• ই-পেপার

বিমানবন্দরে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করলেন আনসার সদস্যরা

নিখোঁজের এক দিন পর জলাশয়ে মিলল মাহাদীর মরদেহ, শোকে স্তব্ধ নিকুঞ্জ-খিলক্ষেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিখোঁজের এক দিন পর জলাশয়ে মিলল মাহাদীর মরদেহ, শোকে স্তব্ধ নিকুঞ্জ-খিলক্ষেত

মসজিদের মাইকে বারবার উচ্চারিত হয়েছে তার নাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তার নিষ্পাপ মুখের ছবি। একটি ছোট্ট শিশুর সন্ধানে এক দিন ধরে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা আর প্রার্থনায় কেটেছে নিকুঞ্জ, টানপাড়া ও খিলক্ষেত এলাকার মানুষের সময়। সবাই অপেক্ষা করছিল একটি সুখবরের জন্য। কিন্তু সেই অপেক্ষার অবসান হলো এক হৃদয়বিদারক পরিণতিতে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে নিখোঁজ থাকা তিন বছর বয়সী শিশু মাহাদীকে বুধবার (২৪ জুন) নিকুঞ্জ-১-এর খেলার মাঠসংলগ্ন জামতলা এলাকার একটি উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাবার নাম মিজানুর রহমান, পৈতৃক বাড়ি বরগুনা জেলায়।

শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এলাকাজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক খোঁজাখুঁজি। স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে আশপাশের এলাকায় অনুসন্ধান চালায়। মসজিদের মাইকে বারবার ঘোষণা দেওয়া হয়। নিকুঞ্জ ও খিলক্ষেতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার করা হয় মাহাদীর ছবি ও পরিচয়। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্থান এবং বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরাও শিশুটির খোঁজে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

একটি শিশুকে ঘিরে এমন মানবিক উদ্যোগে যেন পুরো এলাকাই এক পরিবারের রূপ নিয়েছিল। সবাই বিশ্বাস করছিল, হয়তো মাহাদী ফিরে আসবে তার মায়ের কোলে। কিন্তু বুধবার সকালে সেই আশার প্রদীপ নিভে যায়।

নিকুঞ্জ-১-এর খেলার মাঠসংলগ্ন জামতলা এলাকার একটি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাহাদীর মরদেহ পাওয়া যায়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে শত শত মানুষ। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। অনেকেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করেন, ঘটনাস্থলের পরিবেশ এবং শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে তাদের সন্দেহ হচ্ছে, এটি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়। মাহাদীকে হত্যার পর জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে রাজি নয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

এ ব্যাপারে এলাকার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির আহ্বায়ক জাহিদ ইকবাল বলেন, ‘গত এক দিন ধরে মাহাদী শুধু একটি পরিবারের সন্তান ছিল না, সে পুরো এলাকার সন্তানে পরিণত হয়েছিল। তার সন্ধানে মানুষ যেভাবে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে, যেভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালিয়েছে, যেভাবে মসজিদের মাইকে বারবার ঘোষণা হয়েছে—তা আমাদের সমাজের মানবিক চেহারাটিকেই সামনে নিয়ে এসেছে। সবাই চেয়েছিল ছোট্ট শিশুটি নিরাপদে ফিরে আসুক।’

তিনি বলেন, ‘আজ যখন মাহাদীর মৃত্যুর খবর শুনলাম, তখন সত্যিই ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। একজন সাংবাদিক হিসেবে বহু মর্মান্তিক ঘটনা দেখেছি, কিন্তু একটি নিষ্পাপ শিশুকে ঘিরে মানুষের এত আশা-ভরসার পর এমন পরিণতি হৃদয়কে ভেঙে দেয়। মাহাদীর মায়ের বুকফাটা কান্না, বাবার নির্বাক বেদনা এবং স্বজনদের আহাজারি দেখে নিজেকেও সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। আমি বারবার শুধু ভাবছিলাম—যে শিশুটিকে খুঁজে পেতে হাজারো মানুষ প্রার্থনা করেছে, সে কেন এভাবে চলে গেল? আমরা চাই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক। যদি এর পেছনে কোনো অপরাধ থেকে থাকে, তবে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’

গত এক দিন ধরে মাহাদীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিকুঞ্জ, টানপাড়া ও খিলক্ষেত এলাকার মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। একটি শিশুর সন্ধানে মানুষের যে ভালোবাসা, উদ্বেগ ও মানবিক সংহতি দেখা গেছে, তা ছিল বিরল। কিন্তু সেই গল্পের সমাপ্তি হলো গভীর শোকের মধ্য দিয়ে।

যে মাহাদীর হাসিতে মুখর থাকার কথা ছিল একটি ঘর, সে আজ নিথর। যে মা সন্তানের ফিরে আসার আশায় বারবার দরজার দিকে তাকিয়ে ছিলেন, তার বুক আজ শোকে বিদীর্ণ। যে বাবা সন্তানের খোঁজে ছুটে বেরিয়েছেন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে, তিনি আজ নির্বাক। আর পুরো নিকুঞ্জ-খিলক্ষেতবাসীর হৃদয়ে আজ একটাই প্রশ্ন—কেন এভাবে থেমে গেল ছোট্ট মাহাদীর জীবন?

এলাকাবাসীর দাবি, এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হোক। কারণ মাহাদীর মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি নয়, এটি সমগ্র সমাজের বিবেককে নাড়া দেওয়া এক বেদনাদায়ক ঘটনা।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব আল হোসাইন বলেন, ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আব্দুল রশিদ (৬৫) নামের এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর ১১টা ৫০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী শাহ আলমসহ কয়েকজন কারারক্ষী তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আব্দুল রশিদ কোন মামলায় কারাবন্দী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) প্রাঙ্গণে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এমবিবিএস সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে কার্ডিওলজিতে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ প্রশিক্ষণ তার পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বাইরে অবস্থান করলেও ডা. জুবাইদা রহমান রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং দেশে ফিরে আবারও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ে ডা. জুবাইদা রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে। সেই ধারাবাহিকতায় ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে নিমসহ বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা বলেন, চিকিৎসা পেশাজীবীদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রতিবছর এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীন, অর্থোপেডিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন বিপ্লব, নাক-কান-গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান, নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান, হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ফখরুজ্জামান রনি, শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ সামি আল হাসান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ইউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাহকের ফ্রি চিকিৎসাসেবায় হটলাইন চালু করল ওয়ালটন

একযোগে ৭ শতাধিক প্লাজায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প

অনলাইন ডেস্ক
গ্রাহকের ফ্রি চিকিৎসাসেবায় হটলাইন চালু করল ওয়ালটন
সংগৃহীত ছবি

গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসাসেবার জন্য হটলাইন চালু করেছে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সারাদেশে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় জনসাধারণকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিন একযোগে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এসময় ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহক থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ফ্রি মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করে।

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড ওয়ালটন প্লাজায় ফিতা কেটে মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। এসময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নাম্বার (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) উদ্বোধন করেন। সদ্য চালু হওয়া এই হটলাইন নাম্বারে কল করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ।

এদিন ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় রোগিদের ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছিলো রক্তদান কর্মসূচী। ওয়ালটন প্লাজা থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্যবহার করা হবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবায়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারীগণ। এ ছাড়া অনলাইনে সারা দেশের সব ওয়ালটন প্লাজার প্রতিনিধিরা যুক্ত হন।