• ই-পেপার

ফিরে দেখা : পানি লাগবে পানি...

মুগ্ধ’র বুকে গুলি, মোড় ঘুরে যায় আন্দোলনের

টঙ্গীতে শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
টঙ্গীতে শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার
কারিমা বেগম

টঙ্গীর কুখ্যাত মাদক পল্লী কেরানীরটেক বস্তির মাদকের ডিলার ও শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা বেগমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কারিমা টঙ্গীর ডজনখানেক শীর্ষ মাদক কারবারির একজন। 

গতকাল শুক্রবার টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ আসামিকে আদালতে পাঠায়। 

পুলিশ জানায়, কেরানীরটেক মাদক বস্তি থেকে কারিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে আধা কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। টঙ্গীর শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা করে আসছেন। মাদকের ব্যবসা করে একাধিক বহুতল ভবনসহ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন তিনি। সম্প্রতি পুলিশের ওপর কারিমার নেতৃত্বে হামলা হলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

কসবায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
কসবায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। ধর্ষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 

গ্রেপ্তার হওয়া কিশোর হলো- ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাটুলিপাড়া এলাকার মো. মজনু মিয়ার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন তুষার (১৪)। সে কসবা পৌরসভার কল্যাণ সাগরের পূর্বপাড় এলাকায় বসবাস করতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে বৃষ্টি পড়ার সময় ওই শিশু দোকান থেকে কিছু একটা কিনতে বের হয়। এসময় অভিযুক্ত তুষার শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে কল্যাণ সাগর দিঘীর এক পাড়ে গাছতলায় নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের শিকার হয়ে শিশুটি কান্না করতে থাকে। এরই মধ্যে শিশুটির মা তাকে রক্তাক্ত ও কান্নারত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিস্তারিত জানে। বিষয়টি জানাজানির পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তুষারকে আটক করে গণপিটুন দেয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’ দিয়ে জানানো হলে কসবা থানা পুলিশ ছুটে আসে।

কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, ৯৯৯ নম্বর থেকে তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝগড়া করে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যাওয়ায় নিজেকে শেষ করলেন স্বামী

সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ঝগড়া করে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যাওয়ায় নিজেকে শেষ করলেন স্বামী
প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মো. ফারুক মাতুব্বর (৩০) নামে এক গাছ কাটা শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার গোয়ালপুতা গ্রামে নিজ ঘরের আড়া থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফারুক মাতুব্বর গোয়ালপুতা গ্রামের মো. মজনু মাতুব্বরের ছেলে। তিনি বিবাহিত ছিলেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ফারুক মাতুব্বর পেশায় গাছ কাটার শ্রমিক ছিলেন।

নিহতের পরিবার জানান, শুক্রবার সকালে ফারুক একা নিজ ঘরে ছিলেন। দুপুর পর্যন্ত তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতর গিয়ে ফারুককে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

নিহতের ভাবি রুমা আক্তার জানান, নিহতের স্ত্রী সুমি আক্তার (২৫) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবা মোতালেব সরদার। প্রায় দুই মাস আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে সুমি তাদের ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকেই ফারুক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঝগড়া করে ছেলে-মেয়ে নিয়ে স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ায় তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সানদানী আজাদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফাঁকা বাসায় মিলল নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ, তিন ফ্ল্যাটে লুটপাট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ফাঁকা বাসায় মিলল নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ, তিন ফ্ল্যাটে লুটপাট
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঝালকাঠিতে একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে শহরের টিএনটি সড়কের একটি ভবনের নিচ তলার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দুর্বৃত্তরা বাড়ির বিভিন্ন ফ্ল্যাটের মালামাল নিয়ে গেছে বলেও জানায় পুলিশ। শুক্রবার দুপুর থেকে রাতের যেকোনো সময় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম মলিনা রায় (৪৫)। তিনি ওই বাসার নিচতলার ফ্ল্যাটে মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, শহরের টিএনটি সড়কের একটি তিন তলা বাড়ির তিনটি ফ্ল্যাটের লোকজন রথযাত্রা উপলক্ষে সকালে গ্রামের বাড়িতে যায়। কেবল নিচতলায় মলিনা রায় বাসায় ছিলেন। সন্ধ্যায় মেয়ে পুজা রায় বাড়িতে ফিরলে তার মা মলিনা রায়কে ঘরের মেঝেতে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা প্যাঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এসময় তিন ফ্ল্যাটের সবগুলোতেই দরজা-জানালা ও তালা ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। ঘরের মালামাল তছনছ অবস্থায় পাওয়ায় যায়। তিন ফ্ল্যাট থেকেই স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাও নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ হাসান।