• ই-পেপার

রূপগঞ্জ

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই চলছে পাঁচ হাজার দোকান

  • নেই ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন, টিন সনদও
  • বছরে রাজস্ব ফাঁকি ২ কোটি টাকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে পৌর এলাকার আনন্দবাজার কারখানাঘাট এলাকা থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় ২০-২২ বছর বয়সি ওই যুবকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে বিকেল নাগাদ ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। 

সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা তিতাস নদীদে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও মরদেহ উদ্ধার করে। 

তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে, তিন-চার দিন ধরে মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে নৌ পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ধৈর্য ধরুন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
ধৈর্য ধরুন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রংপুরে শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর আঞ্চলিক পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

উত্তরাঞ্চলের বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, ‘এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি ও যাচাই-বাছাইয়ের নানা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ এ জন্য উত্তরবঙ্গের মানুষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে রংপুরে শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর আঞ্চলিক পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সামনে বর্তমানে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ফারাক্কা চুক্তি, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। আমাদের সরকার গঠনের মাত্র তিন মাস হয়েছে। আমাদের একটু সময় দিন। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কিছু টেকনিক্যাল বিষয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া রয়েছে, আমরা সেগুলো সম্পন্ন করছি।’

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ কবে নাগাদ শুরু হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘একনেকে ইতোমধ্যে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্যও বরাদ্দ হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই আমি উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে অনুরোধ করব, একটু ধৈর্য ধরুন, অপেক্ষা করুন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে।’

ফারাক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী ১১ ডিসেম্বর ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। আমরা চাই চুক্তিটি আবারও বাস্তবায়ন হোক। অতীতে যতগুলো ফারাক্কা চুক্তি হয়েছে, তার মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ সালের চুক্তিটি সবচেয়ে সময়োপযোগী ও কার্যকর ছিল। আমরা সেই অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছি।’

এর আগে ‘ক্রীড়াই হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ স্লোগানে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে সম্ভাবনাময় ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার একটি মহৎ উদ্যোগ।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে গ্রামবাংলা থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়রাই একদিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করুক। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি এখন সম্মানজনক পেশাও। ক্রীড়াঙ্গনে ভালো করলে একজন খেলোয়াড় যেমন দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারে, তেমনি পরিবার ও সমাজের জন্যও গর্বের কারণ হতে পারে।’

অভিভাবকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক বাবা-মা চান তার সন্তান জীবনে প্রতিষ্ঠিত হোক। কেউ চান ডাক্তার হোক, কেউ চান ইঞ্জিনিয়ার হোক। কিন্তু আমি বলতে চাই, আপনার সন্তান যদি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় আগ্রহ দেখায়, তার মধ্যে যদি স্পৃহা, গতি ও মনোবল থাকে, তাহলে তাকে সুযোগ দিন। খেলোয়াড় হিসেবেও তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এখন অনেক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকার খেলাধুলার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।’

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী ডন, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম।

বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস রংপুর আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় রংপুর বিভাগের আট জেলার বিজয়ী দল অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী জেলাগুলো হলো রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়।

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টের মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা, কাবাডি, মার্শাল আর্ট, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতার। আয়োজকরা জানান, তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

চাঁদপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাবসায়িক সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাবসায়িক সম্মেলন
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘নবোদ্যমে পথচলা একসাথে’—স্লোগানে চাঁদপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে চাঁদপুর প্রেস ক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা সিমেন্টের চাঁদপুর পরিবেশক কাজী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী কাজী হুমায়ুন কবির।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের চিফ সেলস অফিসার শাহ জামাল সিকদার।

এজিএম (সেলস) কবির আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিভাগের ডিজিএম মো. মোহাম্মদ আলী খান ও কাজী ট্রেডার্সের পরিচালক কাজী মোবারক হোসেন মেহেদী।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর এরিয়া ম্যানেজার আব্দুল কাদের, টেরিটরি সেলস ম্যানেজার তুষার আলী এবং বসুন্ধরা সিমেন্ট বিক্রেতা মঞ্জুর এলাহী, হাবিবুর রহমান খান, কামাল হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ জামাল সিকদার বলেন, দেশের বড় বড় স্থাপনা নির্মাণে বসুন্ধরা সিমেন্ট ব্যবহার হচ্ছে। এর মূল কারণ গুণগত মানে শ্রেষ্ঠত্ব। দেশের নির্মাণশিল্পে বসুন্ধরা সিমেন্ট এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, ‘নবোদ্যমে পথচলা একসাথে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী দিনগুলোতে আরো এগিয়ে যাবে বসুন্ধরা সিমেন্ট।

এ সময় ব্যবসায়ীরা বসুন্ধরা সিমেন্ট বাজারজাতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আরো পড়ুন

প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

 

সর্বশেষে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে র‌্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হয় ও বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সবাইকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

নারায়ণগঞ্জে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, জরিমানা লাখ টাকা

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, জরিমানা লাখ টাকা
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনিবন্ধিতভাবে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বিক্রির দায়ে ‘সম্রাট ফুড প্রোডাক্টস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৮ মে) দুপুর দেড়টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ছাপাখানা রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‍্যাব-১১, সিপিসি-১ নারায়ণগঞ্জ, জেলা প্রশাসন নারায়ণগঞ্জ এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নারায়ণগঞ্জ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শহর ও আশপাশের এলাকায় কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান যথাযথ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাপাখানা রোড এলাকার মো. মাহমুদুল হাসানের মালিকানাধীন ‘সম্রাট ফুড প্রোডাক্টস’ প্রতিষ্ঠানে অনিবন্ধিতভাবে খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

র‍্যাব-১১ সিপিসি-১ কম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ জানান, ঈদকে সামনে রেখে বিশেষভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান চলতে থাকবে।