• ই-পেপার

জামালপুরে বিএনপির কার্যালয়ে আগুন

সিরাজগঞ্জে ছিনতাইচক্রের ১১ নারী সদস্য গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে ছিনতাইচক্রের ১১ নারী সদস্য গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইচক্রের ১১ নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার পাঁচলিয়া বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন সুফিয়া খাতুন (৪০), খোদেনা আক্তার দিলারা (৩৫), হামিদা আক্তার মিনা (২৪), পারভীন (৩০), বৃষ্টি (২৫), রোজিনা আক্তার সায়দা (৩০), বিউটি খাতুন (৩৫), শেফা আক্তার (২১), তামান্না (৩০), জুমা (২০) ও সুবিনা আক্তার লাকী (২০)। তারা সবাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচলিয়া বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে নারী পুলিশের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে স্বল্প সময়ের জন্য বাসা ভাড়া নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তার ১১ নারীকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জামালপুরে পুলিশের অভিযানে পাইপগান, ককটেল ও পেট্রলবোমা উদ্ধার

জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুরে পুলিশের অভিযানে পাইপগান, ককটেল ও পেট্রলবোমা উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

জামালপুর শহরের একটি মার্কেটে অভিযান চালিয়ে দুটি পাইপগান, গোলাবারুদ, ককটেল, পেট্রলবোমা ও বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের পাঁচ রাস্তার মোড় এলাকার মনোয়ার আলী মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল মার্কেটের দ্বিতীয় তলার একটি অফিসে অভিযান চালায়। এ সময় দুটি পাইপগান, চার রাউন্ড গোলাবারুদ, ছয়টি ককটেল, ছয়টি পেট্রলবোমা এবং ছয় বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ, ককটেল, পেট্রলবোমা ও বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। মনোয়ার আলী মার্কেটের দ্বিতীয় তলার একটি অফিসে অভিযান চালানো হয়। অফিসটি কার, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।’

রংপুরে এখনো নিয়ন্ত্রণে ডেঙ্গু, বর্ষায় বাড়ছে শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরে এখনো নিয়ন্ত্রণে ডেঙ্গু, বর্ষায় বাড়ছে শঙ্কা
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে বেড়েছে ডেঙ্গু সংক্রমণ। তবে রংপুর বিভাগে এখনো বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা না দিলেও আগামীতে দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা বাসিন্দাদের। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা ও এডিস মশার বিস্তার বাড়ছে। ফলে রংপুরেও সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তারা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখনই সমন্বিত মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বিভাগের আট জেলায় ডেঙ্গু সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৪৪ জনের শরীরে। এর মধ্যে রংপুরে ১১ জন, গাইবান্ধায় ১০ জন; লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে আটজন করে; দিনাজপুরে চারজন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময় ৩৭ জন চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও বর্ষাকালে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা ও অন্যান্য আক্রান্ত এলাকা থেকে যাতায়াতের মাধ্যমে ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার বিস্তার ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, ডেঙ্গু এখন শুধু বড় শহরের রোগ নয়; পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এটি জেলা ও প্রত্যন্ত এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে কমবেশি সারা বছরই ডেঙ্গু আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালে রংপুর বিভাগের আট জেলায় মোট ২৬৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এর মধ্যে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৪৭ জন এবং রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫৪ জন চিকিৎসা নেয়। এ ছাড়া নীলফামারীতে ৩২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ জন, পঞ্চগড়ে ৯ জন, লালমনিরহাটে সাতজন, কুড়িগ্রামে চারজন এবং গাইবান্ধায় দুজন আক্রান্ত হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিভাগে ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ওই বছর আক্রান্ত হয় পাঁচ হাজার ৪৯৪ জন এবং মারা যায় ১২ জন। মৃতদের মধ্যে দিনাজপুরে পাঁচজন, রংপুরে চারজন, গাইবান্ধায় দুজন এবং লালমনিরহাটে একজন ছিল। একই বছরে রংপুর জেলায় এক হাজার ২৯৫ জন আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত ছিল ৪৬০ জন।

২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় এক হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে দিনাজপুরে ৩৪৪ জন, নীলফামারীতে ৩০১ জন, কুড়িগ্রামে ২১৭ জন, রংপুরে ১৯৭ জন, গাইবান্ধায় ১৪৬ জন, পঞ্চগড়ে ১১৮ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ জন এবং লালমনিরহাটে ৬৩ জন আক্রান্ত হয়। ওই বছর গাইবান্ধা ও নীলফামারীতে একজন করে মোট দুজনের মৃত্যু হয়। 

