• ই-পেপার

১৬ নেতার পদত্যাগের পর লক্ষ্মীপুরে যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত

ফেনী

একটি সেতুর অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

কামরুল হাসান লিটন, ফেনী
একটি সেতুর অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ
ফেনীর সোনাগাজীর চর দরবেশ ইউনিয়নের আদর্শগ্রাম এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের মাঝে খালের ওপর কাঠের সাঁকোটি বর্ষাকালে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সম্প্রতি তোলা। কালের কণ্ঠ

দুই জেলার দুই উপজেলার দুই ইউনিয়ন। দুই ইউনিয়নের মাঝে খাল। শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মস্থলে যাওয়াসহ নানা কারণে দুই পারের মানুষকে প্রতিদিনই খাল পার হতে হয়। খালের ওপর সাঁকো নির্মাণ করে এলাকাবাসী সেই প্রয়োজন মেটালেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় একটি সেতুর দাবি তাদের দীর্ঘদিনের।  

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের আদর্শগ্রাম এবং নোয়াখালী কোম্পানিগঞ্জ মুছাপুর ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের সংযোগস্থলটি দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সহজ মাধ্যম। সেতু না থাকায় বর্ষাকালে যাতায়াত একপ্রকার বন্ধ থাকে। শুকনো মৌসুমে মানুষ কোনোমতে সাঁকো বা খাল পার হয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু বর্ষাকালে সেই উপায় থাকে না। 

এ সময় কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের। একটি সেতুর অভাবে দুই ইউনিয়নের মেলবন্ধন যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি থমকে আছে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নও। 

সূত্র জানায়, খালসংলগ্ন মুছাপুর অংশে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। অপর পাশ সোনাগাজীর চর দরবেশ আদর্শগ্রামে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। অনেক অভিভাবক দুর্ঘটনার ভয়ে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বন্ধ করে দেন। সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটে পড়তে হয় মুমূর্ষু রোগী ও গর্ভবতী মায়েদের নিয়ে। 

স্থানীয় বাসিন্দা আকমল হোসেন বলেন, ‘আমাদের কষ্টের শেষ নেই। একটা ব্রিজের জন্য কত বছর ধরে আমরা অপেক্ষা করছি। কত সরকার এলোগেলো, আমাদের দুঃখের শেষ হলো না। আমরা আর কতদিন অবহেলিত জনপদের বাসিন্দা হিসেবে বেঁচে থাকব। অন্তত আমার জীবদ্দশায় এখানে যেন  একটা সেতু দেখে যেতে পারি, সরকারের কাছে এই দাবি জানাচ্ছি।’

এলাকার মাদরাসা শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, ‘জোয়ার এলে এখান দিয়ে পানি উঠে যায়। আমরা মাদরাসায় যেতে পারি না। আমাদের অনেক কষ্ট হয়। একটা সেতু হলে আমাদের অনেক উপকার হতো।’

ইকবাল হোসেন হেলাল নামের এক বাসিন্দা জানান, মুছাপুরে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এই এলাকার শিক্ষার্থীরা আমাদের এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়। এখানে সীমান্তবর্তী খালে সেতু না থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে অনেক কষ্ট হয়। তাই একটি সেতু নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাজে জোর দাবি  জানাচ্ছি।

আদর্শগ্রাম দারুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানার প্রিন্সিপ্যাল  মাওলানা আবু তৈয়ব বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার খালের ওপর সেতু নেই। এতে বর্ষাকালে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারে না। এতে দিন দিন ঝরে পড়া ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন তারা একটি সেতু নির্মাণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেন।

চর দরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ খালটি সোনাগাজী ও কোম্পানিগঞ্জ  উপজেলার সীমান্ত। একটি সেতু হলে দুই উপজেলার মধ্যে  সেতুবন্ধন তৈরি হবে। সেতু না থাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। 

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, মুছাপুর গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এ এলাকার শিক্ষার্থীরা আদর্শগ্রাম গিয়ে পড়ালেখা করছে। সেতুর অভাবে তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এদিকে, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়ার উপক্রম। তাই দুই উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তারা যেন দ্রুত সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেন।

