• ই-পেপার

দিনাজপুরে শালবাগান থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

প্রেমের সম্পর্ক করে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রেমের সম্পর্ক করে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে বিদ্যালয়টির মিজানুর রহমান (৪৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়ের বাবার করা ধর্ষণ মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়ছে। এর আগে গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুরকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মিজানুর শহরের শাহীবাগ মহল্লার  ইসলাইল হকের ছেলে এবং নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের (টাউন হাইস্কুল) ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক। ওই শিক্ষক বিবাহিত এবং তার একজন সন্তান রয়েছে। তার কাছে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী প্রাইভেট পড়তেন। 

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) একরামুল হোসাইন বলেন, ‘ভুক্তভোগী মেয়ের বাবা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে, তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ 

এ ছাড়া ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও  আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন ওসি।

জেল থেকে বের হয়ে ফের আটক আ. লীগ নেতা, স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জেল থেকে বের হয়ে ফের আটক আ. লীগ নেতা, স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

‘আল্লাহ পাক এই অত্যাচার সইবে না। আমার স্বামী তো কোনো অপরাধ করেননি, তাহলে কেন এভাবে বারবার তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’—কারাগার থেকে বের হওয়ার পর জেলগেট থেকে স্বামীকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী।

বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় কারাগার থেকে বের হন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল হক খন্দকার। পরে সেখান থেকে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নিয়ে যায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

​জেলগেটে উপস্থিত সিরাজুলের স্বজনরা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় সিরাজুল হক খন্দকার জামিনে কারামুক্ত হয়ে লালমনিরহাট জেলা কারাগারের প্রধান ফটক দিয়ে বের হন। এ সময় ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে ঘিরে ধরে এবং একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

​সিরাজুলকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী। তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘আমার স্বামীকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা দরকার। তার অপরাধটা কী? উনি তো কোনো অন্যায় করেননি।’ 

এটা কেমন রাজনীতি? প্রশ্ন রেখে তিনি জানান, এর আগে জামিনে মুক্তি পেলেও তাকে জেলগেট থেকে ডিবি পুলিশ নিয়ে যায়।

সিরাজুল হক খন্দকারের স্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ পাক এই অত্যাচার সইবেন না। আমার স্বামী তো কোনো অপরাধ করেননি তাহলে কেন এভাবে বারবার তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন লালমনিরহাট জেলাবাসীর কাছে রইল।’

লালমনিরহাট ডিবি ওসি রওশন কবির গতকালই গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তার করে লালমনিরহাটে সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

ঘাটাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবদলকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
ঘাটাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবদলকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিখোঁজের চার দিন পর আমিনুল ইসলাম খান ওরফে মিন্টু খান (৩০) নামের এক যুবদলকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার কাউটেনগর মাছুয়া বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবার স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টারের ছেলে। তার বড় ভাই আব্দুল মান্নান সংগ্রামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহতের বাড়ি উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের আমুয়া বাইদ গ্রামে। গত ৩১ মে (রবিবার) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মনপুরা ব্রিজ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পাগার এলাকায় অবস্থিত ‘জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেবিক্স লিমিটেড’ কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। ঈদুল আজহার ছুটিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। তার নিখোঁজের ব্যাপারে মিন্টুর বড় ভাই মো. আ. মান্নান গত ১ জুন ঘাটাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

পরে পুলিশ মিন্টুকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। পুলিশ প্রথমে সন্দেহভাজন হিসেবে সোহেল রানা (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী পরে আরো ৪ জনকে আটক করে। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও তথ্যের ভিত্তিতে মাছুয়া বিলের কচুরিপানার নিচ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত মিন্টুর বড় ভাই আব্দুল মান্নান অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ভাইকে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করেছিল। আমি আমার ভাই হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’

ঘাটাইল থানার ওসি মোকছেদুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় পানিশূন্য একটি খালের মধ্যে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় মিনটুর লাশ উদ্ধার করা। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তেরর প্রতিবেদন পাওয়র পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

তিনি আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যে স্থানীয় পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারের স্বার্থে এখনই তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানি বক্তব্য, এনসিপি নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদালতের

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানি বক্তব্য, এনসিপি নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদালতের
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচারের ঘটনায় এনসিপি নেতা আনোয়ার হোসেনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য আসামি তার ভাই এনসিপিকর্মী ইমাম হোসেনকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল হক এ নির্দেশ দেন।

আরো পড়ুন
পিতা-মাতার ভরণপোষণ না দিলে এক লাখ টাকা জরিমানা, তিন মাস কারাদণ্ড : আইনজীবী

পিতা-মাতার ভরণপোষণ না দিলে এক লাখ টাকা জরিমানা, তিন মাস কারাদণ্ড : আইনজীবী

 

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আব্দুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রায়পুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব আলম আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এতে দণ্ডবিধি ও সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামি আনোয়ারকে জেলগেটে এক দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য আসামি ইমামকে পাসপোর্ট জমা দেওয়া শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ৩০ মে এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ৩১ মে দুপুরে রুহুল আমিন বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা ও দণ্ডবিধি আইনে রায়পুর থানায় মামলা করেন। এতে আনোয়ারসহ তার তিন ভাইয়ের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় চারজনকে আসামি করা হয়। 

অভিযুক্ত আনোয়ার জাতীয় নাগরিক পার্টির শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক ও রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। মামলার বাদী রুহুল আমিন সোনাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চরবগা গ্রামের শফিক আহম্মদের ছেলে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর কথা বলে আনোয়ার ফেসবুক আইডিতে প্রচার করেন। তার ফেসবুক আইডিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম কাগজে লিখে তা পায়ের তলায় দিয়ে ছবি তুলে প্রচার করা হয়। এসব ঘটনায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ঈদ উপলক্ষে আনোয়ার তার রায়পুরের সোনাপুর এলাকার গ্রামের বাড়িতে আসেন। ৩০ মে রাতে ফেসবুকে প্রচারিত কুরুচিপূর্ণ ঘটনার কারণ জানতে চাইলে আনোয়ারসহ অভিযুক্তরা যুবদল নেতা রুহুল আমিনসহ সাক্ষীদের ওপর হামলা করেন। এক পর্যায়ে বাদীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। ওই রাতেই স্থানীয় লোকজন তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।