• ই-পেপার

শূন্যরেখায় ২৪ ঘণ্টা, অবশেষে পরিবারে ফিরলেন সেই বৃদ্ধ

রায়পুরে মন্দিরের জমি নিয়ে দু'পক্ষের মারামারি, পুরোহিত হাসপাতালে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
রায়পুরে মন্দিরের জমি নিয়ে দু'পক্ষের মারামারি, পুরোহিত হাসপাতালে
ছবি: কালের কণ্ঠ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু'পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত অবস্থায় মন্দিরের পুরোহিত বিমল চক্রবর্তীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের উত্তর চরপাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন । আহত বিমল চক্রবর্তী চরপাতা ইউনিয়নের গোপাল গিরিধারী মন্দিরের পুরোহিত। 

জানা গেছে, মন্দিরের জমিদাতা শচিবালা দাস ছিলেন নিঃসন্তান। জীবদ্দশায় তিনি কাজল দাসদের কাছে সাড়ে ৫১ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। এছাড়া মন্দিরের জন্য সোয়া ৮ শতাংশ জমি দেবোত্তর করে দিয়ে যান। তার মৃত্যুর পরও সাড়ে ৭ শতাংশ জমি রয়ে যায়। এতে ওই জমিতে তার সমাধি রয়েছে। বাকি অংশে শিব মন্দির স্থাপনের উদ্যোগে নেওয়া হয়। এরমধ্যে জমি দাবি করে কাজল ১৪৪ ধারা মামলা করে। ওই মামলা আদালত খারিজ করে দেয়। সেখানে পরে শিবের মূর্তি বসানোসহ কর্মযজ্ঞ শুরু করলে ফের কাজলরা বাধা দেয়। এসব নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কাজল পুরোহিত বিমলের ওপর হামলা করে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় মন্দিরের পুরোহিত বিমলের নাক ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

মন্দির কমিটির উপদেষ্টা পলাশ দাস বলেন, ‘মন্দিরের জমি কাজল নিজের দাবি করে একের পর এক মামলা ও ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। মন্দির স্থাপনে সে বাধা প্রদান করে আসছে। সবশেষ হামলা চালিয়ে তিনি আমাদেরকে মারধর করে। পুরোহিতকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’ 

কাজল দাসের স্ত্রী পপি দাস বলেন, ‘সচিবালা দাস থেকে আমরা ৫১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে গিরিধারী মন্দিরের লোকজন রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক শিবমন্দির স্থাপন করে। এটি তাদের শয়তানি। এতে বাধা দেওয়ায় তারা লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। আমার স্বামীকে মারার জন্য তারা ওই পেতে রয়েছে। 

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। জমি নিয়ে আদালতে মামলা আছে বলেও শুনেছি। এনিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে বসে সমস্যা সমাধান করা হবে। 

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, ‘জমি নিয়ে দু'পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে থানায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’

ফরিদপুরের নগরকান্দা

খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ জেলা প্রশাসকের

সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ জেলা প্রশাসকের
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নে চলমান খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম। তিনি খননকাজের অগ্রগতি ও গুণগত মানের প্রশংসা করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলার তালমা ইউনিয়নের তালমা স্লুইসগেট থেকে সন্তোষী পর্যন্ত প্রায় পৌনে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ দেন। 

পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসক প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং খননকাজের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন কার্যক্রম ও গুণগত মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের উদ্যোগে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ অবকাঠামো ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে। প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের আওতায় তালমা স্লুইসগেট থেকে সন্তোষী পর্যন্ত প্রায় পৌনে ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হতো। খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং এলাকার সার্বিক জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশা করছেন। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া বলেন, খাল পুন:খনন কাজটি আমি নিয়মিত তদারকি করেছি। এখানে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আশা, খালটির সুফল এলাকাবাসী ভোগ করতে পারবে।

এ সময় নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবীর উদ্দিন, তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তিনি নগরকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। পরে তিনি মানিকদী আনেছিয়া দরবার শরীফ পরিদর্শন ও মাজার জিয়ারত করেন।

