• ই-পেপার

শাহবাগ মোড় অবরোধ

সারা বছর কাজ ও পল্লী রেশনিং চালুর দাবি ক্ষেতমজুর সমিতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা বছর কাজ ও পল্লী রেশনিং চালুর দাবি ক্ষেতমজুর সমিতির

গ্রামীণ ক্ষেতমজুর ও মজুরদের সারা বছর কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি এবং পল্লী রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি। আগামী ডিসেম্বরে ক্ষেতমজুর সমিতির জাতীয় সমাবেশ সফল করতে সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর মুক্তিভবনে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির ঢাকা বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের সারা বছর কাজের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অবিলম্বে পল্লী রেশনিংব্যবস্থা চালু করে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া ষাটোর্ধ্ব মজুরদের জন্য কোনো জমা ছাড়াই মাসিক ১০ হাজার টাকা পেনশন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় বাজেটে ক্ষেতমজুর ও গ্রামীণ মজুরদের জন্য পর্যাপ্ত পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়নি। বাজেটে দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ সীমিত থাকে এবং বরাদ্দের একটি বড় অংশ দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কাঙ্খিত মানুষের কাছে পৌঁছায় না। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন রেজার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন করেন সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক কল্লোল বণিক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লোকনাথ বর্মন, শহীদুল ইসলাম, ফিরোজ আলম মামুন, অধ্যাপক নীরদ মজুমদার, সন্তোষ কুমার দাস, ফরিদ প্রধান ও মনিরুজ্জামান মিলন।

ডেমরায় শ্রমিক সমাবেশ

বকেয়া দ্রুত পরিশোধ ও বন্ধ পাটকল চালুর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বকেয়া দ্রুত পরিশোধ ও বন্ধ পাটকল চালুর দাবি

শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা দ্রুত পরিশোধ এবং ডেমরার লতিফ বাওয়ানী, করিম জুট মিলসহ দেশের সব বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুনরায় চালুর দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিক সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সরকারকে শ্রমিকবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইজারা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নিতে হবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর ডেমরার মালা মার্কেটের সামনে লতিফ বাওয়ানী ও করিম জুট মিলের প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিকের অংশগ্রহণে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

লতিফ বাওয়ানী ও করিম জুট মিলস রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, করোনাকালে এক নোটিশে দেশের ২৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হলেও এখনো শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। এতে হাজারো শ্রমিক কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

তিনি বলেন, পাটকল চালুর জন্য শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। অবিলম্বে লতিফ বাওয়ানী ও করিম জুট মিল চালু এবং শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।

সমাবেশে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের ঢাকা মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল বলেন, সব বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়ন করে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালু করতে হবে। বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া অর্থ বন্ধ শিল্প-কারখানা পুনরুজ্জীবনে ব্যয় করতে হবে। শ্রমিকদের সকল বকেয়া পাওনা অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

শ্রমিক নেতা সুলতান মাঝি বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তা বাস্তবায়ন না করে মিল ইজারার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৪
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর শেরেবাংলানগর ও মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭ জনকে শেরেবাংলানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন ১। মো. হাকিম বাবু (৩২) ২। মো. আলাউদ্দিন (৩০) ৩। মোহাম্মদ আলী (২১) ৪। আহবাব নাদিদ জেনান (১৯) ৫। মো. রায়হান (১৯) ৬। মো. জাহিদ (১৮) ও ৭। মো. মামুন (২০)।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ১। মো. মারুফ হোসেন রমজান (৩৯) ২। মোছা. পারুল বেগম (৩৫) ৩। মো. সাইফুল ইসলাম (২৫) ৪। বিষু ওরফে শাহ আলম (৪৫) ৫। মো. রফিকুল ইসলাম (২৬) ৬। রাসেল (২৩) ৭। মো. ইয়াকুব খান (২৩) ৮। রাফি (২০) ৯। সুমাইয়া আক্তার (১৯) ১০। আরিফিন ইসলাম রনি (২৩) ১১। মো. সবুজ (২৬) ১২। মো. শফি (৩৮) ১৩। নুর মোহাম্মদ (২৬) ১৪। প্রসাদ দাস (৪০) ১৫। নুরুন্নবী (২৫) ১৬। মো. হালিম (৪৫) ও ১৭। মো. হৃদয় (৪০)।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধী রয়েছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মেট্রোর স্টেশনের নিচের অবৈধ দখল উচ্ছেদ

অনলাইন ডেস্ক
মেট্রোর স্টেশনের নিচের অবৈধ দখল উচ্ছেদ

এমআরটি লাইন-৬-এর মিরপুর-১০ মেট্রো রেল স্টেশনের গ্রাউন্ড লেভেলে অবৈধ দখল উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিএমটিসিএলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাজাহান আলী, মো. জাহিদুল ইসলাম ও নজরুল ইসলামের উপস্থিতিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে ডিএমটিসিএলের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ আনসার, ডেসকো, ওয়াসা ও এমআরটি পুলিশ অংশ নেয়। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন এবং ডিএমটিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আবু হাসান সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এতে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেয়।

অভিযানের সময় স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল ও নিরাপত্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল, এমন সব অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও অপসারণ করা হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

শাহবাগ মোড় অবরোধ | কালের কণ্ঠ