• ই-পেপার

দাবদাহে পুড়ছে বেনাপোল সীমান্ত

নোয়াখালীতে ট্রাকচাপায় মাদরাসার মুহতামিম নিহত, আহত স্ত্রী-সন্তান

নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে ট্রাকচাপায় মাদরাসার মুহতামিম নিহত, আহত স্ত্রী-সন্তান
মাওলানা বেলাল হোসাইন ফতেহপুরী। সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকচাপায় মাওলানা বেলাল হোসাইন ফতেহপুরী (৫০) নামের এক মাদরাসার মুহতামিম নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় তার স্ত্রী ও দুই সন্তান গুরুতর আহত হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের চৌমুহনী পূর্ব বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মাওলানা বেলাল হোসাইন জেলার সেনবাগ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের বরকান্দাজ বাড়ির মৃত মুগবুল আহমেদের ছেলে। তিনি ফতেহপুর ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধান মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে স্ত্রী তামান্না রহমান (৪৫) ও দুই সন্তানকে নিয়ে চৌমুহনীর হলি কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বের হন বেলাল ফতেহপুরী। পরে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মালবাহী ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বেলাল ফতেহপুরীর মৃত্যু হয়। আহত স্ত্রী ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল আকবর দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা পথচারী ছিলেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে ট্রাকের চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।

ময়মনসিংহে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ বসতঘর

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ বসতঘর
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের ভালুকায় হবিরবাড়ী ইউনিয়নের খন্দকারপাড়ার আশরাফুল ইসলামের ৪টি এবং মিতু আক্তারের ৩টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া আশরাফুল ইসলাম ও মিতু আক্তারের বাড়িতে ওই অগ্নিকান্ড ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, হবিরবাড়ী ইউনিয়নের খন্দকারপাড়ায় আজ সোমবার (১৮মে) দুপুরে হঠাৎ বিকট শব্দের পর আগুনের সূত্রপাত হয়ে আশরাফুল ইসলাম ও মিতু আক্তারের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে যায়। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে, ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। ততক্ষণে পুড়ে যায় আশরাফুল ইসলামের ৪টি এবং মিতু আক্তারের ৩টি ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অন্যান্য মালামাল। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দু’টির দাবি, আগুনে তাঁদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আগুনে আমার বসতবাড়ির চারটি ঘরে থাকা নগদ টাকা, পরিবারের গহনা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন ঘরে আমাদের এক মুঠো খাবারও নাই।

ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। সে কারণে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে তারা তদন্ত করেননি।

খুলনায় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য হচ্ছে পৃথক বাজার

খুলনা অফিস
খুলনায় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য হচ্ছে পৃথক বাজার
ছবি : কালের কণ্ঠ

খুলনায় নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য পৃথক বাজার তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না হলে অর্থনীতির উন্নতি হবে না। তাই কর্মসংস্থানের পাশাপাশি নারীদের জন্য স্থায়ী জায়গা খুঁজছে কেসিসি। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুতই এ ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় অন-জব ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাগ্রত যুব সংঘ-জেজেএস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা সিটি করপোরেশনের আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম এবং মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দিকা। অনুষ্ঠানটি জেজেএস’র লস অ্যান্ড ড্যামেজ স্পেশাল ইনিসিয়েটিভ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুন
কাতান শাড়ি: বাঙালি নারীর আভিজাত্যের চিরন্তন গল্প

কাতান শাড়ি: বাঙালি নারীর আভিজাত্যের চিরন্তন গল্প

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে যারা ঘরবাড়ি হারিয়ে খুলনা শহরে আশ্রয় নেন, তাদের মধ্যে জরিপ চালিয়ে যেসব পরিবারে কর্মক্ষম নারী রয়েছেন, তাদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হয়। বিশেষ করে এদের মধ্যে অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অনেক ক্ষতি আছে, যা অর্থ দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। যাকে নন ইকোনমিক লস অ্যান্ড ড্যামেজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকের হাতে ২৭ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।

কুড়িগ্রামে গাছ থেকে পড়ে একজনের মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে গাছ থেকে পড়ে একজনের মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ইউক্লিপটাস গাছ থেকে পড়ে বাবু মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ধরণীবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাড়ী বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বাবু মিয়া মৌজা মালতিবাড়ী মুসল্লীপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে শিবরাড়ী বাজারসংলগ্ন নিজ জমিতে থাকা একটি ইউক্লিপটাস গাছের ডাল কাটতে গাছে ওঠেন বাবু মিয়া। ডাল কাটার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত তার পা পিছলে যায়। এতে তিনি গাছ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করতে গেলে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুন
ক্যান্সার প্রতিরোধে কলা—মিথ নাকি বিজ্ঞান?

ক্যান্সার প্রতিরোধে কলা—মিথ নাকি বিজ্ঞান?

 

প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল জলিল ও সায়েম মিয়া জানান, বাবু মিয়া গাছের ওপরে উঠে ডাল কাটছিলেন। হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।