পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বহুল আলোচিত ৬টি ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার মো. আল আমীনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮ বরিশালের একটি দল। রবিবার (১৭ মে) রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব সদস্যরা।
গ্রেপ্তার আল আমীন কাউখালী উপজেলার জোলাগাতি গ্রামের জাকির আকনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে উপকূলের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি ও দস্যুতার ৬টি মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ বরিশালের একটি আভিযানিক দল, কাউখালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আলামিন আকনের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার বসতবাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল বাড়ির বারান্দার দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে নগদ ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০০ টাকা, ২২ ভরি ১০ আনা স্বর্ণালংকার, ৬০০ মার্কিন ডলারসহ প্রায় ৬০ লাখ ৯৫ হাজার ৮৫০ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী গোলাম মোস্তফা কাউখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-৮ এর সহায়তা চান। পরে র্যাব সদস্যরা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আলামিন আকনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাউখালী থানায় রাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৮ এর এক কর্মকর্তা জানান, চাঞ্চল্যকর এ মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যান্য জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
কাউখালী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও ফকিরহাট এবং পিরোজপুর জেলার কাউখালী ও ভাণ্ডারিয়া থানায় ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৬টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আজ সোমবার পিরোজপুওে জেলা আদালতের সোপর্দেও পর আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।’






