মামলায় আদালতে পরীমনির জামিনদার হয়ে নতুনভাবে আলোচনায় আসেন তিনি। এরপর বিভিন্ন সময়ে পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জনেও একাধিকবার শিরোনামে এসেছেন এই গায়ক।

চলে গেলেন টেলিভিশন কমেডির কিংবদন্তি

বিনোদন ডেস্ক
চলে গেলেন টেলিভিশন কমেডির কিংবদন্তি
সংগৃহীত ছবি

টেলিভিশন কমেডির ইতিহাসে অনন্য এক নাম জেমস বারোজ। ‘ফ্রেন্ডস’, ‘চিয়ার্স’, ‘ট্যাক্সি’ ও ‘উইল অ্যান্ড গ্রেস’-এর মতো কালজয়ী ধারাবাহিকের নির্মাতা শুক্রবার (স্থানীয় সময়) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

মার্কিন গণমাধ্যম পিপলকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেমস বারোজের পরিবার তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তিনি আজ পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্যে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’ তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ বা কোথায় তিনি মারা গেছেন, সে বিষয়ে পরিবার বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

জেমস বারোজ এমন একজন নির্মাতা ছিলেন, যিনি টেলিভিশন কমেডিকে শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাঁর নির্মাণে হাসির সঙ্গে উঠে এসেছে মানবিক সম্পর্ক, আবেগ ও জীবনের নানা বাস্তবতা। কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে তিনি এক হাজারেরও বেশি টেলিভিশন পর্ব পরিচালনা করেন, যা বিশ্বজুড়ে কোটি দর্শকের কাছে আজও সমান জনপ্রিয়।

১৯৭৪ সালে ‘দ্য মেরি টাইলার মুর শো’-এর মাধ্যমে টেলিভিশন জগতে যাত্রা শুরু করেন বারোজ। এরপর ধীরে ধীরে তিনি সিটকম নির্মাণের অন্যতম সফল ও প্রভাবশালী পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান।

তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক ‘চিয়ার্স’। জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকের ২৭৩টি পর্বের মধ্যে ২৪৩টিই পরিচালনা করেছিলেন তিনি। 

নিজের স্মৃতিকথায় বারোজ লিখেছিলেন, একটি সফল কমেডির মূল শক্তি হলো শক্তিশালী চিত্রনাট্য, দক্ষ অভিনয় এবং শিল্পীদের পারস্পরিক রসায়ন। এই তিনের সমন্বয়েই তৈরি হয় সেই ‘ম্যাজিক মোমেন্ট’, যা দর্শকের মনে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে।

১৯৪০ সালের ৩০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মগ্রহণ করেন জেমস বারোজ। তাঁর বাবা এব বারোজ ছিলেন খ্যাতিমান নাট্যকার। শৈশব থেকেই থিয়েটারের আবহে বেড়ে ওঠা জেমস পরবর্তীতে সেই শিল্পজগতেই নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলেন এবং টেলিভিশন কমেডিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।

ক্যারিয়ারে একাধিকবার এমি পুরস্কারে সম্মানিত এই নির্মাতার মৃত্যুতে টেলিভিশন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

‘রানু মণ্ডলের কণ্ঠস্বর যেন স্বর্গীয়’ | কালের কণ্ঠ