• ই-পেপার

খুমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে কমিটি

ঘুমিয়ে পড়ায় ট্রাক উল্টে চালকের মৃত্যু

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
ঘুমিয়ে পড়ায় ট্রাক উল্টে চালকের মৃত্যু
ছবি: কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইলের ভাতকুড়া এলাকায় ট্রাক উল্টে রাসেল মিয়া (২৪) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাসেল মিয়া ভুঞাপুর উপজেলার সিরাজকান্দি এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকটি যমুনা সেতুমুখী লেনে ভাতকুড়া এলাকায় পৌঁছালে চালক ঘুমিয়ে পড়েন। এসময় ট্রাকটি সড়কের বিভাজকের ওপর উঠে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুন

ফুলবাড়ীতে পানিতে ডুবে ২ ভাই-বোনের মৃত্যু

ফুলবাড়ীতে পানিতে ডুবে ২ ভাই-বোনের মৃত্যু

 

খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

এলেঙ্গা (মধুপুর) হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

ফুলবাড়ীতে পানিতে ডুবে ২ ভাই-বোনের মৃত্যু

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ফুলবাড়ীতে পানিতে ডুবে ২ ভাই-বোনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২০ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের খয়েরবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো ওই এলাকার মুদি দোকানদার শাহিন আলমের মেয়ে সাবিহা (সাড়ে ৪) ও ছেলে সিয়াম (৩)।

স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে দুই শিশু বালু উত্তোলনের কারণে সৃষ্টি হওয়া পুকুরসদৃশ গভীর গর্তে পড়ে যায়। পরে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

চিকিৎসক ডা. আলিফ মো. নুরে আলম সায়েদী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরে বিষয়টি থানাকে জানানো হয়।

খয়েরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক বলেন, বাড়ির পাশের মাঠের উত্তরে বালু উত্তোলনের কারণে একটি গভীর গর্ত তৈরি হয়েছিল, যেখানে পানি জমে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ছোট ছেলে সিয়াম প্রথমে সেখানে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বড় বোন সাবিহাও পানিতে ডুবে যায়।

আরো পড়ুন

কেন শপিং মলে ঘড়ি আর জানালা থাকে না?

কেন শপিং মলে ঘড়ি আর জানালা থাকে না?

 

ফুলবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোছা. শাপলা বেগম জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈদযাত্রা

মহাসড়কের ১০ স্পটে ভোগান্তির শঙ্কা

আসাদুজ্জামান নূর, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
মহাসড়কের ১০ স্পটে ভোগান্তির শঙ্কা
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল মোড় এলাকায় বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায়ই ওই স্থানে যানজট সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ের  নারায়ণগঞ্জ অংশে ১০টি স্থানে যানজটে পড়তে পারে ঘরমুখী মানুষ। 

মহাসড়কের শিমরাইল মোড়, সাইনবোর্ড, সানারপাড়, যাত্রামুড়া, কাঁচপুর ও  মোগরাপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা এবং এশিয়ান হাইওয়ের মদনপুর, নয়াপুর, বস্তল ও গাউছিয়ায় ভোগাতে পারে ভাঙাচোরা সড়ক। আর ঢাকা-সিলেট সড়কে ভোগান্তির কারণ হতে পারে অসমাপ্ত নির্মাণকাজ। এ ছাড়া অবৈধ স্থাপনা, সড়কে পশুর হাট এবং অবৈধভাবে করা গাড়ি পার্কিংয়ের মতো দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা কিছু কারণ যাত্রার সময় দীর্ঘ করতে পারে। 

যদিও ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে টানা ছুটি, শিল্পকারখানা ধাপে ধাপে বন্ধ করার মতো উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবু শেষ সময়ে যাত্রীর চাপে আগের ঈদের মতো এবারও যানজটে ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শিমরাইল মোড় থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু খানাখন্দ রয়েছে, যার কারণে দূরপাল্লার যানবাহনের গতি কম। স্থানীয়দের চলাচলের জন্য অনিয়ন্ত্রিতভাবে তিন চাকার অটোরিকশা চলাচলের কারণে এ সড়কে দুর্ঘটনা বেড়েছে। এ ছাড়া মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। 