ছিনতাইকারীর টানে প্রাণ গেল পার্বতীপুরের সোমার

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ছিনতাইকারীর টানে প্রাণ গেল পার্বতীপুরের সোমার
নিহত দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বাসিন্দা সোহেলী ইসলাম সোমা।

রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার ৫ দিন পর মারা গেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বাসিন্দা সোহেলী ইসলাম সোমা (৪২)।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোর ৫টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত সোমা পার্বতীপুর শহরের সাহেবপাড়া রেলওয়ে কলোনি এলাকার মৃত মাহাবুবুল ইসলাম বুলবুলের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমণ্ডির সেন্ট্রাল রোডে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি ওষুধ কম্পানিতে চাকরি করতেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে গত ৬ জুন রাতে পার্বতীপুর থেকে হক এন্টারপ্রাইজের একটি নাইট কোচে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন সোমা। পরদিন ৭ জুন ভোরে গাবতলী বাস টার্মিনালে পৌঁছে অটোরিকশাযোগে বাসার দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলে থাকা একদল ছিনতাইকারী তার ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ব্যাগে টান দিলে তিনি রাস্তার পাশে থাকা ডিভাইডারের ওপর পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান।

পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর আনোয়ার মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি মারা গেছেন।

নিহতের ফুফাতো ভাই সরোয়ার পারভেজ সবুজ জানান, সোমার বাবা-মা অনেক আগেই মারা গেছেন। তার কোনো ভাই-বোনও নেই। একমাত্র মেয়ে নওমী ইসলাম ঢাকার একটি কলেজে অনার্সে পড়াশোনা করছেন। মায়ের চাকরির আয়ে তার লেখাপড়ার খরচ চলত।

তিনি বলেন, ‘সোমার অকালমৃত্যুতে তার মেয়েটি এখন পুরোপুরি এতিম হয়ে গেল। একই সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে সোমার লাশ পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার পশ্চিম টেহরি মহল্লায় তার নানার বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে বিকেল ৪টার দিকে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক চুরি

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতক চুরি
ছবি: কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার আইন্দারগাঁও সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া এক নবজাতক ছেলে শিশুকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই শিশুটিকে উদ্ধারে তৎপর হয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, গত সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৬টার দিকে ছাতক থেকে বাড়ি ফেরার পথে আইন্দারগাঁও সড়কের পাশে নবজাতক শিশুর কান্নার শব্দ শুনে গাড়ি থামান সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক কাওছার আহমেদ। পরে তিনি সেখানে গিয়ে আনুমানিক ৭ দিন বয়সী এক নবজাতক ছেলে শিশুকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকালে শিশুটির হাতে হাসপাতালের ব্যবহৃত কেনোলা লাগানো ছিল বলে জানা গেছে।

উদ্ধারকারী কাওছার আহমেদ দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের শিবপুর (নোয়াগাঁও) গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে। উদ্ধার করার পর তিনি শিশুটিকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপর থেকে তিনি ও তার স্ত্রী হাসপাতালেই অবস্থান করে শিশুটির দেখাশোনা করছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা ও পরিচর্যায় নবজাতক শিশুটির শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছিল। শিশুটিকে সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উপযুক্ত অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছিল। এ লক্ষ্যে একাধিক ব্যক্তি আবেদনও করেছিলেন এবং সেসব আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান ছিল।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান জানান, শিশুটিকে গ্রহণের জন্য কয়েকজন আবেদন করেছিলেন। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই চলছিল। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুসরাত আরেফিন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে কাওছার আহমেদ শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। বিষয়টি জানার পরপরই পুলিশকে অবহিত করা হয়।

কর্তৃপক্ষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই কাওছার আহমেদ তার স্ত্রীর সহযোগিতায় নবজাতককে হাসপাতাল থেকে চুরি করে নিয়ে গেছেন। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া তিনি যে ঠিকানা দিয়েছিলেন সেখানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘বাচ্চাটিকে উদ্ধারের কার্যক্রম চালিয়ে চলছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যে ব্যক্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন, সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেই পরে শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠায় ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। শিশুটির নিরাপত্তা ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।