• ই-পেপার

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী হতে চান কঙ্গনা?

বাড়িওয়ালারা প্লিজ একটু মানবিক হোন : মনিরা মিঠু

বিনোদন প্রতিবেদক
বাড়িওয়ালারা প্লিজ একটু মানবিক হোন : মনিরা মিঠু
সংগৃহীত ছবি

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি, অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ এবং ভাড়াটিয়াদের প্রতি বাড়িওয়ালাদের আচরণ নিয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মনিরা আক্তার মিঠু। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নগরজীবনের নানা বাস্তবতা তুলে ধরে বাড়িওয়ালাদের আরও মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে মনিরা মিঠু বলেন, ‘বছরে বছরে বাড়ি ভাড়া বাড়ছে, কিন্তু প্রতি বছর আমাদের আয় তো বাড়ছে না। বাড়ির মেইনটেন্যান্স কস্ট, সার্ভিস চার্জ কিন্তু আমাদেরকেই দিতে হয়।’

শুধু ভাড়া বৃদ্ধিই নয়, রাতের নির্দিষ্ট সময়ের পর বাড়ির গেট বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই অভিনেত্রী। তাঁর মতে, বর্তমান সময়ে এমন বিধিনিষেধ অনেক ক্ষেত্রেই অযৌক্তিক।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই ২০২৬ সালে এসেও রাত এগারোটায় গেট বন্ধ করে দেওয়া হয় ভাড়াটিয়াদের জন্য। এটা নাহয় বুঝলাম অনুমতি ছাড়া ভাড়াটিয়ারা ঢুকতে পারবে না। কিন্তু বাড়িতে চোর-ডাকাত কীভাবে ঢুকে, তখন এই নিয়মগুলো কোথায় থাকে?’

ভাড়াটিয়াদের প্রতি সহনশীল ও মানবিক আচরণের আহ্বান জানিয়ে মনিরা মিঠু বলেন, ‘আমি বাড়িওয়ালাদেরকে বলব, আপনারা প্লিজ একটু মানবিক হোন, ভাড়াটিয়াদের প্রতি সহনশীল হোন।’

অভিনেত্রীর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে নগরজীবনে ভাড়াটিয়াদের নানা ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন সংগীতশিল্পী আনুশেহ

বিনোদন প্রতিবেদক
শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন সংগীতশিল্পী আনুশেহ
সংগৃহীত ছবি

বিরল এক শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী আনুশেহ আনাদিল। ধীরে ধীরে তিনি শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নিজেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই শিল্পী।

পোস্টে আনুশেহ জানান, তিনি ‘টিনিটাস’ নামের একটি সমস্যায় আক্রান্ত। এ রোগের কারণে তাঁর কানের ভেতরে সারাক্ষণ এক ধরনের শব্দ হতে থাকে, যা সময়ের সঙ্গে তাঁর শ্রবণক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি উচ্চশব্দও এখন তাঁর জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘদিন ধরে গান থেকে দূরে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে আনুশেহ লেখেন, ‘আমি শুধু সত্যিটা বলতে চেয়েছিলাম, কেন আমি আর গান করি না। আমি ধীরে ধীরে আমার শোনার ক্ষমতা হারাচ্ছি। আমার টিনিটাস হয়েছে। আর কানের ভেতরের শব্দ এত জোরে হয় যে আমি আর উচ্চশব্দ সহ্য করতে পারি না। এটি আক্ষরিক অর্থেই আমার কানে ব্যথা তৈরি করে।’

তিনি আরো জানান, চিকিৎসকরা তাঁকে হিয়ারিং এইড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে সেটি ব্যবহারের পর তাঁর সমস্যার আরো অবনতি হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

আনুশেহ লেখেন, ‘ডাক্তাররা আমাকে হিয়ারিং এইড পরতে বলেছিলেন, কিন্তু তার ওপর নির্ভরশীলতা আমাকে আরো কম শুনতে সাহায্য করছে এবং আমার টিনিটাস আরো খারাপ করছে। তাই আমি সেটি ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছি।’

বর্তমানে শান্ত পরিবেশে জীবনযাপনই তাঁর জন্য সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক বলে জানান এই শিল্পী। এ কারণেই তিনি গ্রামে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘সরলবাড়ি’ ইকো রিসোর্টে বসবাস করছেন তিনি। রিসোর্ট হলেও এটি বাউলশিল্পীদের জন্য এক ধরনের আশ্রম হিসেবেও পরিচিত।

এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘এ কারণেই আমি গ্রামে থাকতে পছন্দ করি। সেখানে পরিবেশ শান্ত এবং আমার কানের জন্যও সেটি সহজ।’

আনুশেহ আনাদিল বাংলাদেশের লোকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। বাউল, লালন ও মরমি গানের দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর এই শারীরিক অবস্থার খবরে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে উদ্বেগের পাশাপাশি তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন অনেকে।

টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই

বিনোদন প্রতিবেদক
টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের টেলিভিশন অঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ, প্রখ্যাত নির্মাতা ও সম্প্রচার সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই। রবিবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা খ ম হারুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) স্বর্ণালী সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা ও প্রযোজক ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে বাংলা টেলিভিশনের বেশ কয়েকটি কালজয়ী নাটক। এর মধ্যে ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘এইসব দিনরাত্রি’ এবং ‘শঙ্খনীল কারাগার’ আজও দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয়। সৃজনশীল নির্মাণশৈলী, দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং নাট্যনির্মাণে নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি দেশের টেলিভিশন নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পর দেশের বেসরকারি টেলিভিশন শিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বাংলাভিশন ও গাজী টিভি (জিটিভি) প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। আধুনিক সম্প্রচারব্যবস্থার বিকাশে তাঁর দূরদর্শী চিন্তা দেশের টেলিভিশন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।

মোস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরেই গণমাধ্যমে পা রেখেছেন অসংখ্য নির্মাতা, উপস্থাপক ও গণমাধ্যমকর্মী। তিনি শুধু একজন সফল প্রশাসক বা প্রযোজকই ছিলেন না, ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক, অভিভাবক এবং নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের অনুপ্রেরণার উৎস। নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা, তাদের সুযোগ করে দেওয়া এবং পেশাগতভাবে গড়ে তুলতে তিনি সবসময় আন্তরিক ছিলেন।

ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন খালাতো ভাই

বিনোদন প্রতিবেদক
ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন খালাতো ভাই
সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল-অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন তাঁর খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান টাইগার। মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তাঁর ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান টাইগার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার জানান, বাদীর অভিযোগ শুনে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাদীর ব্যাবসায়িক সুনাম ও পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছেন ডিপজল। 

অভিযোগ অনুযায়ী, এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ডিপজলের ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড ভেঙে নিজেদের নামে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সম্পত্তিটির মালিকানা দাবি করে পরবর্তী মাস থেকে ভাড়া দাবি করা হয়। তবে ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনিই। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন।

মামলায় আরো বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টের পাশাপাশি বিষয়টি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হয়। এতে আজিজুর রহমানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি তাঁর ব্যাবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে। এর ফলে তিনি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।