• ই-পেপার

সুনামগঞ্জ

সুরমা-কুশিয়ারায় পানি বিপৎসীমার ওপরে

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই
সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ সরকারের সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে কাঞ্চনাবাদে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

নজরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

পটিয়া পৌর এলাকা

বৃষ্টি কমলেও নামছে না পানি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বৃষ্টি কমলেও নামছে না পানি
ছবি: সংগৃহীত

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকা এখন পানির নিচে। এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। 

এদিকে, বৃষ্টি কমে এলেও আক্রান্ত এলাকার পানি নামছে না। এ জন্য পর্যাপ্ত ও কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শেয়ানপাড়া, গাজীর বাড়ি, মাঝের ঘাটা, চৌধুরী বাড়ি, ছমদ হাজীর বাড়ি, সোনা মিয়া সওদাগরের বাড়ি, সিদ্দিকীয়া আবাসিক এলাকা, বাহুলী, উত্তর গোবিন্দারখীল, গুয়াদণ্ডী ও দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার বাসিন্দারা। 

এসব এলাকায় কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। এতে বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবন্দি। এসব পরিবারের  শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ; কর্মজীবীরা কাজে যেতে পারছেন না। পানিবন্দি মানুষ বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যাও ভুগছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বৃষ্টি হলেও উল্লেখিত এলাকার জলাবদ্ধতা কোনো নতুন সমস্যা নয়। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই অবস্থা সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন এবং পানি প্রবাহের পথ সচল রাখার দাবি জানানো হলেও বাস্তবে কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ড্রেন-খাল দখল এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

গাজী বাড়ির বাসিন্দা গাজী আমির হোসেন বলেন, বৃষ্টি শুরু হলেই আমাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়। ঘরে পানি উঠে যায়, আসবাবপত্র নষ্ট হয়। শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে চরম কষ্টে থাকতে হয়। প্রতিবছর একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।

পৌর বাসিন্দা আবদুস সবুর বলেন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। কিন্তু স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক ড্রেন ও খাল ভরাট, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। 

এ ব্যাপারে পটিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অল্প সময়ে অতিরিক্ত পানি নেমে এসেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে পানি নিষ্কাশনে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া  হচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ রয়েছে।

ফটিকছড়িতে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল দিনমজুরের

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
ফটিকছড়িতে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল দিনমজুরের
মো. জামাল। সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. জামাল (২৬) নামের এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রোসাংগিরি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জামাল উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আছিয়ার চা বাগান (৩ নম্বর লাইন) এলাকার মনু মিয়ার ছেলে। তিনি দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে গাছ কাটার কাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে জামাল গাছ কাটার কাজ করতে রোসাংগিরি এলাকায় যান। একপর্যায়ে গাছ কাটার সময় অসাবধানতাবশত সেটি পাশ দিয়ে যাওয়া পিডিবির ১১ হাজার ভোল্ট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে আসে। এতে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের সুফল, নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের সুফল, নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার এক সরকারি আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

জানা গেছে, মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির পাঠানো পত্রের (ডিও লেটার) প্রেক্ষিতে এই অনুমোদন দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। প্রতিমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী এলাকা নান্দাইল (ময়মনসিংহ-৯) আসনের সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ডিও লেটার প্রদান করেছিলেন। নান্দাইল একটি অবহেলিত উপজেলা হওয়ায় এতদিন জটিল চিকিৎসার জন্য রোগীদের ময়মনসিংহ বা ঢাকায় যেতে হতো। এতে গরিব ও অসহায় মানুষদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এই শয্যা বৃদ্ধির ফলে স্থানীয় জনগণের চিকিৎসার জন্য অর্থনৈতিক সাশ্রয় হবে এবং এলাকার মানুষ বাড়ির কাছেই উন্নত সুচিকিৎসা পাবেন।

এ বিষয়ে নান্দাইলের মানবাধিকার কর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিক প্রেস ক্লাব সভাপতি এনামুল হক বাবুল বলেন, ‘এই দাবি ছিল দীর্ঘ দিনের। অবশেষে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তা ত্বরিতগতিতে হয়েছে। এ জন্য নান্দাইলের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে নান্দাইলবাসী। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির এই অনুমোদনে পুরো উপজেলা জুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।