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়ক দিয়ে দৈনিক ১৮ থেকে ২২ হাজার যানবাহন চলাচল করে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন মহাসড়কে ২৬ থেকে ৩০ হাজার যানবাহন চলে। তবে ঈদের সময় যানবাহনের সংখ্যা অর্ধলাখ ছাড়িয়ে যায়। এ সময় টোল আদায়ের ধীরগতিতে যানজট হয়। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে ঈদে যানজট বাড়তে পারে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যানজটের নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। এর মধ্যে রয়েছে মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে শিমরাইল সাইনবোর্ড পর্যন্ত চার কিলোমিটার মহাসড়কে উল্টোপথে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের অবাধ চলাচল, সড়কের ওপর নিষিদ্ধ লেগুনা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড, বিভিন্ন পরিবহনের যত্রতত্র পার্কিং ও স্ট্যান্ড এবং মহাসড়কজুড়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানপাট। 

কাঁচপুর সেতু থেকে শিমরাইল ও সাইনবোর্ড পর্যন্ত শত শত বাস ও মালবাহী ট্রাক পার্ক করে রাখার কারণেও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া শিমরাইল মোড়ের উত্তর পাশে মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। এসব খানাখন্দে প্রায়ই ছোট যানবাহন আটকে যাওয়ায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এশিয়ান হাইওয়ের মদনপুর থেকে গাউছিয়া পর্যন্ত এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংস্কার কাজের ধীর গতিতে কাঁচপুর থেকে গাউছিয়া পর্যন্ত প্রায়ই যানজট হচ্ছে। ফলে সড়কটিতে ঘরমুখী মানুষকে যানজটের কবলে পড়তে হবে মনে করা হচ্ছে।

জানা যায়, রাজধানী ঢাকা থেকে পূর্বাঞ্চলীয় ১৫টি জেলার যানবাহন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল হয়ে চলাচল করে। প্রতিদিন লাখো যানবাহন চলে এ মহাসড়ক দিয়ে। ব্যস্ততম মহাসড়কটির শিমরাইল অংশে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে যানজট। 

মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে আলাপ হলে তারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণে না থাকায় মহাসড়কের এই অংশ দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

এ পথে নিয়মিত চলাচল করে এমন যানবাহনের চালকরা বলছেন, মহাসড়কে এবার যানজটের অন্যতম কারণ হবে ছোট তিন চাকার যানবাহন। এসব যানবাহনের অবাধ চলাচলের কারণে দূরপাল্লার যানবাহনের গতি কমে যায়। অনেক জায়গায় যানজট সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া এ মহাসড়কের বিভিন্ন ইউটার্নে গাড়ি ঘোরানোর কারণেও যানজট সৃষ্টি হতে পারে। মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনাও যানজটের জন্য দায়ী। এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে মহাসড়কে যানবাহনের গতি কমে যাওয়ায় যানজট দেখা দেয়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজাসহ সড়কে পার্কিং, বাজার ও অবৈধ স্থাপনার কারণে আরো সাতটি স্থানে তীব্র যানজট দেখা দিতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা না নিলে এই মহাসড়ক দিয়ে ঈদযাত্রা বিলম্বিত পারে।

মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজায় কথা হয় কয়েকজন বাসচালকের সঙ্গে। তারা বলেন, কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড, মদনপুর ও মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় বাস স্টপেজের কারণে যানজটে পড়তে হয়। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণেও যানজট তীব্র হয়।

কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মতিউর রহমান বলেন,  ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। রূপগঞ্জ অংশের ভুলতা-গাউছিয়া, কাঞ্চন সেতু, রূপসী, বরাবো ও তারাবো এলাকায় প্রতিদিনই যানজট হচ্ছে। ভুলতা-গাউছিয়ায় প্রতিদিন বহু ক্রেতা ও যানবাহন আসে। ঈদে তা বাড়বে। আশপাশের কলকারখানার গাড়ির অবৈধ পার্কিং এবং অটোরিকশা-সিএনজির অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এবং মহাসড়ক সম্প্রসারণে পুরো পথে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে পুরো সড়কে নৈরাজ্য চলছে।।

