• ই-পেপার

ফরিদপুরে বিএনপি নেতা পারভেজ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে নারী শিক্ষার্থীর গায়ে হাত, ডিসি আমিরুলকে প্রত্যাহার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে নারী শিক্ষার্থীর গায়ে হাত, ডিসি আমিরুলকে প্রত্যাহার দাবি
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামে থানা কম্পাউন্ডে সাংবাদিকদের মারধর করে আলোচনায় আসা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর জোনের উপকমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার নারী শিক্ষার্থীর গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে তার প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন গ্রাফিতি আঁকতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দামপাড়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা ডিসি আমিরুলের প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবি তুলেন।

নুসরাত জাহান বিনতি নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সোমবার শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারে গ্রাফিতি আঁকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয় নারী পুলিশের সঙ্গে। এক পর্যায়ে ডিসি আমিরুল নিজে এসে আমাদের এক নারী সহযোদ্ধার গায়ে হাত দেন। আমরা বিষয়টি সিএমপি কমিশনারকে জানিয়েছি।’

সংবাদ সম্মেলনের চৌধুরী সাইফুল ইকবাল লিখিতভাবে ছয়টি দাবি পাঠ করেন। তিনি বলেন, সিএমপি জমায়েত, মিছিল, মিটিং নিষেধ করেছিল। আমরা মিছিল, মিটিং কিংবা জমায়েত করতে যাইনি, গ্রাফিতি আঁকতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশের একজন এসপি নিজেদের আইন না বুঝে আমাদের ওপর বল প্রয়োগ করেছেন। আমরা পুরো ঘটনার তদন্ত করে বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা চাই।’

তিনি আরো বলেন, সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের নাম্বার চেয়েছিল। আমরা মোবাইল নাম্বার দিয়ে আসছি। পরে দেখা গেল সেই নাম্বারসংবলিত কাগজটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ফেসবুক পেজে আপলোড হয়েছে। নাম্বারগুলোতে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সিএমপি থেকে কারা সেই নাম্বারগুলো ফাঁস করেছে আমরা তার সঠিক তদন্ত চাই।

প্রসঙ্গত, শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের লালখান বাজার থেকে টাইগারপাস অংশে জুলাই গ্রাফিতি মুছে চসিক বিজ্ঞাপনের জন্য ভাড়া দেওয়ার সাইবোর্ড ঝুলিয়েছিল। এতে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। গ্রাফিতি মোছার প্রতিবাদে ১৭ মে সন্ধ্যায় এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং ছাত্রসংগঠন মিছিল করলে মেয়র ডা. শাহাদাতের সমর্থনে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল করেন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে নিয়ন্ত্রণে সিএমপি মিছিল, মিটিং ও জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১৮ মে সকালে। ওই অবস্থায় কিছু শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে গ্রাফিতি আঁকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়।

দিনভর উত্তেজনা শেষে ১৮ মে সন্ধ্যায় মেয়র শাহাদাত নিজে গ্রাফিতি আঁকা উদ্বোধন করেন। এনসিপি, ছাত্রশক্তি, ছাত্রশিবির আলাদা আলাদা গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি ঘোষণা করে। সিএমপিও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাদারীপুর প্রতিনিধি
একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
সংগৃহীত ছবি

মাদারীপুরে এক দম্পতি ও তাঁদের শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১টার দিকে মাদারীপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গ থেকে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

এর আগে গত রবিবার রাত আড়াইটার দিকে মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার যতীন শিকদারের ছেলে চিন্ময় শিকদার (২৮), তাঁর স্ত্রী ইশা শিকদার ওরফে ইশরাত জাহান (২২) এবং তাঁদের আট মাস বয়সী মেয়ে জেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  রবিবার বিকেলে চিন্ময় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সৎমা মিষ্টির ভাড়া বাসায় ওঠেন। পরে সন্ধ্যায় মিষ্টি বাজার করতে বাসা থেকে বের হন। রাত ৯টার দিকে তিনি ফিরে এসে চিন্ময় ও তাঁর স্ত্রীকে ডাকাডাকি করেন। দুই ঘণ্টার বেশি সময় কোনো সাড়া না পেয়ে তাঁর সন্দেহ হয়। পরে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। রাত ২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় চিন্ময় ও তাঁর শিশুকন্যাকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং তাঁর স্ত্রী ইশাকে বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক বলেন, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আমরা প্রাথমিকভাবে রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছি। প্রথমে চিন্ময় তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করেন। কারণ চিন্ময় তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে খুবই ডিপ্রেশনে ছিল। তাঁর ফোনে আমরা কিছু কনভারসেশন দেখেছি। তাঁর স্ত্রীর পেছনে চিন্ময় ১৪ লাখ টাকা খরচ করেছেন। তারপর তাঁর স্ত্রী আইসিইউতেও ছিলেন। চিন্ময় কিছুই করতেন না। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়েই তিনি সংসার চালাতেন।

