• ই-পেপার

এনসিপির সমাবেশস্থলের কাছ থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার

বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে বাধা নেই : আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে বাধা নেই : আইনজীবী
সংগৃহীত ছবি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের মামলায় এক লাখ টাকা মুচলেকায় পাসপোর্ট জমার সত্ত্বে প্রতিষ্ঠানের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহের জামিননামা দাখিল করা হয়েছে। এতে তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেস তার আইনজীবী মহসিন রেজা।
  
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির শুনানি শেষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেন। 

এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামির হাজিরার জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগার থেকে আসামি কলিমউল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরা শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন জানান, গত ১৪ জুন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমার সাপেক্ষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেন আদালত। আমরা জামিননামা দাখিল করেছি। অন্য কোন মামলা না থাকায় তার কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

এর আগে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গত বছরের ৭ আগস্ট গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওইদিনই জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ আগস্ট তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলিমউল্লাহসহ ৫ জনকে আসামি করে গত ১৮ জুন মামলাটি দায়ের করা হয়।

গোপালগঞ্জে র‍্যাবের অভিযান, প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জে র‍্যাবের অভিযান, প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তিন হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬ ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের একটি দল। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা পৌনে ১২টায় কোটালীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের থানারপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও জব্দ করা মোবাইল ফোনসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোটালীপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে দুপুরে থানা পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের কম্পানি কমান্ডার এস এম রেজাউল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রাম থেকে মিরাজ মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গোপালগঞ্জ

পুকুরে ভাসছিল পুলিশ কর্মকর্তার নিথর দেহ, আটক ২

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
পুকুরে ভাসছিল পুলিশ কর্মকর্তার নিথর দেহ, আটক ২
ছবি: কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি গ্রামের শ্বশুরবাড়ির এলাকা থেকে বি. এম. মাহামুদুল ইসলাম (৩৮) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিজয়পাশা গ্রামের হায়দার আলী ভূঁইয়ার ছেলে। খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এপিবিএন-৬–এ এসআই (সশস্ত্র) পদে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফাতেমা কানিজ এবং শ্বশুর কবিরুল ইসলাম ওরফে ঝুনু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে সদর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহতের পরিবারের দাবি, স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করে পুকুরের পানিতে মরদেহ ফেলে রেখেছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার (২৭ জুলাই) শ্বশুরবাড়ির অদূরে একটি পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ পুকুর থেকে বি. এম. মাহামুদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ আড়াই শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বড় ভাই বি. এম. আশিকুজ্জামান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ভাইয়ের স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকতেন। তাই ভাই ছুটিতে এলে শ্বশুরবাড়িতেই উঠতেন। এবার ছুটিতে বাড়িতে আসার পর শ্যালককে বিদেশে পাঠানোর জন্য টাকা দাবি করা হয়। এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। আমার ধারণা, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দিয়েছে। আমি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনপূর্বক বিচার দাবি করছি।’

নিহতের ছোট বোন নাদিরা সুলতানা বলেন, ‘আমার ভাবি ভাইকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে দিতেন না। এর আগে ভাবি আমার ভাইকে দুইবার খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে মারতে চেয়েছিলেন। আমরা সন্দেহ করছি, আমার ভাবি ও ভাবির বাড়ির লোকজন আমার ভাইকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘শুক্রবার (২৪ জুলাই) বি. এম. মাহামুদুল ইসলাম কর্মস্থল থেকে ছুটিতে এসে পা্ইককান্দি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে উঠেন বলে জানতে পেরেছি। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পরিবারের অভিযোগ পেলে সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

অনলাইন সিস্টেমের উন্নয়নের কাজ চলমান থাকায় সাময়িকভাবে স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার সুনামগঞ্জ পিটিআই ভবনে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ববি হাজ্জাজ বলেন, অনলাইন বদলি ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনলাইন বদলি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সেটিকে আধুনিক ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে শিক্ষক বদলি করা হবে। এই প্রক্রিয়ার বদলিতে যাতে কোন অনিয়ম না হয় সেজন্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে।

হাওরের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চল ও ক্যাচমেন্ট এলাকায় শিক্ষক সংকট  বড় সমস্যা। এসব এলাকায় নিয়োগ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে অন্য এলাকা থেকে শিক্ষক দিতে হয়। তবে অনেক অঞ্চলে শিক্ষক নিয়োগ ও ধরে রাখা কঠিন হওয়ায় এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকার কাজ করছে। 

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস প্রমুখ।