মহাসড়কটিতে নিয়মিত চলাচলকারী তিশা পরিবহনের চালক রাসেল মিয়া বলেন, ঈদে যানজটের প্রধান কারণ হয় লোকাল যাত্রী ওঠানামা। এতে  দূরপাল্লার গাড়িগুলো তাদের গতি কমাতে বাধ্য হয়। একপর্যায়ে সৃষ্টি হয় যানজট।

ইকবাল গ্রাফিক্স-এর মালিক ইকবাল হোসেন বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধ দোকানপাটের কারণে প্রতিদিন মহাসড়কে যানজটে আটকা পড়ে  শতশত গাড়ি। এছাড়া লেগুনা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং বাস-মিনিবাসের অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তুলে যানবাহনগুলো রেখে দেওয়ার কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

মনির হোসেন নামের এক আইনজীবী বলেন, প্রতিবছর ঈদের সময় মহাসড়কের এই অংশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তাই দ্রুত মহাসড়ক থেকে যানবাহনের অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ ও দোকানপাট উচ্ছেদ এবং লেগুনা চলাচল ও মহাসড়কে পার্কিং বন্ধ না করলে ঈদযাত্রায়  এবারও যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

শিমরাইল এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, মাত্র কয়েকদিন বাকি রয়েছে ঈদুল আজহার। কিন্তু রহস্যজনক কারণে শিমরাইল এলাকার খানাখন্দ এখনও সংস্কার করেনি সড়ক জনপথ অধিদপ্তর।

হাইওয়ে পুলিশ (গাজীপুর অঞ্চল) সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলের ইনচার্জ টিআই জুলহাস উদ্দিন বলেন, ঈদে ঘরমুখী মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে সেজন্য আমরা নানা পরিকল্পনা নিয়ে মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করব। তবে শিমরাইল মোড় এলাকায় মহাসড়কের একাংশে খানাখন্দ থাকায় এ এলাকায় যানবাহন ধীরগতিতে চলছে। খুব শিগগির এসব খানাখন্দ ও সংস্কারের কাজ শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি শামীম শেখ বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। মহাসড়কে বিকল হওয়া যানবাহন দ্রুত সরাতে দুটি রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, মদনপুর থেকে গাউছিয়া পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক ও যাত্রামুড়া থেকে গাউছিয়া পর্যন্ত সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় এসব এলাকায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)-এর নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষ যাতে সহজে বাড়ি ফিরতে পারে, সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিমরাইল মোড় এলাকায় সামান্য খানাখন্দ খুব শিগগির মেরামত করা হবে বলে জানান তিনি।

পাবনায় অনলাইন জুয়াচক্রের ৫ সদস্য আটক

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় অনলাইন জুয়াচক্রের ৫ সদস্য আটক
ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়াচক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দেবোত্তর বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন— আটঘরিয়া পৌরসভার কন্দর্পপুর মহল্লার আবুল হাশেমের ছেলে শরীফুল ইসলাম সাগর (২২), জালাল হোসেনের ছেলে শান্ত হোসেন (২৫), চক ধলেশ্বর মহল্লার গোলাম সরোয়ারের ছেলে সোহানুর রহমান শাকিব (২২), দেবোত্তর মহল্লার মৃত এমদাদ হোসেন মোল্লার ছেলে আসাদুল ইসলাম (৩২) এবং উপজেলার হাপানিয়া গ্রামের আলহাজ ইস্কান্দার আলী প্রামাণিকের ছেলে শরীফুল ইসলাম (৩৬)।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল দেবোত্তর বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় অনলাইন জুয়াচক্রের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন
খুমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে কমিটি

খুমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে কমিটি

 

আটকদের কাছ থেকে ছয়টি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। জব্দ হওয়া মোবাইল ফোনগুলোতে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে সক্রিয় আইডি এবং লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ই-ট্রানজেকশন অ্যাপের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্য-উপাত্তও উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা পুলিশকে জানিয়েছেন, তারা পরস্পরের যোগসাজশে ডিজিটাল ডিভাইস ও অনলাইন প্ল্যাটফরম ব্যবহার করে তরুণসমাজের মধ্যে অনলাইন জুয়া বিস্তার, জুয়ার আইডি খোলা এবং অর্থ লেনদেনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দপূর্বক আটকদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।