• ই-পেপার

২০২২ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান : পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান : পুলিশ
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধান। সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার ২৩ ঘণ্টা পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধানকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে নিখোঁজ নয়, জিসান আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ নিয়ে শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৮টা ২৯ মিনিটে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধান দাউদকান্দি হতে নিখোঁজ হিসেবে শুক্রবার দাউদকান্দি থানায় এসে তার পক্ষে মো. রাসেল আহম্মেদ জিডি করেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় দাউদকান্দি বাজার এলাকা হতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়। জিডির প্রেক্ষিতে উদ্ধারের জন্য জেলা পুলিশের একাধিক টিম উদ্ধার কাজে তৎপর হয়। অনুসন্ধানকালীন প্রথমত নিখোঁজ জিসানের চাচাতো ভাই সজীবের মাধ্যমে জানা যায়, গত ৫/৬ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথাবার্তা শুরু হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

অনুসন্ধান আরো জানা যায়, গত ২০ মে দাউদকান্দি থানাধীন জিসানের ভাড়া বাসায় ওই নারীকে জিসান ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে জিসান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে জিসান ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে বাচ্চা নষ্ট না করলে ভুক্তভোগীকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন জিসান। পরে ওই নারী প্রাণের ভয়ে বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি হন। এসময় জিসান তার বন্ধু সেকান্দার আলীর ওষুধের দোকান থেকে বাচ্চা নষ্ট করার ট্যাবলেট কিনে ভুক্তভোগীকে খাওয়ালে ভ্রূণ নষ্ট হয়। এসময় ওই নারীর সুস্থতার জন্য জিসান তার চাচাতো ভাই সজীবের মাধ্যমে পুনরায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে ভুক্তভোগীর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

পরে ভুক্তভোগী নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে জিসান ১২ জুন বিয়ে করতে রাজি হন। এর আগে ১১ জুন রাত ৮টার পর পর বিয়ে না করার টালবাহানায় জিসান নিজেই আত্মগোপন করে তার চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদের মাধ্যমে দাউদকান্দি থানায় উল্লিখিত জিডি করান। পরবর্তীতে নিখোঁজ জিডির অনুসন্ধানকালীন সময়ে কুমিল্লার লাকসাম থানা এলাকা স্থানীয় লোকজন ও লাকসাম থানা পুলিশের মাধ্যমে আত্মগোপন থাকা জিসান মিয়া প্রধানকে উদ্ধার করা হয়।

পরে ভুক্তভোগী নারী থানায় হাজির হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দাউদকান্দি থানার মামলা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মুজিবুর রহমান (৩০) নামের এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

নিহত মুজিবুর রহমান দত্তগ্রাম এলাকার মৃত অজিবুর রহমানের ছেলে। খবর পেয়ে স্থানীয় দত্তগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা এবং পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।

এদিকে ভারতের এক গণমাধ্যমকর্মী গত রাতে এ প্রতিবেদককে জানান, নিহত মুজিবুর রহমানের মরদেহ ভারতের উনকোটি জেলা হাসপাতালে রয়েছে। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন ৪৬ বিজিবির আওতাভুক্ত। গতকাল সন্ধ্যায় মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় ৬-৭ জন যুবক দত্তগ্রাম সীমান্তের লখাইরচর এলাকায় যান। এ সময় ভারতের লাটিয়াপুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এতে মুজিবুর রহমান নিহত হন। তবে তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে ফিরে আসতে সক্ষম হন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য জয়নুল ইসলাম বলেন, নিহত মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি বিষয়টি জেনেছেন। তাঁর ভাষ্য, চোরাই মালামাল আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে মুজিবুর রহমান নিহত হয়ে থাকতে পারেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে বিজিবির সঙ্গে নিহতের ভাই আজিজুর রহমান রয়েছেন। তিনি ফোনে জানিয়েছেন, তাঁর ভাইয়ের মরদেহ বিএসএফ ভারতের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেছে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে মুজিবুর রহমান মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল গেছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কুলাউড়ার দত্তগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আমজাদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

এ বিষয়ে জানতে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক

ফেনী প্রতিনিধি
দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক
মোহাম্মদ সুলতান

ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মাসের এক শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত বাবা মোহাম্মদ সুলতানের বিরুদ্ধে। পরে অভিযুক্ত বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার ফুলগাজী বাজারসংলগ্ন মেম্বার কলোনির একটি ভাড়া বাসায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মোহাম্মদ জুনায়েদ।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ সুলতান (৩০) নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কিতাব আলীর ছেলে। কাজের সুবাদে তিনি স্ত্রী রুনা আক্তারকে নিয়ে ফুলগাজীতে বসবাস করে আসছেন।

মা রুনা আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী মোহাম্মদ সুলতান শিশুটিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছেন। তবে সুলতানের দাবি, কোলে নিয়ে খেলার সময় শিশুটি তার হাত থেকে পড়ে যায়।

রুনা আক্তার জানান, সুলতান দিনমজুরের কাজ করেন। তাদের সংসারে একমাত্র সন্তান জুনায়েদের জন্ম হয় দুই মাস আগে। তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার কারণে সংসারের খরচ বহন করতেন না। প্রায়ই তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। বৃহস্পতিবার রাতেও কাজ শেষে বাসায় ফিরে সুলতান তাকে একটি পানীয় কিনে আনার জন্য দোকানে পাঠান। তিনি দোকান থেকে ফিরে এসে ছেলেকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

