যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আর যুবসমাজের মাধ্যমেই দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বুধবার দুপুরে সাভারের জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে ‘যুব সমাবেশ-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি বিষয়। পুরো বিশ্ব এখন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমাদের যুবসমাজকে এআইয়ের ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ করতে হবে।
তিনি দল-মত নির্বিশেষে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুবকদের সবসময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে ও সৎভাবে কাজ করতে হবে। যেকোনো অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মূল লক্ষ্য হলো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের স্বাবলম্বী করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বিদেশে ‘কেয়ার গিভার’-এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি যুবসমাজকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে প্রতিটি জেলার যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এআই প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করতে ‘যুব সমাবেশ’ শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।







