• ই-পেপার

দুই বাংলার কণ্ঠে \'একটুকু ছোঁয়া লাগে\'

‘টক্সিক’-এর টিজার ঘিরে বিতর্ক, নারী চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক

বিনোদন ডেস্ক
‘টক্সিক’-এর টিজার ঘিরে বিতর্ক, নারী চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক
সংগৃহীত ছবি

কন্নড় সুপারস্টার ইয়াশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত অ্যাকশন থ্রিলার ‘টক্সিক’–এর নতুন টিজার প্রকাশের পরই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ‘লেডিস অ্যান্ড লেডিস’ শিরোনামের এই বিশেষ প্রমোটি সিনেমার নারী চরিত্রগুলোর সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হলেও, মুক্তির পর সেটি সমালোচনার মুখে পড়েছে।

বুধবার প্রকাশিত টিজারে নয়নতারা, কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্তের উপস্থিতি দেখানো হয়। তবে অনেক দর্শকের অভিযোগ, চরিত্রগুলোর ব্যক্তিত্ব, সংলাপ বা গল্পের গুরুত্ব তুলে ধরার বদলে তাদের অতিরিক্ত গ্ল্যামারাস ও যৌন আবেদনময়ীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

Rate the new glimpse of Toxic out of 10 ? #Toxic #ToxicOnAugust26 #Yash

টিজারটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এ শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। অনেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, নারী চরিত্রকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি প্রমোতে তাদের চরিত্রের গভীরতা তুলে ধরা হয়নি; বরং কেবল দৃষ্টিনন্দন উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

কিছু নেটিজেন আরো কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টিজারটিকে ‘এই দশকের সবচেয়ে অশালীন প্রচারণাগুলোর একটি’ বলেও মন্তব্য করেছেন। এমনকি ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের কাছে সিনেমাটি আটকে দেওয়ার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে একজন নারী নির্মাতা হিসেবে গীতু মোহনদাস কেন এমন উপস্থাপনার পথ বেছে নিলেন—সেই প্রশ্নও উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সমালোচনার বড় অংশই কেন্দ্রীভূত হয়েছে টিজারের শেষ দৃশ্যকে ঘিরে। অনেকের দাবি, সেখানে নারী চরিত্রগুলোকে ‘মেল গেজ’ বা পুরুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, যা অপ্রয়োজনীয় এবং কুরুচিপূর্ণ।

ANMOL JAMWAL (@jammypants4) / Posts / X

বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন আলোচনা প্ল্যাটফর্ম রেডিটেও। সেখানে অনেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, সিনেমাটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত হওয়ায় পরিণত বিষয়বস্তু নিয়ে তাদের আপত্তি নেই। তবে নারী চরিত্রগুলোর উপস্থিতি মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সীমাবদ্ধ রাখা এবং তাদের গল্প বা ব্যক্তিত্বের কোনো ইঙ্গিত না দেওয়ায় তারা হতাশ।

উল্লেখ্য, একাধিকবার মুক্তির তারিখ পরিবর্তনের পর অবশেষে ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘টক্সিক’। গীতু মোহনদাস পরিচালিত ছবিটি ভেঙ্কট কে. নারায়ণ ও ইয়াশের প্রযোজনায় কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হয়েছে। পরে এটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মালয়ালম ভাষায় ডাব করে বিশ্বব্যাপী মুক্তি দেওয়া হবে।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার উন্মাদনা নিয়ে আইস্ক্রিনের ওয়েব সিরিজ

বিনোদন প্রতিবেদক
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার উন্মাদনা নিয়ে আইস্ক্রিনের ওয়েব সিরিজ
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলে না, কিন্তু বিশ্বকাপ এলেই দেশের অলিগলি থেকে শহর—সবখানেই ছড়িয়ে পড়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের তুমুল উন্মাদনা। প্রিয় দলের জয়-পরাজয় নিয়ে তর্ক, পতাকা টানানো, খুনসুটি আর আবেগ যেন হয়ে ওঠে এক ভিন্ন উৎসব। সেই চেনা বাস্তবতাকেই পর্দায় তুলে আনছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’।

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশে তৈরি হওয়া এই বিশেষ আবহকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিরিজটি। খেলা হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মাঠে, কিন্তু সমর্থকদের উন্মাদনায় যেন আরেকটি বিশ্বকাপ বসে বাংলাদেশের পাড়া-মহল্লায়। সেই গল্পই হাস্যরসের মোড়কে তুলে ধরা হবে ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’-এ।