মা রুনা আক্তার বলেন, ঘরে ফিরে দেখি আমার ছেলে কোনো সাড়া দিচ্ছে না। আমি তাকে হাসপাতালে নিতে চাইলে সুলতান বাধা দেন। পরে অনেক চেষ্টার পর রাতের দিকে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছে। এর আগেও কান্না করলে শিশুটির ওপর সুলতান ক্ষুব্ধ হতেন।

ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানভীর মাহমুদ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মাথায় গুরুতর আঘাত দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। শিশুটির বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

সিংগাইরে ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জিতল আর্জেন্টিনা

সিংগাইর, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিংগাইরে ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জিতল আর্জেন্টিনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশ্বজুড়েই চলছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সারা দেশের ন্যায় ফুটবল উন্মাদনায় মেতেছে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ক্রীড়ামোদীরাও। বিশ্বকাপের এই উন্মাদনা গ্রামগঞ্জের ফুটবলপ্রেমী আবালবৃদ্ধবনিতার মাঝে আরো ছড়িয়ে দিতে উপজেলার খান বানিয়ারায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।

হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের উপস্থিতিতে শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই ব্যতিক্রমী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৩-১ গোলে বিজয়ী হন আর্জেন্টিনা।

এদিন খেলা শুরু হওয়ার আগেই খান বানিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় দর্শকদের আনাগোনা। দর্শকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় ভরে যায় খেলার মাঠ। বিকেল ৫টায় খেলা শুরু হয়। খেলা উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলসহ অন্যান্য দলের ফুটবলপ্রেমী জনতা। জার্সি গায়ে ও পতাকা হাতে নিয়ে হর্সধ্বনি ও করতালি দিয়ে খেলোয়াড়দের উৎসাহ-উদ্দীপনা দেন উভয় দলের ফুটবল ভক্তরা।

খেলা শুরুর বাঁশি বাজতেই দুদলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উভয় দলের খেলোয়াড়রা দারুণ নৈপুণ্য, শৃঙ্খলা ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের পরিচয় দেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলার মাঝেও ম্যাচটি হয়ে ওঠে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

খেলার ধারাভাষ্য প্রদান করেন এইচ আর হানিফ। খেলার উত্তেজনা ও রোমাঞ্চকর মুহূর্তে তার কাব্যিক শব্দচয়ন ও চমৎকার প্রাণবন্ত ধারাভাষ্যে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে এক দারুণ উন্মাদনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

খেলার প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় তাহসিন ও ফাহিমের পায়ে দুটি গোল পেয়ে এগিয়ে যায় দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল দলের খেলোয়াড় রনি একটি গোল করে ব্যবধান কমিয়ে আনেন। শেষ মুহূর্তে ফাহিমের পায়ে আরো একটি পেয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন আর্জেন্টিনা। খেলার নির্ধারিত সময়ে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনা। খেলা শেষে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে প্রীতির বার্তা দেন।

খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়। বিজয়ী দল আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে একটি সাদা খাসি (ছাগল) রানার্সআপ দল ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের হাতে একটি কালো খাসি পুরস্কার হিসেবে তুলেদেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। এবং উভয় দলকে স্মারক ট্রফি প্রদান করা হয়। এ ছাড়া সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন দুই দলের গোলরক্ষক। তাঁদের উভয়কেই পুরস্কার হিসেবে একটি করে লাল মোরগ দেওয়া হয়।

খেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক জামান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রীড়ামোদী নূর এ জামান পিয়াস বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় সারা বিশ্বে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এই উৎসাহ উদ্দীপনা গ্রামগঞ্জের তরুণ, যুবক ও  আবালবৃদ্ধবনিতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের এই আয়োজন। ফুটবল খেলার প্রতি দেশের লক্ষকোটি মানুষের ভালবাসাই বলে দেয় বাংলাদেশও একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে নাম লেখাবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে জানান তিনি।

খেলার অন্যতম উদ্যোক্তা নারী সমাজ হিতৈষী নাফিসা আনজুম খান বলেন, পুরো বিশ্ব এখন বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে ভোগছে। বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আনন্দ গ্রামীণ জনপদের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে জনপ্রিয় দুটি দলের সমর্থকদের মধ্য প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবল সরাসরি না দেখতে পারলেও দেশের মাটিতে নিজ এলাকায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপের আনন্দ উপভোগ করেছি। পাশাপাশি এই খেলা দেখে মুগ্ধ হন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রীড়ামোদী মানুষ।

এসময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান খান মোহাম্মদ আলী, জয়মন্টপ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বাচ্চু, সমাজ হিতৈষী মোশাররফ হোসেন খান আরজু, মনিরুজ্জামান খান (মনু), আজমীর খান লিপু, আর্জেন্টিনা দলের টিম ম্যানেজার প্রবাসী মোসলেহ উদ্দিন খান সেলিম ও ব্রাজিল দলের টিম ম্যানেজার শফিকুল আলম খান চন্দনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।