• ই-পেপার

সিরাজগঞ্জে আ. লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

এবার কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
এবার কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানার বারিক বিল্ডিং এলাকায় মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের ব্যানারে আয়োজিত এ মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা বারিক বিল্ডিং এলাকা থেকে মিছিল শুরু করে বিমানবন্দর সড়ক হয়ে আগ্রাবাদ মোড়ের দিকে অগ্রসর হন। পরে বিদ্যুৎ ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মিছিলটি বন্দর থানার বারিক বিল্ডিং এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বন্দর থানার ওসিকে বিষয়টি জানানোর জন্য কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।’

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পর্যালোচনা করে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অন্তত চারটি মিছিল করেছেন। সর্বশেষ সোমবার সকালে নগরীর জিইসি এলাকায় মিছিলের পর অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সুনামগঞ্জে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ

ইউনিয়ন অফিস ঘেরা করে বিক্ষোভ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ
সুনামগঞ্জে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ইউনিয়ন অফিস ঘেরা করে বিক্ষোভ করেছেন বঞ্চিত কৃষকরা। ছবি : কালের কণ্ঠ।

সুনামগঞ্জের হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অকৃষক, অক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত করে সহায়তা বিতরণ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছেন হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। গত দুদিন ধরে ধর্মপাশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ইউনিয়ন শুক্রবার দুপুরে অফিস ঘেরা করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। শাল্লা উপজেলায়ও ঈদের আগে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সুনামগঞ্জে ভারি বর্ষণে হাওরের পাকা বোরো ধান তলিয়ে যায়। টানা বৃষ্টির কারণে কাটা ধানও শুকাতে না পারায় পচে নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষতি হয় গোখাদ্য খড়েরও। এতে কৃষকদের বিপুল ক্ষতি হয়। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মাঠে এসে প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করার নির্দেশনা দেয়। এই নির্দেশনা পেয়ে জেলা প্রশাসন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫০৪ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। কৃষি বিভাগের মতে জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। জেলায় ১৬ হাজার ৭৮৬ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হাওর আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় হাওরের অর্ধেক ফসল তলিয়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে কাটা ফসল ও গোখাদ্য খড়ের। টানা বৃষ্টির কারণে কাটা ধানও পচে নষ্ট হয়েছে।

কৃষি বিভাগের মতে জেলায় বড় কৃষক পরিবার ১২ হাজার ২৫১, মাঝারি কৃষক পরিবার ৬৭ হাজার ৮৯৮, ক্ষুদ্র কৃষক পরিবার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪০ জন এবং প্রান্তিক কৃষক রয়েছেন ৪৯ হাজার ১২৪জন।

তবে ঈদের আগে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ৬৪ হাজার কৃষককে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় যুক্ত করে। এতে বাদ পড়েন অন্যরা। তালিকাভুক্ত কৃষকদের সরকার টানা তিন মাস ৩ হাজার টাকা করে প্রতি মাসে এবং ১৫ কেজি চাল প্রতি মাসে সহায়তা দিচ্ছে। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠে সহায়তার তালিকায় অকৃষক ও ক্ষতি হয়নি এমন কৃষকের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাদ পড়েছেন প্রকৃত কৃষকরা। তালিকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেম্বার, সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা স্বজনপ্রীতির পাশাপাশি তালিকাভুক্ত করতে কৃষকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নিয়েছেন এমন অভিযোগও আছে। এই অভিযোগে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ক্ষোভে ফুঁসছেন কৃষকরা। শাল্লা উপজেলার বাহাড়া ও হবিবপুর ইউনিয়নে তালিকায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের ঘটনায় অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

গত ৪ জুন বৃহষ্পতিবার দুপুরে ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরহাটি ইউনিয়ন কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। তারা জানিয়েছেন তালিকায়