এ ব্যাপারে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিগ্যান চাকমা কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা বিস্তারিত খোঁজখবর নেব। সরকারি বরাদ্দ পেলে ওই স্থানে দ্রুত সেতু নির্মাণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদ্মায় নৌকাডুবি, বাবা-ছেলে নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
পদ্মায় নৌকাডুবি, বাবা-ছেলে নিখোঁজ
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জন যাত্রী জীবিত তীরে পৌঁছালেও বাবা ও ছেলে নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে নগরের বড়কুঠি এলাকার মাঝ পদ্মায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজরা হলেন পবা উপজেলার শ্যামপুরের শান্তিনগর এলাকার আফছার আলী (৬০) ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৪০)।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, পদ্মা নদীতে জেগে ওঠা একটি চরে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন তারা। কাজ শেষে একটি নৌকায় করে ফিরছিলেন। নিখোঁজ জিয়ারুল ইসলামের মা জাহেরা বেগমসহ (৫৫) নৌকাটিতে মোট আটজন যাত্রী ছিলেন। মাঝ নদীতে পৌঁছালে প্রবল স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম পানিতে তলিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মুঞ্জিল হক বলেন, ‘নিখোঁজ দুই ব্যক্তিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন। তবে নদীর তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।’

দেশে একটা দায়িত্বশীল গণমাধ্যম থাকা দরকার : তথ্যমন্ত্রী

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
দেশে একটা দায়িত্বশীল গণমাধ্যম থাকা দরকার : তথ্যমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাংবাদিকতার নামের এক দল ব্ল্যাকমেইলার তৈরি হচ্ছে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ‘দেশে একটা দায়িত্বশীল গণমাধ্যম থাকা দরকার। প্রকৃত সাংবাদিকরা আমাদের বন্ধু।’ 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সামনে স্থানীয় নির্বাচন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়। ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যাতে কেউ দুর্নীতি করতে না পারে। সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

এ সময় আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিকদার হাফিজুর রহমান, সদস্যসচিব বশির আহম্মেদ পান্না, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ বক্তিয়ার, খন্দকার মোহাম্মদ আলী, সরোয়ার হোসেন মিয়াসহ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন দুপুরে আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলাসভায় অংশগ্রহণ করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি সরকারি কার্যক্রম তথ্য-উপাত্ত ও নথিভিত্তিক (ডেটাভিত্তিক) হতে হবে। প্রতিটি কাজের প্রয়োজনীয় রেকর্ড ও প্রমাণ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সেবার মান বজায় থাকে এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।’

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে হবে। কোনো সাধারণ মানুষ যেন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ আহম্মেদ, আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ খান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনীতি সাহা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মানিক মল্লিক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : মির্জা ফখরুল
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘তাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী) জমি দখল, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বৈষম্য দূর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। তাদের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল, শিক্ষাবৃত্তির চেক ও ঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের কষ্ট আমাদের কষ্ট। বিভিন্ন সময়ে সুবিধাবাদী লোকজন তাদের জমি দখল করেছে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও তারা পিছিয়ে রয়েছে। এই বৈষম্য দূর করাই আমাদের লক্ষ্য।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমবারের মতো একটি রাজনৈতিক দল সংরক্ষিত মহিলা আসনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধিকে মনোনয়ন দিয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই একটি বড় সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রীকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে।’

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ধর্মযাজক ও সাবেক খেলোয়াড়দের ভাতা প্রদানসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জন্য ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা সহায়তা পাবেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নিজেদের অধিকার আদায়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষকে আরো সোচ্চার হতে হবে। তাদের কোনো জমি যেন জোরপূর্বক দখল করা না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মেয়ে বর্তমানে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ক্রীড়া দলে খেলছে, যা জেলার জন্য গর্বের বিষয়।’

বক্তব্যের শেষে বিগত নির্বাচনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আপনাদের সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই। আসুন, সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

এ সময় জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।