চট্টগ্রামে অতি বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং সমুদ্রের অস্বাভাবিক জোয়ারের প্রভাবে নগরে জলাবদ্ধতা পর এবার উপজেলাগুলোতেও বন্যায় জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। চরম দুর্ভোগের মুখে পড়া চট্টগ্রামবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী।
চট্টগ্রামের সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা করতে গত শুক্রবার থেকে চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একই দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যা মোকাবেলায় ১০টি বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বাঁশখালী, সাতকানিয়ার বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর সরকারি সংস্থাগুলো তাকের কার্যক্রম জোরদার করেছে।
চট্টগ্রাম সেনানিবাস সূত্রে জানা গেছে, উত্তর চট্টগ্রামে বোয়ালখালী, হাটহাজারী এবং ফটিকছড়ির দুর্গম এলাকার বন্যা দুর্গত মানুষদের জন্য জরুরি ত্রাণ এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ এলাকায়ও সেনাবাহিনী ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। এছাড়া হাজারের অধিক মানুষকে জরুরি চিকিৎসা সেবার আওতায় এনেছে সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল টিম।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন বিজয় নগর, আকমল আলী রোড, নিউ মুরিং মাদরাসা, নারিকেল তলা ও নেভি হাসপাতাল গেইট এলাকায় পানিবন্দি পরিবারগুলোর মাঝে নৌবাহিনীর সদস্যরা ২ হাজার প্যাকেট রান্না করা খাবার পৌঁছে দিয়েছে। মানবিক দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে না আসা পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে।




