• ই-পেপার

ধৈর্য ধরুন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের রাউজান থানা এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি একনলা বন্দুক ও একটি দুইনলা পাইপগান উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭। সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ‍দুটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অস্ত্র দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এগুলোর মালিক বা ব্যবহারকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং উদ্ধার করা অস্ত্র দুটি রাউজান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

রংপুর

দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস

ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন টেকসই সংস্কার দাবি

নজরুল ইসলাম রাজু, রংপুর
দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধস
টানা বৃষ্টিতে শুক্রবার রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বেশ কয়েকটি অংশ ধসে পড়ে। সোমবার সকালে তোলা। কালের কণ্ঠ

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বেশ কয়েকটি অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১৬ মে) সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে সংযোগ সড়কে এই ধস নামার ঘটনা ঘটে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

স্থানীয়রা জানায়, সড়কে ধস নামার তিন দিন পার হলেও সড়ক বিভাগ এখনও কোনো উদ্যোগ নেয়নি। 

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মহিপুর এলাকায় সেতুর উত্তর প্রান্তের সংযোগ সড়কের অন্তত আটটি স্থানে ধস নেমেছে। কোথাও কোথাও গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে নিচের মাটি দেবে গেছে। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সড়ক আরো ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সংযোগ সড়কটি রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলার সঙ্গে রংপুরের সরাসরি যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ এটি। প্রতিদিন শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিত্যপ্রয়োজনে প্রায় অর্ধলাখ মানুষ সড়কটি ব্যবহার করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। নির্মাণকাজে শুরু থেকেই অনিয়মের কারণে বারবার সড়কে ধস দেখা দিচ্ছে বলে মনে করছে তারা।

সেতু এলাকার বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেতুর উত্তর পাশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি বলেন, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। ভারী যানবাহনও চলাচল করে। তাই ঝুঁকি আরো বেশি।

আবদুল মান্নান নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, বর্ষা এলেই নদীভাঙন শুরু হয়। আর সড়কটির অবস্থাও আগে থেকেই নাজুক। কয়েকটি স্থানে খোয়া উঠে গেছে, বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি আরো বেশি হলে সড়কের বড় অংশ ভেঙে যেতে পারে।

আবদুল মান্নান আরো বলেন, এর আগেও কয়েকবার এমন ভাঙন দেখা গেছে। পরে সংস্কার করা হয়। কিন্তু কাজের মান ভালো না হওয়ায় আবারও একই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। পুরো প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির ছাপ এখন স্পষ্ট।

সেতু এলাকার বাসিন্দা নিয়াজ আহমেদ বলেন, সংস্কারের নামে শুধু টাকা খরচ হচ্ছে, টেকসই কোনো কাজ হচ্ছে না। বারবার ধস নামছে, আর মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ১৫৩ কোটি টাকার সেতু ও সড়ক প্রকল্পে যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ ২০২৪ সালে রংপুরের বুড়িরহাট থেকে গঙ্গাচড়ার শেষ প্রান্ত সিরাজুল মার্কেট পর্যন্ত তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের প্রায় ১১ কিলোমিটার অংশ সংস্কার ও বর্ধিত করতে প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। যৌথভাবে কাজটি বাস্তবায়ন করে মেসার্স খায়রুল কবির রানা, কে কে আর লিমিটেড ও বরেন্দ্র লিমিটেড নামের  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

একই সময় লালমনিরহাট অংশের সিরাজুল মার্কেট থেকে কাকিনা পর্যন্ত সড়ক সংস্কারে ব্যয় হয় আরো তিন কোটি ৫৩ লাখ টাকা। কাজটি করে শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, ‘এটি রংপুর-লালমনিরহাট অঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। বন্যা মৌসুম শুরুর আগেই এমন ধস উদ্বেগজনক। দ্রুত সংস্কার না হলে পুরো সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

এ ব্যাপারে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ধসের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার উন্নয়ন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করতে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় তিস্তা সেতুটি ২০১৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সেতু চালুর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংযোগ সড়কে ধস, খানাখন্দ ও ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক দফায় ভারী যানবাহন চলাচলও বন্ধ রাখতে হয়েছিল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে পৌর এলাকার আনন্দবাজার কারখানাঘাট এলাকা থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় ২০-২২ বছর বয়সি ওই যুবকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে বিকেল নাগাদ ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। 

সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা তিতাস নদীদে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও মরদেহ উদ্ধার করে। 

তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে, তিন-চার দিন ধরে মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে নৌ পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

চাঁদপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাবসায়িক সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাবসায়িক সম্মেলন
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘নবোদ্যমে পথচলা একসাথে’—স্লোগানে চাঁদপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যাবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে চাঁদপুর প্রেস ক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা সিমেন্টের চাঁদপুর পরিবেশক কাজী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী কাজী হুমায়ুন কবির।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের চিফ সেলস অফিসার শাহ জামাল সিকদার।

এজিএম (সেলস) কবির আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিভাগের ডিজিএম মো. মোহাম্মদ আলী খান ও কাজী ট্রেডার্সের পরিচালক কাজী মোবারক হোসেন মেহেদী।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর এরিয়া ম্যানেজার আব্দুল কাদের, টেরিটরি সেলস ম্যানেজার তুষার আলী এবং বসুন্ধরা সিমেন্ট বিক্রেতা মঞ্জুর এলাহী, হাবিবুর রহমান খান, কামাল হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ জামাল সিকদার বলেন, দেশের বড় বড় স্থাপনা নির্মাণে বসুন্ধরা সিমেন্ট ব্যবহার হচ্ছে। এর মূল কারণ গুণগত মানে শ্রেষ্ঠত্ব। দেশের নির্মাণশিল্পে বসুন্ধরা সিমেন্ট এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, ‘নবোদ্যমে পথচলা একসাথে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী দিনগুলোতে আরো এগিয়ে যাবে বসুন্ধরা সিমেন্ট।

এ সময় ব্যবসায়ীরা বসুন্ধরা সিমেন্ট বাজারজাতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আরো পড়ুন

প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

 

সর্বশেষে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে র‌্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হয় ও বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সবাইকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।