• ই-পেপার

নিখোঁজের এক দিন পর জলাশয়ে মিলল মাহাদীর মরদেহ, শোকে স্তব্ধ নিকুঞ্জ-খিলক্ষেত

বিমানবন্দরে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করলেন আনসার সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমানবন্দরে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করলেন আনসার সদস্যরা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক প্রবাসী যাত্রীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিমানবন্দরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও তাৎক্ষণিক তৎপরতায় তা দ্রুত হস্তান্তর সম্ভব হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকায় দায়িত্বরত এপিসি মো. নিজাম উদ্দীনকে বিদেশফেরত প্রবাসী যাত্রী মো. শাহীন মৃধা তার হারিয়ে যাওয়া লাগেজের বিষয়ে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই এপিসি মো. নিজাম উদ্দীন তাৎক্ষণিকভাবে লাগেজটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেন এবং শিফটে দায়িত্বপ্রাপ্ত থানা প্রশিক্ষক মো. ওয়াসিম মিয়াকে অবহিত করেন।

পরে থানা প্রশিক্ষক মো. ওয়াসিম মিয়ার নির্দেশনায় আনসার সদস্যরা হারানো লাগেজ উদ্ধার করতে মাইকিং, অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক খোঁজখবর শুরু করেন। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে জানা যায়, দুবাই প্রবাসী মো. ঈমান আলী ভুলবশত নিজের লাগেজ বিমানবন্দরে রেখে ওমান প্রবাসী মো. শাহীন মৃধার লাগেজ সঙ্গে নিয়ে চলে যান। এ কারণে শাহীন মৃধা নিজের লাগেজ খুঁজে না পেয়ে আনসার সদস্যদের সহায়তা চান।

এ সময় ক্যানোপি এলাকায় পড়ে থাকা মালিকবিহীন একটি লাগেজের ট্যাগ পরীক্ষা করে এপিসি মো. নিজাম উদ্দীন একটি মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে সেই নম্বরে যোগাযোগ করলে দুবাই প্রবাসী মো. ঈমান আলীর সঙ্গে কথা হয় এবং তাকে জানানো হয় যে, তার লাগেজটি বিমানবন্দরে পড়ে আছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পুনরায় বিমানবন্দরে ফিরে আসেন।

পরবর্তীতে তার সঙ্গে থাকা লাগেজটি যাচাই করে দেখা যায়, সেটি আসলে ওমান প্রবাসী মো. শাহীন মৃধার হারিয়ে যাওয়া লাগেজ। পরে উভয় যাত্রীকে উপস্থিত রেখে লাগেজ দুটির ট্যাগ নম্বর, সঠিক বিবরণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ভুলবশত মো. ঈমান আলী মো. শাহীন মৃধার লাগেজ নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তার নিজের লাগেজটি বিমানবন্দরের ক্যানোপি এলাকায় পড়ে ছিল।

সবশেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উভয় যাত্রীর নিকট তাদের নিজ নিজ লাগেজ হস্তান্তর করা হয়। হারিয়ে যাওয়া লাগেজ ফিরে পেয়ে প্রবাসী যাত্রী মো. শাহীন মৃধা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সহায়তার জন্য দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
 

ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আব্দুল রশিদ (৬৫) নামের এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর ১১টা ৫০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী শাহ আলমসহ কয়েকজন কারারক্ষী তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আব্দুল রশিদ কোন মামলায় কারাবন্দী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) প্রাঙ্গণে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এমবিবিএস সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে কার্ডিওলজিতে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ প্রশিক্ষণ তার পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বাইরে অবস্থান করলেও ডা. জুবাইদা রহমান রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং দেশে ফিরে আবারও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ে ডা. জুবাইদা রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে। সেই ধারাবাহিকতায় ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে নিমসহ বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা বলেন, চিকিৎসা পেশাজীবীদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রতিবছর এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীন, অর্থোপেডিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন বিপ্লব, নাক-কান-গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান, নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান, হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ফখরুজ্জামান রনি, শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ সামি আল হাসান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ইউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাহকের ফ্রি চিকিৎসাসেবায় হটলাইন চালু করল ওয়ালটন

একযোগে ৭ শতাধিক প্লাজায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প

অনলাইন ডেস্ক
গ্রাহকের ফ্রি চিকিৎসাসেবায় হটলাইন চালু করল ওয়ালটন
সংগৃহীত ছবি

গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসাসেবার জন্য হটলাইন চালু করেছে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সারাদেশে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় জনসাধারণকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিন একযোগে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এসময় ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহক থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ফ্রি মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করে।

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড ওয়ালটন প্লাজায় ফিতা কেটে মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। এসময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নাম্বার (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) উদ্বোধন করেন। সদ্য চালু হওয়া এই হটলাইন নাম্বারে কল করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ।

এদিন ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় রোগিদের ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছিলো রক্তদান কর্মসূচী। ওয়ালটন প্লাজা থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্যবহার করা হবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবায়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারীগণ। এ ছাড়া অনলাইনে সারা দেশের সব ওয়ালটন প্লাজার প্রতিনিধিরা যুক্ত হন।