• ই-পেপার

হাওর সমস্যার টেকসই সমাধানে বাপার ১৬ দফা সুপারিশ

রাজধানীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মহরম গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মহরম গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী মো. মহরমকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-২। রবিবার (৫ জুলাই) রাতে র‌্যাব-২ এর উপ-পরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম মুবীন রহমান তাপস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মুবীন রহমান তাপস জানান, শনিবার গোপান সংবাদের ভিত্তিতে কারওয়ান বাজার থেকে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী মহরমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন।

তিনি আরো জানান, মহরমের বিরুদ্ধে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও চোরাইমাল গ্রহণ এবং মাদক সংক্রান্ত ৬টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও হাতিরঝিল থানায় একটি মাদক মামলা ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি ওয়ারেন্ট ইস্যু রয়েছে।

লালবাগে ভবন থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
লালবাগে ভবন থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর এলাকার একটি সাততলা ভবন থেকে পড়ে রাজ্জাক হোসেন (৬০) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের  পরিবারের দাবি, ব্যবসায়িক মন্দাভাবের কারণে ভবনের সাততলা থেকে লাফিয়ে পড়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। 

নিহত রাজ্জাকের বাড়ি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত ফকির চান। তিনি একটি বেসরকারি কম্পানির সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত্ম ব্যবসা করতেন বলে জানান স্বজনরা। এক ছেলে এক মেয়ের জনক ছিলেন তিনি। 

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সিফাত জানান, মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে আমার বড় ভাইয়ের শ্বশুর। তিনি একটি বেসরকারি ডেভলপার কম্পানির সঙ্গে ব্যবসা করতেন। ব্যবসা মন্দা হওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি মানসিকভাবে চিন্তিত ছিলেন। সকালে আজিমপুরে মেয়রে বাড়তে বেড়াতে যান তিনি।

এসময় কাউকে কিছু না বলে ওই ভবনের সাততলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়েন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে মিলল বৃদ্ধের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে মিলল বৃদ্ধের লাশ
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অজ্ঞাতপরিচয়ের এক বৃদ্ধার (৬৫) মরদেহ পাওয়া গেছে। রবিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিলে দায়ত্বিরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আইয়ুব আলী বলেন, ‘খবর পেয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করি। পরে দ্রুত তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়ত্বিরত চিকিৎসক জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।’

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ‘আমরা এখনো ওই বৃদ্ধার নাম-পরিচয় জানতে পারিনি। সিআইডি বিষয়টি দেখছে। প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।’

রাজধানীতে মাদরাসায় শিশু শিক্ষার্থীর লাশ, হত্যা সন্দেহে চলছে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে মাদরাসায় শিশু শিক্ষার্থীর লাশ, হত্যা সন্দেহে চলছে তদন্ত
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর হাতিঝিল থানার মহানগর প্রজেক্ট এলাকায় এক শিশু মাদরাসা শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। তাকে হত্যা করা হয় না অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তার তদন্ত করছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম, তাহমিদুল ইসলাম (১০)। গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই শিক্ষার্থী আল-ফুরকান মসজিদ মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। সে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাজীপুর গ্রামের মো. শাহিন রেজার ছেলে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া বলেন, রামপুরা ডিআইটি রোডের বেটার লাইফ হসপিটালের জরুরি বিভাগ থেকে গত শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

তার আগে মাদরাসার ভেতরে জানালার গ্রিলের সঙ্গে গামছা দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করে সহপাঠীরাসহ অন্যান্যরা রামপুরা ডিআইটি রোডের বেটার লাইফ হসপিটালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির লাশ রবিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়। 

নিহত শিশুর বাবা শাহিন রেজা পুলিশকে জানিয়েছেন, হাতিরঝিল থানাধীন মহানগর প্রজেক্ট আল ফুরকান মসজিদ মাদরাসায় থাকত তাহমিদুল। তার ছেলে কীভাবে মারা যায়, তাকে মাদরাসায় নির্যাতন করা হতো কিনা, তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা তার তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা চান তিনি।  

পুলিশ বলছে, শিশুটির এভাবে মৃত্যুর পেছনে নানা সন্দেহ রয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ থাকার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।