সিরিজটি পরিচালনা করেছেন তারিক মুহাম্মাদ হাসান। এতে অভিনয় করেছেন ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া, তাসনুভা তিশা, লামিমা লাম, শরাফ আহমেদ জীবন, সহীদ উন নবী ও ইশতিয়াক আহমেদ রোমেল। 

নির্মাতা তারিক মুহাম্মাদ হাসান বলেন, বাংলাদেশের মহল্লাগুলোতে বিশ্বকাপ এলেই যে মজার মজার ঘটনা ঘটে, সেগুলোই সিরিজে তুলে ধরা হয়েছে।

তার কথায়, ‘ওয়ার্ল্ডকাপ উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশের মহল্লায় মহল্লায় মজার মজার যে কাণ্ড ঘটে তাই দেখানো হয়েছে এতে। খুব সাধারণ গল্পগুলো আমরা মজা করে তুলে এনেছি।’

‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’-এর মাধ্যমে প্রথমবার অভিনয়ে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। অভিনয়ের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জানান, এর আগে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও নাটক বা সিরিজে অভিনয় এবারই প্রথম।

জামাল বলেন, ‘এর আগে কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও নাটকে বা সিরিজে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম।’

অভিনয়ের অভিজ্ঞতাকে ‘ম্যাজিক্যাল’ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘পুরো বিষয়টি বেশ ম্যাজিক্যাল লাগছে। ক্যামেরার সামনের অভিনয়ের ব্যাপারটা সহজ নয়।’

নিজের অভিনয় নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া নিয়েও বেশ খোলামেলা জামাল। তিনি বলেন, ‘আমার অভিনয় দেখে দর্শকরা মজা করুক, মিমস বানাক, ট্রল করুক—তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই।’

জানা গেছে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে আগামী ৭ জুলাই থেকে সিরিজটি স্ট্রিমিং শুরু হবে। আট পর্বের এই সিরিজের প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ মিনিট।

স্পাইডারম্যানের জালে লিওনেল মেসি, ২০ সেকেন্ডের উপস্থিতিতেই নিলেন ১৮৫ কোটি!

বিনোদন ডেস্ক
স্পাইডারম্যানের জালে লিওনেল মেসি, ২০ সেকেন্ডের উপস্থিতিতেই নিলেন ১৮৫ কোটি!
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বের মহাতারকা লিওনেল মেসিকে এবার দেখা গেল মার্ভেলের জনপ্রিয় সুপারহিরো স্পাইডারম্যানের সঙ্গে একই ফ্রেমে। সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক ভিডিও ঘিরে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে মেসির সম্ভাব্য পারিশ্রমিক।

প্রায় ৪০ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে শুরুতে দেখা যায়, পিটার পার্কার একটি কফিশপে বসে ফোনে কথা বলছেন। ঠিক তখনই হাতে একটি বিশেষ ট্র্যাকার নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন মেসি। কিছুক্ষণ পর পিটার নিজের পরিচয় বদলে স্পাইডারম্যানে রূপ নেন। ভিডিওর শেষ মুহূর্তে নিউইয়র্কের আকাশে স্পাইডারম্যানের জালে ভর করে উড়তে দেখা যায় মেসিকে, যা ভক্তদের জন্য ছিল বড় চমক।

ভিডিওটি প্রকাশের পরই হলিউডভিত্তিক কয়েকটি সূত্র দাবি করে, মাত্র ২০ সেকেন্ডের উপস্থিতির জন্য মেসি পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছেন ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা। তবে এই তথ্যের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি সনি পিকচার্স কিংবা মেসির প্রতিনিধিরা। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ভিডিওটি মার্ভেলের আসন্ন সিনেমা ‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’–এর প্রচারণার অংশ। ছবিটি আগামী ৩১ জুলাই মুক্তির কথা রয়েছে।

ভিডিওতে মেসির হাতে থাকা ‘স্পাইডি ট্র্যাকার’ও দর্শকদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মার্ভেল কমিকস অনুযায়ী, এটি পিটার পার্কারের তৈরি একটি বিশেষ ডিভাইস, যা প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল ভিলেন ডক্টর অক্টোপাসকে শনাক্ত করতে।

এ ছাড়া ট্র্যাকারের পর্দায় একাধিক লাল সংকেত দেখা যাওয়ায় অনেক ভক্তই মনে করছেন, এটি মার্ভেলের মাল্টিভার্সের নতুন কোনো ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

