• ই-পেপার

মাগুরার সেই আছিয়াকে ভুলে গেছে সবাই, মামলা ঝুলছে আপিলে

চট্টগ্রামে এনসিপির সদস্যসচিবসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে এনসিপির সদস্যসচিবসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মহানগর সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিনসহ ৬ নেতার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। সম্প্রতি ওই কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করা নেতা হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ মামলাটি করেছেন। সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কাজী মিজানুর রহমান মামলা আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল হক টিপু, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হুজ্জাত উল্লাহ আবির, ছাত্রশক্তির সাদিক আরমান ও মাইনুল হোসেন।

বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, এনসিপি নেতা হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদকে অনবরত বিভিন্ন নাম্বার থেকে হুমকি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্মানহানির ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। বিচারক মামলা আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ মে এনসিপি ১৬৮ সদস্যের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ধর্ষণ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে থাকা আসামি, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর অভিযোগ এনে ২২ নেতা পদত্যাগ করেন। মামলার বাদী সাঈদ তাদের একজন।

জাহিদ হোসেন

শেখ হাসিনার বুকে সাহস থাকলে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করুক

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
শেখ হাসিনার বুকে সাহস থাকলে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করুক
সংগৃহীত ছবি

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনার বুকে সাহস থাকলে দেশে ফিরে এসে আদালতে আত্মসমর্পণ করুক। আমরাও এটি চাই। তিনি বুক ফুলিয়ে দেশে আসবেন, তার কত সাহস আমরাও দেখতে চাই। 

বুধবার (২০ মে) সকালে সাভারের পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, ৫ আগস্টে আমরা তার সাহস দেখেছি। তিনি আসুক, আইসিটি ফেস করুক, আমরা তো তা-ই চাই। আদালত যদি তাকে খালাস দেয় তাহলে তিনি মুক্ত হয়ে যাবেন। তিনি (শেখ হাসিনা) গত ৫ আগস্ট যেভাবে পালিয়ে গেছেন, এরপর তিনি কিভাবে দেশে ফিরবেন? দেশের মানুষও চায় তিনি দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করুক।

আরো পড়ুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেফটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেফটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

 

বর্তমান সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। এই প্রকল্পের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন যদি কোনো দুর্নীতি করে থাকেন, তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

এদিকে প্রকল্প পরিচালক মামুনের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তার দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত প্রকল্প পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন তাৎক্ষণিকভাবে পর্যালোচনা মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করে দ্রুত নিজের গাড়ি নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও পর্যালোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে মারা যাওয়া শ্রমিকদের উদ্ধারের সময় এলাকাবাসীর ভিড়। ছবি : কালের কণ্ঠ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে তাদের লাশ উদ্ধার করে। 

নিহতরা হলেন ইমাম হোসেন (৩০), হৃদয় মিয়া (২৫), মেহেদী (২২), আরমান (৩০)। নিহতের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি গলানিয়া গ্রামে এবং আরমানের বাড়ি একই উপজেলার ধর্মতীর্থ গ্রামে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে গলানিয়া গ্রামের বাসিন্দা আলী মিয়ার বাড়িতে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নামেন হৃদয় ও মেহেদী। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা উঠে না আসায় সন্দেহ হলে আরমান ও ইমাম তাদের খোঁজে সেপটিক ট্যাংকে নামেন। পরে চারজনই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে বিকেল সাড়ে ৫টায় সেপটিক ট্যাংক থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপপরিচালক ফারুক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভূইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। নিহতদের লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪১ জনে। যাদের সবাই শিশু। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ৯২ জন রোগী। ফলে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮০ জন।

সিলেটে মারা যাওয়া শিশুর নাম সাইফান। সে সিলেট সদর উপজেলার মাসুমপুর এরাকার বাদল মিয়ার ছেলে। সাইফান সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

বুধবার (২০ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪১ জন। তাদের মধ্যে ৪ জনের হাম রোগে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া ৯২ জনের মধ্যে ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ২৪ জন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে এবং ২০ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। 

এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৭ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন এবং নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পার্কভিউ মেডিক্যাল হাসপাতাল, রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন করে রোগী ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ২৮০ রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে প্রায় ৬৬ জন, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপতাালে ৭৮ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৪৪ জন ভর্তি রয়েছে।