• ই-পেপার

রাস্তায় হাঁটছিলেন ঝুমুর, সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে গেল প্রাণ

গুলিস্তানে সেলুনে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০

অনলাইন ডেস্ক
গুলিস্তানে সেলুনে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০

রাজধানীর গুলিস্তানের আলু বাজার এলাকায় আরমান একটি সেলুনে এসি বিস্ফোরণে কারিগর কাস্টমারসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তারা জাতীয় বার্ন ইনিস্টিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। 

দগ্ধরা হলেন কাস্টমার মো. ফারুক (৩৫), রিংকু (৩০), রনি (৩৬), জসিম (৪০), রফিক (২৫)। কারিগর সামশেদ (৩০), রাজু (৩৪), পাপ্পু (২৬),সাকিব (১৭) ও আরমান (৩৭)।

জাতীয় বার্ন ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মো. ফারুকের শরীরের ৫০ শতাংশ,  রিংকু ২১ শতাংশ,  রনি ১০ শতাংশ,  জসিম ৮ শতাংশ,  রফিক ১২ শতাংশ,  কারিগর সামশেদ ১৫ শতাংশ, রাজু ১৮ শতাংশ,  পাপ্পু ১৮ শতাংশ , সাকিব ১ শতাংশ ও আরমান ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধদের মধ্যে সাকিব নামে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদেরকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক বুধবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, মাসকট প্লাজা।

ইস্কাটনে চারতলা থেকে পড়ে এসি মিস্ত্রির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইস্কাটনে চারতলা থেকে পড়ে এসি মিস্ত্রির মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর রমনার ইস্কাটন রোডের বাসায় এসির কাজ করার সময় চার তলা ভবন থেকে পড়ে মো. ইয়ামিন (২০) নামের এক এসি মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ইয়ামিনের বাড়ি ভোলার লালমোহন উপজেলার দক্ষিণ ফরাসগঞ্জ এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত কাসেম হাওলাদার। বর্তমানে তিনি রমনা এলাকায় বসবাস করতেন।

ইয়ামিনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী কামাল জানান, সকালের দিকে তারা দু’জনে ইস্কাটন রোডের একটি বাসার চতুর্থ তলায় এসি মেরামতের কাজ করছিল। এসময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে আহত হন ইয়ামিন। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

ঢাকায় বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে গুলশান সোসাইটি

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে গুলশান সোসাইটি

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলের পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে গুলশান সোসাইটি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সোসাইটির নিজস্ব উদ্যোগে বন্যাদুর্গত এলাকার চরম সংকটে থাকা মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বন্যার্তদের তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট দূরীকরণের লক্ষ্যে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। খাবার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা এবং সোসাইটির অন্যান্য সম্মানিত সদস্যরা।

খাবার বিতরণকালে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্য্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, ‘বন্যার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই সংকটের মুহূর্তে অভুক্ত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব। গুলশান সোসাইটি সবসময় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পানিবন্দি মানুষের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জরুরি খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি তাদের এই কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে। সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনকেও এই দুর্যোগে বন্যার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।’

গুলশান সোসাইটির সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পানিবন্দী মানুষের হাতে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়।

সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এবং আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিক জীবনে না ফেরা পর্যন্ত তাদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।