• ই-পেপার

নেশার টাকা নিয়ে বিরোধ, রাঙামাটিতে মায়ের দায়ের কোপে ছেলের মৃত্যু

প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর
ছবি : কালের কণ্ঠ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশের প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা পরিষদ চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশও নিশ্চিত করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, সেটিকে বড় করে তোলার দায়িত্বও আমাদের সবার।’

এর আগে ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। পরে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন।

বগুড়া সামাজিক বন বিভাগের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করেছে। আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ মেলা। এতে বিভিন্ন নার্সারি বনজ, ফলজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রি করছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী এবং জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল বারী বলেন, ‘কালাই একটি কৃষিপ্রধান উপজেলা। কৃষি ও পরিবেশ একে অপরের পরিপূরক। পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মকে গাছ লাগানোর সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।’

জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া বলেন, ‘বৃক্ষমেলা শুধু চারা বিক্রির আয়োজন নয়, এটি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। সবাই যদি বছরে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মতলুবুর রহমান বলেন, ‘বনাঞ্চল বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মেলার মাধ্যমে মানুষকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন মণ্ডল, যুগ্ম আহ্বায়ক মওদুদ আলম সরকার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের সমশিরা গ্রামে মন্ত্রীর নানা-নানির কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

পরশুরাম সীমান্তে ৭ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

ফেনী প্রতিনিধি
পরশুরাম সীমান্তে ৭ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পিছু হটল বিএসএফ
সংগৃহীত ছবি

ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত দিয়ে সাতজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও কঠোর অবস্থানের মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)-এর অধীন শ্রীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ২১৪৫-এর নিকটবর্তী দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান।

তিনি জানান, ভারতের ৪৩ রাজনগর বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহল দল ছয়জন নারী ও এক ছেলেশিশুসহ সাতজনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যদের নজরে এলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেন।

বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে বিএসএফ সদস্যরা ওই সাতজনকে নিয়ে পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

বিজিবি জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই সাতজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই ভারতীয় নাগরিক। এ ঘটনায় কাউকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তা প্রতিহত করেন।’

তিনি আরো বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে পুশ ইনের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এ প্রেক্ষাপটে বিজিবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন ও বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তারা সীমান্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

১০ মাসের প্রকল্প শেষ হয়নি ১৮ মাসেও, তুলে নেওয়া হলো পুরো বিল

মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কমলগঞ্জ
১০ মাসের প্রকল্প শেষ হয়নি ১৮ মাসেও, তুলে নেওয়া হলো পুরো বিল
ফুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক নির্মাণের বর্তমান পরিস্থিতি। ছবি : কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন পিইডিপি-৪ (PEDP-4) প্রকল্পের সাতটি ওয়াশব্লক নির্মাণে চরম ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চুক্তি অনুযায়ী ১০ মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও নির্মাণকাজ শেষ হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে অন্য একজনকে দিয়ে কাজ করানো হয়েছে এবং কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই পুরো বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এতে সাতটি বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, কমলগঞ্জ উপজেলার দরগাপুর, রসুলপুর, তিলকপুর, জামিরকোনা, ড. চেরাগ উদ্দিন, ফুলবাড়ী ও কোনাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একতলা আইসোলেটেড আরসিসি (RCC) ওয়াশব্লক নির্মাণের জন্য ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর কুড়িগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নুর ট্রেডার্স-কে ১ কোটি ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৯ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

চুক্তি অনুযায়ী ১০ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মাত্র দুই-তিনটি বিদ্যালয়ে নামমাত্র কাজ শুরু করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২০২৬ সালের জুনে বরাদ্দ ফেরত যাওয়ার আশঙ্কায় কুলাউড়ার সিরাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, ফুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশব্লকের প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ এখনো অসম্পূর্ণ। প্লাস্টার, পানির সংযোগ, বেসিন, নিচতলার টাইলস ও সিঁড়ির কাজ শেষ হয়নি।

তিলকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২০ শতাংশ কাজ বাকি। পুরোনো টয়লেট ভেঙে ফেলা হলেও নতুন ওয়াশব্লক চালু না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশেষ করে নারী শিক্ষক ও ছাত্রীদের আশপাশের বাড়িতে গিয়ে শৌচাগার ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এ ছাড়া দরগাপুর, রসুলপুর, ড. চেরাগ উদ্দিন, জামিরকোনা ও কোনাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকগুলোরও ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাজ অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর)-২০০৮ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় চুক্তি বাতিল বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। বরং নিম্নমানের ইট, খোয়া, টাইলস ও ফিটিংস ব্যবহার করে কাজ সম্পূর্ণ না করেই জুন মাসে পুরো বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কার্যাদেশপ্রাপ্ত নুর ট্রেডার্সের কোনো প্রতিনিধিকে কখনও অফিসে দেখা যায়নি। কুলাউড়ার সিরাজুল ইসলাম নামের একজন ব্যক্তি পুরো কাজ পরিচালনা করছেন।

একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, নির্মাণকাজে কার্যকর তদারকির অভাব রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক স্থানে টাইলস ও ফিটিংস খুলে পড়তে শুরু করেছে।

তিলকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বলেন, ‘আমাদের সমস্যার কথা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি।’

ফুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দিন, রসুলপুরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফাহিমা বেগম এবং জামিরকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা জোন্স দ্রুত ওয়াশব্লকগুলোর কাজ শেষ করে চালুর দাবি জানান।

কাজের দায়িত্বে থাকা কুলাউড়ার সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি অফিসের মাধ্যমে কাজ করছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক সম্পর্কে বিস্তারিত জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী সুজন স্যার জানেন।’

কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবর বলেন, ‘কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের। আমরা শুধু চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের নাম পাঠিয়ে থাকি।’

অভিযোগের বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুজন আহমেদ বলেন, ‘কাজটি নুর ট্রেডার্সই পেয়েছে। অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করানোর সুযোগ নেই। কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি এবং মানসম্মত টাইলস ব্যবহার করা হয়েছে।’

গফরগাঁওয়ে বিলের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
গফরগাঁওয়ে বিলের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে খেলার সময় বিলের পানিতে পড়ে আরিয়ান নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পাগলা থানার কুরচাই গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আরিয়ান ওই গ্রামের আল আমিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর একটার দিকে আরিয়ান অন্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে বিলের পাড়ে বল খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে বলটি বিলের পানিতে পড়ে যায়। পানির ভেসে থাকা বলটি তুলতে গিয়ে আরিয়ান বিলে পড়ে তলিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে পানি থেকে তাকে উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।