• ই-পেপার

কু‌ড়িগ্রা‌মে বিদ্যুৎস্পর্শে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

নরসিংদীতে ভারী বর্ষণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
নরসিংদীতে ভারী বর্ষণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
বাবা আপেল মিয়ার কোলে নিহত শিশু তানঝুমা। ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদীর রায়পুরায় টানা ভারী বর্ষণের কারণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে তানঝুমা (৮) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই এলাকার আপেল মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় মাইজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরে তানঝুমা। এসময় বাড়ির পাশে থাকা একটি পরিত্যক্ত মাটির ঘরের দেয়াল টানা ভারী বর্ষণের কারণে হঠাৎ ধসে তার ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মরজাল ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য আছমা বেগম জানান, মাটির ঘরের দেয়াল ধসে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শিশুর বাবা বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। তিনি বাড়িতে ফিরলে তানঝুমার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

দীঘিনালায় মাদক সেবনের সময় আটক, যুবককে ৩ মাসের কারাদণ্ড

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি
দীঘিনালায় মাদক সেবনের সময় আটক, যুবককে ৩ মাসের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে আটকের পর এক যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আটকের পর বুধবার (৮ জুলাই) তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. রিপন (২৫) উপজেলার বোয়ালখালি পুরাতন বাজারের মৃত ফয়েজ আহাম্মদের ছেলে।

দীঘিনালা থানার ওসি মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার রাতে বোয়ালখালি পুরাতন বাজারের সড়কের ওপর ইয়াবা সেবন করা অবস্থায় পুলিশের সহায়তায় রিপনকে আটক করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

তিনি আরো জানান, বুধবার (৮ জুলাই) আসামিকে বিধি মোতাবেক জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বগুড়ায় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ায় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার শিবগঞ্জে ১১ পদাতিক ডিভিশনের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টায় উপজেলার ফায়ার সার্ভিস হেলিপ্যাডে আসেন তিনি। 

হেলিপ্যাডে অবতরণের পর দুপুর দেড়টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সেনাপ্রধান শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী রথবাড়ি এলাকায় ১১ পদাতিক ডিভিশনের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করেন। সেনাপ্রধান প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন শেষে দুপুর আড়াইটায় শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি নেন এবং সেখানে জোহরের নামাজ আদায় করেন। এরপর বিকেল ৩টার পর হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে শিবগঞ্জ ত্যাগ করেন তিনি।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান বলেন, বুধবার দুপুরে সেনাপ্রধান এসেছিলেন। তাদের কার্যক্রম পরিদর্শন করে দুপুরের খাবার শেষে দুপুর ৩টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসা চাপা পড়ে ৭ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। এতে বহুসংখ্যক রোহিঙ্গা শিশু আটকা পড়েছে। উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট ও স্থানীয়রা। তবে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাৎক্ষণিক দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-০৩ (ব্লক অ-০৩) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ক্যাম্পের বাসিন্দা স্বেচ্ছাসেবক রফিক ৭ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের কথা কালের কণ্ঠকে জানান। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৭ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বহু শিক্ষার্থী মাটির নিচে চাপা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন।’

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্যাম্প সূত্রে জানায়, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের মাদরাসার ওপর পড়ে। সে সময় মাদরাসায় বহু শিক্ষার্থী পাঠ গ্রহণ করছিল। আকস্মিক পাহাড়ধসে ভবনটি মাটিচাপা পড়ে গেলে ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। এ পর্যন্ত দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল উদ্ধার কাজ করছে। ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।’ তবে ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক রফিক কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ৭ জন শিশুর মরদেহ উদ্ধারের কথা।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো বহু শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।