তিনি আরো বলেন, মিষ্টির সংসার চালাতে টাকা-পয়সা দরকার হলে তিনি তাঁর স্বামীর বড় ছেলে চিন্ময়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। চিন্ময় তাঁর স্ত্রীকে নিয়েই খুব ঝামেলার মধ্যে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জটিল কিছু রোগে ভুগছিলেন। গত বুধবার তাঁরা ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিয়ে মাদারীপুরে আসেন। চিন্ময় নিজেও তাঁর বাবা ও ছোট ভাই জয়ের সঙ্গে একটি অপহরণ মামলায় আসামি। তাই তিনি গ্রেপ্তারের ভয়ে নিজ বাড়িতে থাকতেন না।

পুলিশ জানায়, নেত্রকোনার কেন্দুয়া ইউনিয়নের মাসকা গ্রামের এরশাদ মিয়ার মেয়ে ইশরাত জাহানকে প্রেম করে বিয়ে করেন চিন্ময় শিকদার। বিয়ের পর তার নাম রাখা হয় ইশা। দীর্ঘদিন ধরে ইশা শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার চিকিৎসার পেছনে ১২-১৫ লাখ টাকা খরচ করেন চিন্ময়। ঋণের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে তিনি প্রথমে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে আট মাসের সন্তানকে নিয়ে ফ্যানে রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।

মিড ডে মিল : দুধের প্যাকেটে পোকা ও দুর্গন্ধের অভিযোগ

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
মিড ডে মিল : দুধের প্যাকেটে পোকা ও দুর্গন্ধের অভিযোগ
ছবি : কালের কণ্ঠ

যশোরের অভয়নগরে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির (মিড ডে মিল) আওতায় আকিজ ডেইরি লিমিটেডের ‘ফার্ম ফ্রেশ’ দুধের প্যাকেটে পোকা, বিবর্ণ রং ও দুর্গন্ধের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওলিউর রহমান বরাবর বুইকরা সিরাজকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবেরা খাতুন লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সাবেরা খাতুন জানান, গত ৪ এপ্রিল আকিজ ডেইরি লিমিটেড কর্তৃক ২০০ মিলির ৪৫০ প্যাকেট ‘ফার্ম ফ্রেশ’ দুধ সরবরাহ করা হয়। গত ১৮ মে সেই দুধ শিশুদের মাঝে বিতরণ করার সময় ৩০টি প্যাকেট খাবারের অযোগ্য বা নষ্ট বলে মনে হয়েছে। কারণ দুধের প্যাকেটগুলোতে পোকা, বিবর্ণ রং ও টক টক গন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানকে জানানো হয়।

প্রধান শিক্ষক বলেন, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওলিউর রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। এদিন দুপুরে দুধ সরবরাহকারী ঠিকাদারের প্রতিনিধি স্কুল থেকে নষ্ট দুধের প্যাকেটগুলো নিয়ে যায় এবং নতুন ৩০ প্যাকেট দুধ পৌঁছে দেয়।

আরো পড়ুন
শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

 

অভিভাবক নজরুল মোল্যা বলেন, ‘নষ্ট দুধ পেটে গেলে আমাদের সন্তানরা অসুস্থ হয়ে পড়ত। আকিজ ডেইরি লিমিটেডের সরবরাহকৃত দুধের ডাক্তারি পরীক্ষা প্রয়োজন। এদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ায় শিশুদের হাসপাতালে নিতে হয়নি।’

