ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় ২১২টি পুকুর ছিল দাবি করে সেগুলো সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে নদী ও জলাশয় সুরক্ষা আন্দোলন করা সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’। রবিবার (৫ জুলাই) সকালে শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যবস্থাসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর উৎপত্তিস্থল ভাদুঘর থেকে মেড্ডা শ্মশান ঘাট পর্যন্ত ২৬টি খাল (টাউন খালসহ) পুনরুদ্ধার; টাউন খালের উভয় পাশের সীমানা নির্ধারণ, দখলমুক্ত, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নৌচলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পৌরসভার নিজস্ব ১০টি পুকুরসহ শহরের ২১২টি পুকুর সংরক্ষণ ও সরকারি গেজেটভুক্ত করা।
এ ছাড়া শহরের কাউতলী মোড় থেকে মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড হয়ে ঘাটুরা মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ প্রশস্ত করা; জেলা পরিষদের খালের ওপর নির্মিত সব মার্কেট উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনা; শিশুবান্ধব শহর গড়ার লক্ষ্যে পরিত্যক্ত পুরনো জেলখানার স্থানে আধুনিক শিশু বিনোদন পার্ক নির্মাণ; পৌর এলাকার যানজট ও শব্দ দূষণ দূর করতে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং সব অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
ঢেউ-এর আহ্বায়ক সোহেল আহাদের সভাপতিত্বে ও আলী আকরাম খন্দকার স্বপনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া চাই নামের সংগঠনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান পুষ্প, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হাছান তপু, রাজনীতিক নজরুল ইসলাম, শিশু সংগঠক নীহার রঞ্জন সরকার, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চৌধুরী রিপন, ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজি, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফ নূরুল আমিন, রোটারিয়ান আশিকুল আলম প্রমুখ।
সাত দফা দাবি তুলে ধরেন ঢেউ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম আহাদ।
পরে জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।