জানা গেছে, নতুন সিনেমার গল্প শুরু হবে ‘স্পাইডারম্যান: নো ওয়ে হোম’–এর ঘটনার পর থেকে। সেই কাহিনিতে পৃথিবীর সবাই ভুলে যায় যে, পিটার পার্কারই স্পাইডারম্যান। নতুন অধ্যায়ে তার সঙ্গে ‘পানিশার’ ও ‘হাল্ক’-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্রদেরও দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

মেসির উপস্থিতিতে এই প্রচারণামূলক ভিডিও ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমী ও মার্ভেল ভক্ত—দুই পক্ষের মধ্যেই আলাদা উন্মাদনা তৈরি করেছে। তবে তার অভিনয় বা পারিশ্রমিক নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এসব তথ্যকে নিশ্চিত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

চলে গেলেন মঞ্চনাট্যের কিংবদন্তি বিজয়া মেহতা

বিনোদন ডেস্ক
চলে গেলেন মঞ্চনাট্যের কিংবদন্তি বিজয়া মেহতা
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় মঞ্চনাট্যের প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রী, নাট্যপরিচালক ও আধুনিক মারাঠি থিয়েটারের অন্যতম পথিকৃৎ বিজয়া মেহতা আর নেই। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভোগার পর ৩০ জুন মুম্বাইয়ের নেপিয়ান সি রোডের নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি এক কন্যা ও দুই পুত্র রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় নাট্যাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিল্পী, নাট্যব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন এই কিংবদন্তিকে।

ভারতীয় থিয়েটারের ইতিহাসে বিজয়া মেহতা ছিলেন এক অনন্য নাম। বিশেষ করে মারাঠি নাটকে আধুনিক চিন্তা, পরীক্ষাধর্মী উপস্থাপনা এবং সামাজিক বাস্তবতাকে নাট্যভাষায় রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অসামান্য। ‘ব্যারিস্টার’, ‘হামিদাবাইচি কোঠি’, ‘পুরুষ’ এবং ‘ওয়াদা চিরেবন্দি’র মতো নাটক তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

মুম্বাইয়ের এক মধ্যবিত্ত কায়স্থ পরিবারে জন্ম নেওয়া বিজয়া মেহতা মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। অভিনয়জীবনের শুরু হয় পার্সি থিয়েটারের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আদি মার্জবানের দলে। পরে ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার কিংবদন্তি নাট্যব্যক্তিত্ব ইব্রাহিম আলকাজির কাছে অভিনয় ও নির্দেশনার প্রশিক্ষণ নেন।

উইলিয়াম শেকসপিয়রের ‘ওথেলো’র মারাঠি রূপান্তরে ডেসডিমোনা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। পরবর্তী সময়ে নাট্যকার বিজয় টেন্ডুলকার, অভিনেতা ড. শ্রীরাম লাগু, সুলভা দেশপান্ডে ও অরবিন্দ দেশপান্ডের সঙ্গে মিলে প্রতিষ্ঠা করেন ‘রঙ্গায়ন’ নাট্যদল। এই দলটি মারাঠি থিয়েটারে আধুনিক নাট্যচর্চার নতুন ধারার সূচনা করে।

পরীক্ষাধর্মী নাটকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক থিয়েটারেও সমান সফল ছিলেন বিজয়া মেহতা। জার্মান নাট্যকার বার্টোল্ট ব্রেখটের বিখ্যাত নাটক ‘দ্য ককেশিয়ান চক সার্কেল’-এর মারাঠি রূপান্তর ‘আজব ন্যায় বার্তুলাচা’ পরিচালনা করে ব্যাপক প্রশংসা পান। একই সঙ্গে মহেশ এলকুঞ্চওয়ার ও জয়বন্ত ডালভির মতো খ্যাতিমান নাট্যকারদের সৃষ্টিও নতুনভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন।

মঞ্চের বাইরে টেলিভিশনেও তাঁর সফল পদচারণা ছিল। আশির দশকে পরিচালিত চিকিৎসাবিষয়ক ধারাবাহিক ‘লাইফ লাইন’ দর্শকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিচালক পিটার ব্রুকের ‘মহাভারত’ প্রযোজনার সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পাশাপাশি ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস (এনসিপিএ) এবং ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার (এনএসডি) প্রশাসনিক দায়িত্বও দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন।

শুধু নির্মাতা বা অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, একজন অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক ও মেন্টর হিসেবেও বিজয়া মেহতার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। তাঁর হাত ধরেই অভিনয়জগতে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন নানা পাটেকর, রীমা লাগু, অশোক সরাফ, বিক্রম গোখলে, নীনা কুলকার্নি, ভারতী আচরেকর ও বন্দনা গুপ্তের মতো অসংখ্য শিল্পী।