• ই-পেপার

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও স্থানীয়করণের রোডম্যাপ দাবি নাগরিক সমাজের

বসুন্ধরা আবাসিকে নিরাপত্তায় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে র‌্যাব

অনলাইন ডেস্ক
বসুন্ধরা আবাসিকে নিরাপত্তায় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে র‌্যাব
র‌্যাব-১-এর প্রতিনিধি ও ইডব্লিউপিডি ল্যান্ড-এর প্রতিনিধিরা গতকাল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাবিষয়ক সমন্বয় সভায় অংশ নেন

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল র‌্যাব-১-এর প্রতিনিধি ও ইডব্লিউপিডি ল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন ইডব্লিউপিডি অ্যান্ড বিএস-এর নির্বাহী পরিচালক ও নিরাপত্তা প্রধান মেজর (অব.) মো. মাহাবুবুল ওয়াদুদ, র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্নেল নেয়ামুল, উপঅধিনায়ক লে. কমান্ডার জাকিউল, ইডব্লিউপিডি ল্যান্ড মহাব্যবস্থাপক কাজী হাবিবুর রহমান, এএসপি র‌্যাব-১ মো. শাহ আলম, এএসপি র‌্যাব-১ মো. মুশফিক, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ইডব্লিউপিডি, ল্যান্ড) ক্যাপ্টেন (অব.) ফাহিম আহমেদ খানসহ বসুন্ধরা নিরাপত্তা দলের অন্যান্য সদস্যরা।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা একটি বৃহৎ জনবহুল আবাসিক এলাকা। এ এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করতে প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে এ বৈঠকে আলোচনা হয়। এতে বসুন্ধরার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয় তুলে ধরা হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। আলোচনা সভায় নিরাপত্তা বিষয়ে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা নিরসনে (চুরি, ছিনতাই) র‌্যাব ও বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ সম্মিলিতভাবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মাদক দ্রব্যের ব্যবহার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া হবে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মাদকদ্রব্য গ্রহণের স্থান ও সময় ছাড়াও মাদক গ্রহণকারী ও বিক্রেতাদের সনাক্ত করার বিষয়ে র‌্যাব-১-কে সার্বিক সহযোগিতা করবে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রতিনিয়ত ছাত্র এবং উঠতি বয়সের বাসিন্দারা মোটাসাইলেন্সার পাইপ দিয়ে উচ্চ শব্দে মোটরসাইকেল চালানোয় আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এ আতঙ্ক দূর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে। মাসিক বা পাক্ষিক ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট স্থাপন করে শাস্তির বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রতিনিয়ত ছাত্রসহ অনেকে পরিকল্পিতভাবে মারামারিতে লিপ্ত হয়। মব আতঙ্ক সৃষ্টিসহ শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটায়। এ ধরনের মব বা সহিংসতা বন্ধ করতে র‌্যাবের সঙ্গে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অনলাইন জুয়া বন্ধ করতে অনলাইন জুয়ার সার্ভার বা কন্ট্রোল রুম চিহ্নিত করে নিষ্ক্রিয় করা হবে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ট্রাফিক জ্যাম নিরসনে ডিএমপির সহযোগিতায় অটো সিগন্যালিং ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আইনশৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজে নিরুৎসাহিত করতে কাজ করবে র‌্যাব ও বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ওসি পল্লবীর হয়রানির ফাঁদ, পুলিশ-প্রতারকের রফাদফায় ভুক্তভোগীরা আটক!

অনলাইন ডেস্ক
ওসি পল্লবীর হয়রানির ফাঁদ, পুলিশ-প্রতারকের রফাদফায় ভুক্তভোগীরা আটক!
ডিএমপির পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির–ফাইল ছবি

আহসান হাবিব। প্রতারণাই যার স্বভাব। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য সাপ্লাই ব্যবসার মাধ্যমে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে হয়ে যান লাপাত্তা। নানাভাবে প্রলোভন দেখিয়ে কারও কাছ থেকে এক কোটি টাকা নিতে পারলেই কেল্লাফতে। এরপর ৩০ লাখ টাকা খরচ করেন পুলিশ ও আইনজীবীদের পেছনে। উদ্দেশ্য-পাওনাদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ ও আইনজীবীদের সহায়তা নিয়ে হয়রানি করা। গ্রেপ্তার করে কারাগারে আটকে রাখা। যেন নির্বিঘ্নে টাকা আত্মসাৎ করা যায়। প্রথমে পুলিশের সঙ্গে সমঝোতা করে সেই মামলায় ভুক্তভোগীদেরই গ্রেপ্তার করানো হয়। এরপর শুরু হয় টানা হয়রানি-পর্ব। এমনই এক ভয়ংকর প্রতারক এই আহসান হাবিব। পল্লবী থানা পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশ করে শনিবার বিকেলে এরকম হয়রানিমূলক গ্রেপ্তারের পথ বেছে নেয় এই প্রতারকচক্র।