২০২৫ সালে আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় এক হাজার ১৮৭ জনে এবং ওই বছর ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীর চাপ বাড়লে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ কর্নার বা আলাদা ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুতি রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট  মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন বলেন, ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গত ২৫ জুন থেকে মাসব্যাপী বিশেষ মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। নগরীর প্রত্যেক ওয়ার্ডে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ ছিটানো এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।’ 

চিকিৎসকদের পরামর্শ, বাড়ির আশপাশে ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, ফুলের টব, পানির ট্যাংক কিংবা যেকোনো পাত্রে তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা বা চোখের পেছনে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণই পারে রংপুরকে ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাব থেকে নিরাপদ রাখতে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘রংপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত দেড় বছরে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আক্রান্তের সংখ্যাও আগের তুলনায় কমেছে। তবে বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, মশারি ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।’

উপপরিচালক আরো বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগী বাড়লে চিকিৎসা দিতে প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রক্ত পরীক্ষার কিটসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামেরও কোনো ঘাটতি নেই।’

টানা বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ মানবিক সংকট, ৩ দিনে ১০ জনের মৃত্যু

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
টানা বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ মানবিক সংকট, ৩ দিনে ১০ জনের মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

টানা ভারি বর্ষণে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরগুলোতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। গত তিন দিনে পাহাড়ধস, আকস্মিক বন্যা, জলাবদ্ধতা ও ঝোড়ো হাওয়ায় ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অন্তত ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছে ১০ জন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে প্রকাশিত ইন্টার সেক্টর ফ্ল্যাশ সিচুয়েশন আপডেট-২-এ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪ জুলাই রাত ৮টা থেকে ৭ জুলাই সকাল ১০টা পর্যন্ত ৮৩টি ঝড় ও দমকা হাওয়ার ঘটনা, ৫২টি পাহাড়ধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা, তিনটি পানিতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা এবং দুটি অবকাঠামোগত ঝুঁকির ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আটজন পাহাড়ধসে এবং দুজন পানিতে ডুবে মারা যান। এ ছাড়া আহত হয়েছে ১০ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ৩ হাজার ১৮২ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১০টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত অবকাঠামো, শিক্ষাকেন্দ্র, সড়ক, সেতু ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৭ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি এলাকার মাটি সম্পূর্ণ স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ায় নতুন করে পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্যাম্প-১০, যেখানে ১ হাজার ৮৯১ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপর রয়েছে ক্যাম্প-৬ (১ হাজার ৩৭৫ জন), ক্যাম্প-১২ (১ হাজার ২৫৫ জন), ক্যাম্প-৫ (১ হাজার ১৪৯ জন), ক্যাম্প-১ ওয়েস্ট (১ হাজার ৩ জন), ক্যাম্প-১১ (৯৮৮ জন), ক্যাম্প-৭ (৭৩৩ জন), ক্যাম্প-১৬ (৬৮৩ জন), ক্যাম্প-১৮ (৬৭৪ জন) এবং ক্যাম্প-১৪ (৬২৫ জন)।

আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্যাম্প-১১, যেখানে ২১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্প-১২-এ ১৯১টি, ক্যাম্প-৯-এ ১১৯টি, ক্যাম্প-১৬-এ ৮৮টি, ক্যাম্প-১০-এ ৮৭টি এবং ক্যাম্প-১৮-এ ৮৪টি আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্যোগে ৩৯১টি বিভিন্ন স্থাপনা, ১০৮টি ল্যাট্রিন, ২৪টি পানির উৎস, ২০টি শিক্ষা কেন্দ্র, দুটি মসজিদ, ৪৬৫টি রিটেইনিং ওয়াল, ১০৪টি চলাচলের পথ, ৭৪টি সিঁড়ি, আটটি সড়ক এবং সাতটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বহু ক্যাম্পে চলাচল, নিরাপদ আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ এবং জরুরি সেবা গ্রহণ ব্যাহত হচ্ছে।

ওয়াশ (পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি) খাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ৬০৯টি ল্যাট্রিন, ১৮৮টি গোসলখানা, ৪২টি নলকূপ, ১১টি ট্যাপ স্ট্যান্ড, ৯টি ফিকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, দুটি পানি সংরক্ষণ বাঁধ এবং ১১টি বর্জ্য পুনরুদ্ধার কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জামালপুরে বিএনপির কার্যালয়ে আগুন | কালের কণ্ঠ