দুর্নীতি ও অনিয়ম করে চেয়ারম্যান মেম্বার তাদের স্বজনদের নামসহ অকৃষক ও ক্ষতি হয়নি এমন কৃষকদের তালিকাভুক্ত করেছেন। এতে বঞ্চিত হয়েছেন কৃষকরা। একই ইউনিয়নের বড়খলা ও জিংড়িপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা শুক্রবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল করে জড়িতদের বিচার দাবি ও বঞ্চিতদের তালিকাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত বড় কৃষক ও পাইকুরহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সবুজ মিয়া বলেন, চেয়ারম্যান মেম্বার নিজের আত্নীয়-স্বজনদের তালিকাভুক্ত করেছেন। যারা কৃষক না, যাদের কোনো ক্ষতি হয়নি টাকা খেয়ে তাদের নাম যুক্ত করা হয়েছে। আর আমরা যারা ক্ষতিগ্রস্ত তারা বঞ্চিত হয়েছি। এলাকার বঞ্চিত কৃষকরা এই প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার ইউপি কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন। আজ আমরা এলাকায় একই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল দিয়েছি।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উসমান গণি বলেন, ‘তারা টেকা খাইয়া নাম দিছে। আমরারে বাদ দিছে। আমার অর্ধেক জমি পাইন্যে নিছে। আমার মতো ক্ষতি অইছে এমন কৃষকরা তালিকায় নাই। তালিকায় তারা দুর্নীতি করেছে। আমরা এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী ও এমপি সাবের কাছে বিচার চাই।’

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, প্রথমে যে তালিকা পাঠানো হয়েছিল তা থেকে অর্ধেক কৃষককে আংশিক ক্ষতিপূরণের জন্য বাছাই করা হয়েছে। ঈদের আগ থেকেই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। এখন বাদ পড়া লোকজন বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, আমাদের ষ্পষ্ট নির্দেশনা ছিল যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরকে তালিকাভুক্ত করার। কিন্তু এখন আমরা কিছু কিছু অভিযোগ পাচ্ছি। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  

বৃহস্পতিবার (৪ জুন)  সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়। 

মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।

আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।

মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে  অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।  ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কড়া বার্তা দিয়ে চিঠি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কড়া বার্তা দিয়ে চিঠি
ছবি : কালের কণ্ঠ

নিষিদ্ধ গাইড পাঞ্জেরীর হুবহু প্রশ্নে পরীক্ষা নেয় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সরকারি চন্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এ নিয়ে গত ১ জুন কালের কণ্ঠের অনলাইনে ‘গাইড বইয়ের প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা, অভিভাবকদের ক্ষোভ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে তা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর বিষয়টি আমলে নিয়ে নড়েচড়ে বসে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপপরিচালকের কার্যালয়। তারা এ ঘটনায় ময়মনসিংহ অঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কড়া নোটিশ দিয়ে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে।

গত বুধবার (৩ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত নোটিশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নোট ও গাইড থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন না করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়।

জানতে চাইলে ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন কালের কণ্ঠকে জানান, বিষয়টি প্রথমে দৈনিক কালের কণ্ঠের নজরে আসে যে পাঞ্জেরী নোট গাইড থেকে নান্দাইলের চন্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গত বছরের বার্ষিক পরীক্ষায় হুবহু প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে নোট ও গাইড বইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করতে এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বব

তিনি আরো বলেন, কোনো ধরনের নোট বা গাইড বই থেকে প্রশ্নপত্র তৈরি করা বা পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। এ ধরনের জনসচেতনতামূলক সংবাদ প্রকাশের জন্য তিনি কালের কণ্ঠকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে নোটিশে বলা হয়, স্ব-স্ব বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র (পাবলিক পরীক্ষা ব্যতীত) নিজেরাই প্রণয়ন করবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো উৎস থেকে সংগৃহীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। কোনো কোনো বিদ্যালয় গাইড বই, নোট বই বা অন্য কোনো উৎস থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে পরীক্ষা নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ অবস্থায় আগত অভ্যন্তরীণ (অর্ধ-বার্ষিক/বার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনী/নির্বাচনী) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক দ্বারা প্রণয়ন করতে হবে। অন্য কোনো উৎস থেকে সংগৃহীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। বিষয়টি সব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অবহিত করা হলো বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।