• ই-পেপার

মেয়ের বাসায় বেড়াতে এসে ছাদ থেকে পড়ে বাবার মৃত্যু

হাজারীবাগে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
হাজারীবাগে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর হাজারীবাগে মো. নাঈম (১৭) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাতে হাজারীবাগের টালি অফিস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের বাবা আব্দুল মান্নান জানান, তিনি ও তার ছেলে ভ্যানে করে আম বিক্রি করতেন। ঘটনার সময় তিনি পাশের একটি গলিতে ছিলেন। বৃষ্টির কারণে রাতে বাসায় ফিরে তিনি ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজার ছিটকিনি ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাঈম সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে হাজারীবাগের টালি অফিস এলাকায় বসবাস করতেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রাজধানীর মাদরাসায় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর মাদরাসায় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর হাতিরঝিলের মহানগর প্রজেক্ট এলাকার একটি মাদরাসা থেকে তাহমিদুল ইসলাম (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মৃত তাহমিদুল ইসলাম আল-ফুরকান মসজিদ মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া জানান, শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে রামপুরার ডিআইটি রোডের বেটার লাইফ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রবিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, তাহমিদুলের বাবা শাহিন রেজা জানিয়েছেন, মাদরাসার একটি কক্ষের জানালার গ্রিলের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় সহপাঠীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বেটার লাইফ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তাহমিদুল ইসলামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাজীপুর গ্রামে। সে মো. শাহিন রেজার ছেলে। সে হাতিরঝিলের মহানগর প্রজেক্ট এলাকায় অবস্থিত আল-ফুরকান মসজিদ মাদরাসায় থেকে লেখাপড়া করত।

এসআই সুমন মিয়া বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ এখনো রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

জাতীয় জাদুঘরে মেসির স্বাক্ষরিত জার্সি, দেখতে ভক্তদের ভিড়

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় জাদুঘরে মেসির স্বাক্ষরিত জার্সি, দেখতে ভক্তদের ভিড়
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসির স্বাক্ষর করা আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের একটি জার্সি এখন প্রদর্শিত হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে। এই স্মারকটি দেখতে প্রতিদিনই জাদুঘরে ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী। 

শুধু মেসি নয়, জার্সিতে জুলিয়ান আলভারেজ এবং এনজো ফার্নান্দেজের অটোগ্রাফও রয়েছে। প্রত্যেকে তারা ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন। জার্সিটি উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

জাদুঘরের নির্ধারিত প্রদর্শনীকক্ষে বিশেষভাবে বাঁধাই করা ফ্রেমে সংরক্ষণ করা হয়েছে জার্সিটি। প্রদর্শনীতে আসা দর্শনার্থীরা জার্সিটির সামনে ছবি তুলছেন, স্মৃতিচারণা করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন। অনেকের কাছে এটি বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের একটি মূল্যবান স্মারক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জার্সিটির ফ্রেমে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের লোগোও দেখা যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) রিজিওনাল পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে। 

জাদুঘর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীরা মেসির স্বাক্ষরিত এই জার্সি দেখতে আসছেন। বিশেষ করে তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এ প্রদর্শনী ঘিরে উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রদর্শনীগুলোর একটি হিসেবে অভিহিত করছেন।

বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির ব্যবহৃত ও স্বাক্ষরিত স্মারক বিশ্বজুড়েই ভক্তদের কাছে বিশেষ মূল্য বহন করে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে প্রদর্শিত এই স্বাক্ষরিত আর্জেন্টিনার জার্সিও ফুটবলপ্রেমীদের জন্য হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র।


 

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫০৮ জন গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫০৮ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।

‎সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৫২ জন, লালবাগ বিভাগে ২৩ জন, ওয়ায়ী বিভাগে ৩২ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৮ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৬৮ জন, মিরপুর বিভাগে ৯৫ জন, গুলশান বিভাগে ৫৩ জন, উত্তরা বিভাগে ১৩৭ জন রয়েছেন। ‎অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ১ কেজি ২৬০ গ্রাম গাঁজা, ৩৮১ পিস ইয়াবা, ৮ গ্রাম হেরোইন, ১২ বোতল বিদেশি মদ, ২টি রাংচা কাগজ, ২টি কর্ক, ১টি ধারালো ছুরি, ৬টি বস্তায় বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ, ১৪টি মোবাইল, ১ জন ভিকটিম ও নগদ ২২ হাজার ১২০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

‎ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।