আকিজ ডেইরি লিমিটেডের সহকারী ম্যানেজার আওয়াল হোসেন বলেন, ‘দুধের প্যাকেট ফেটে গেলে একটু সমস্যা হতেই পারে। বিষয়টি জানার পর প্যাকেটগুলো পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) ওলিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নষ্ট দুধের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর আকিজ ডেইরি লিমিটেড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা দায় এড়ানো কথা বলেছে। বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।’

চট্টগ্রামে গ্রাফিতি আঁকায় বাধা

রংপুরে ছাত্রশক্তির গ্রাফিতি পুনর্লিখন কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে ছাত্রশক্তির গ্রাফিতি পুনর্লিখন কর্মসূচি
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে রংপুরে জুলাই গ্রাফিতি পুনর্লিখন ও নতুন করেঅঙ্কন কর্মসূচি পালন করেছেন মহানগর জাতীয় ছাত্রশক্তি ও শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে নগরীর ৩৬ জুলাই স্মৃতিসৌধ চত্বরসংলগ্ন জেলা পরিষদের দেয়ালে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্লোগান, প্রতীক ও প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকেন সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা জানান, পর্যায়ক্রমে রংপুর নগরীর বিভিন্ন দেয়ালে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনা তুলে ধরে গ্রাফিতি 

পুনর্লিখন করা হবে। একই সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং উত্তরাঞ্চলের পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিও এসব দেয়ালচিত্রে স্থান পাবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘জুলাই আন্দোলন শুধু একটি রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, এটি তরুণদের আত্মত্যাগ, অধিকার আদায় ও বৈষম্যবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক।তাই এই আন্দোলনের স্মৃতি মুছে ফেলার যেকোনো চেষ্টা তারা প্রতিহত করবেন।’                  

তারা আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকারও জুলাই আন্দোলনের অংশ ছিল।তাই আমরা আশা করি, সরকার জনগণের বাকস্বাধীনতা ও শিল্পের প্রকাশকেদমন করবে না।’

শিক্ষার্থী ও জাতীয় ছাত্রশক্তির কর্মীরা বলেন, ‘চট্টগ্রামে আমাদের এক বোনকে গ্রাফিতি আঁকতে গিয়ে পুলিশ শারীরিকভাবেলাঞ্ছিত করেছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা।রংপুরে এখনো এমন পরিস্থিতি হয়নি, তবে বিভিন্ন ভাবে জুলাইয়ের গ্রাফিতি নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে।তাই আমরা আবারও দেয়ালে সেই ইতিহাস ও প্রতিবাদের ভাষা ফিরিয়ে আনছি।’

রংপুর মহানগর জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি বলেন,‘জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম মুছে ফেলার অপচেষ্টা ইতিহাস বিকৃতির শামিল।দেয়াল লিখন ও গ্রাফিতি মানুষের বাকস্বাধীনতার প্রতীক। আমরা চাই না, এগুলো মুছে দিয়ে আবার পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিতে ফিরে যাওয়া হোক।’

দেয়ালজুড়ে এদিন ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘স্বাধীনতা এনেছি, সংস্কারও আনব’, ‘জুলাই আমার অহংকার’সহ নানা স্লোগান। 

অংকনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আদিবা ইবনাত ও সাজ্জাদ বলেন, ‘জুলাই অনেক প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া অর্জন।এটি আমাদের অহংকার, আমাদের অনুপ্রেরণা।কেউ যদি দেয়াল থেকে গ্রাফিতি মুছেও ফেলে, তবু মানুষের হৃদয় থেকে জুলাইকে মুছে ফেলা যাবে না। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম শিক্ষা ছিল মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, তাই গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া বা মুছে ফেলার মাধ্যমে সেই চেতনাকেই আঘাত করা হচ্ছে।আমরা একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।’

এ সময় জাতীয় ছাত্রশক্তির রংপুর মহানগর কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামিল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহম্মদ রাজিমুজ্জামান হৃদয়, যুগ্ম সদস্য সচিব ফারহান তানভীর ফাহিম, মেহেদী হাসান মীম, সংগঠক সাদিয়া ইসলাম অন্যন্যা, জাকারিয়া জিওন, বিজয় সুমন, সদস্য মিজানুর মুন্নাসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিকেলে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারেগ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সমাবেশ ও গ্রাফিতি অংকন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।