দৈনিক যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এই প্রতারক কয়েকজন পাওনাদারকে টাকা পরিশোধের কথা বলে শনিবার বিকেলে ডেকে নিয়ে যান রাজধানীর ইসিবি চত্বরে। এরপর যথারীতি পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজানো অপহরণ মামলায় পল্লবী থানা পুলিশ দিয়ে ভুক্তভোগীদের কয়েকজনকে আটক করানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পল্লবী থানার ওসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। তা সত্ত্বেও ভুক্তভোগীদের থানায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। রাত ১২টা পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের ছাড়া হয়নি। 

ভুক্তভোগীদের আটকের বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট এসআই সাইফুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে ডিএমপির পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, ‘ভাই, আমি বুঝতে পারছি ওনারা (আটক তিনজন) প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ওনাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাটিও সঠিক নয়। আমি মামলার ফাইনাল রিপোর্ট (চূড়ান্ত প্রতিবেদন) দিয়ে দেওয়া হবে। তবে যেহেতু মামলা হয়েছে, সেহেতু আমি আটক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখাব।’ মিথ্যা মামলা হলেই কোনো ধরনের অনুসন্ধান ছাড়া গ্রেপ্তার করা যায় কিনা, জানতে চাইলে ওসি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার বলেন, ‘আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। বিষয়টি বিস্তারিত জানার জন্য আমি পল্লবী থানায় যাচ্ছি।’ 

সূত্র জানায়, বেলা ২টার দিকে আট ভুক্তভোগীর মধ্যে রোমেল নামে এক ব্যক্তিকে আহসান হাবিবের স্ত্রী ফোনে কল করে বলেন, আপনাদের টাকাটা ধীরে ধীরে দিয়ে দেব। আজ ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার একটি অংশ ফেরত দেওয়া ছাড়াও যে আপাকে টাকা দেওয়ার পরিবর্তে জমি লিখে দিয়েছি, সেটাও বিক্রি করে দেব। একজন ভালো কাস্টমার পাইছি। আপনারা ইসিবি চত্বরে ৩টার সময় আসেন। এ কথা বিশ্বাস করে রুমেল তার স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট আরো একজন ভুক্তভোগীকে বিষয়টি জানান। এরপর তারা তিনজন সেখানে যান। কিন্তু যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ইসিবি চত্বরে আহসান হাবিব স্ত্রীসহ আসার কথা বললেও তখনও আসেননি। বৃষ্টির জন্য পথে আটকা পড়েছেন বলে সময়ক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে তাদের সামনে এসে হাজির হয় পল্লবী থানা পুলিশের একটি টিম। এসআই সাইফুলের নেতৃত্বে পুলিশের টিম তাদের ওয়ারেন্ট আছে বলে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

সূত্র জানায়, এই আটক নাটকের আগে আসামি আহসান হাবিবকে নিয়ে থানার ভেতরে একাধিক বৈঠকও করেন পল্লবী থানার ওসি। পল্লবী থানায় মাত্র দুই মাস হলো তার পোস্টিং হয়েছে। আর এর মধ্যেই তিনি নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আটকের সময় ভুক্তভোগীরা জানান, তারা আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলাও করেছেন। এর মধ্যে একটিতে আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে চার্জশিটও হয়েছে। 

এদিকে আটকের পর ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, প্রতারক আহসান হাবিব তাদের বিরুদ্ধে ১৫ জুলাই পল্লবী থানায় একটি অপহরণ মামলা করেছেন। তবে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নেই ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে।

সূত্র বলছে, প্রতারক আহসান হাবিব সম্প্রতি ৮ ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। 

আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে ডিএমপির গুলশান থানা (এফআইআর নং-২, তারিখ: ৬ এপ্রিল, ২০২৩; জিআর নং-৮৩), চট্টগ্রামের পটিয়া যুগ্ম দায়রা জজ আদালত (মামলা নং-৫৪৩৩৯, সিআর নং-৪০৯/২২, তারিখ: ৩ ডিসেম্বর ২০২৪), রাজশাহী মহানগর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ (সিআর নং-১০৪/২৫, তারিখ: ১ ডিসেম্বর, ২০২৫), ঢাকার বিজ্ঞ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৬ (সিআর নং-১৫১/২১, তারিখ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) এবং সাভারের বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-০২ (সিআর নং-১১৮৬/২৫, তারিখ: ২ মার্চ ২০২৬)-সহ বেশকিছু মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি রয়েছে। প্রতারক আহসান হাবিবের বাবার নাম হাতেম আলী। বাড়ি পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার পাইকরহাটি পশ্চিমপাড়া গ্রামে। এছাড়া তার বর্তমান ঠিকানা সাভারের রামনগরে। যদিও এই প্রতারক একাধিক ঠিকানা ব্যবহার করেন।

 

সূত্র জানায়, আত্মগোপনে থাকা এই আহসান হাবিবকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় এক সপ্তাহ আগে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ভুক্তভোগীরা ধরতে সক্ষম হন। থানায় নিয়ে তার বিরুদ্ধে থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পুলিশকে দেখানোর পর পুলিশ সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ না করে রহস্যজনক কারণে সালিশ করে। পুলিশের একজন এসআই প্রথমে প্রতারক আহসান হাবিবের সঙ্গে আলাদা কথা বলার নাম করে ১০ মিনিট আলাপ করেন। এরপর তিনি বেরিয়ে এসে বলেন, সাতদিনের মধ্যে আহসান পাওনাদারদের সব টাকা বুঝিয়ে দেবে। এভাবে আশ্বাস দিয়ে একজন ব্যক্তির জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সে অনুযায়ী টাকা না দিয়ে গোপনে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে এভাবে হয়রানির পথ বেছে নেন। যার অন্যতম সহযোগী এখন পুলিশের কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা। এছাড়া নৌবাহিনীর একজন সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পেছন থেকে ইন্ধন দিচ্ছেন। যিনি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর উপদেষ্টা হিসাবে প্রতারক আহসান হাবিবের কথিত সাপ্লাই ব্যবসায় অফিশিয়ালি যুক্ত হন। মূলত বেশির ভাগ ভুক্তভোগী এই কর্মকর্তাকে দেখেই অর্থ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, মামলা দুই ধরনের, একটা কগনিজেবল (আমলযোগ্য) এবং আরেকটি নন-কগনিজেবল (আমল অযোগ্য)। কগনিজেবল অফেন্স হলে পুলিশের দায়িত্ব এফআইআর রেজিস্টার হওয়ার আগে তদন্ত করে দেখা ঘটনাটি সঠিক কিনা।

যাত্রাবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশীর মারধরে যুবক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
যাত্রাবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশীর মারধরে যুবক নিহত
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর মারধরে রিফাত (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ খানবাড়ি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিফাত পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চানপুর গ্রামের হাসেম মৃধার ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে রায়েরবাগ খানবাড়ি মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করতেন।

নিহতের বাবা হাসেম মৃধা জানান, সন্ধ্যায় বাসার সামনে রাস্তায় বসে ছিলেন রিফাত। এ সময় প্রতিবেশী শাকিল এসে তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এখানে বসে কী করছিস, গাঁজা খাবি নাকি?’ জবাবে রিফাত বলেন, ‘আমি গাঁজা খাই না, তোরা খাস।’ এ কথা বলার পর শাকিল তাকে গালাগাল ও মারধর করেন। প্রথম দফায় বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও পরে শাকিল আবার এসে রিফাতকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

তিনি আরো জানান, পরে তিনি ও তার আরেক ছেলে রিয়াজ রিফাতকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে রাত সোয়া ৯টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাকিল অটোরিকশাচালক এবং মাদক সেবন করতেন। ঘটনার পর তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে ছুরিকাঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে ছুরিকাঘাত
প্রতীকী ছবি

জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সুদীপ চন্দ্র দে’কে ছুরিকাঘাত করে করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।‎‎ সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল ৩টার পর মহাখালী গাউসুল আজম মসজিদের বিপরীত পাশে ওয়াসা অফিসের সামনে তাকে ছুরিকাঘাত করা।‎‎

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অফিস শেষ করে গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন সুদীপ চন্দ্র। ওয়াসা অফিসের সামনে যাওয়া মাত্রই অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন সন্ত্রাসী এসে তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

বনানী থানার ওসি মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। তাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় একজনকে দেখা গেছে। তবে তার চেহারা অস্পষ্ট হওয়ায় তাকে শনাক্ত করা যায়নি।’‎‎ তিনি আরো বলেন, ‘এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা আসামিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও স্থানীয়করণের রোডম্যাপ দাবি নাগরিক সমাজের | কালের কণ্ঠ