সিলেট বিভাগের চার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। আরো ২দিন আগে থেকে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর এবার সুনামগঞ্জ জেলার নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে। এতে করে জেলাটির প্লাবিত এলাকাগুলোর পানি নেমে গেছে। এতে আপাতত বন্যার শঙ্কা কমেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণ বন্ধ থাকায় নদ-নদীর পানি কমছে। আগের দিন বিপৎসীমার ওপরে থাকা ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমে যাওয়ায় প্লাবিত হওয়া নিম্নাঞ্চলের পানি লোকালয় থেকে নেমে গেছে।
আমাদের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল কমে যাওয়ায় দুটি জেলাতেই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। নদ-নদীর পানি কমায় নিম্নাঞ্চলগুলো থেকে পানি সরে গেছে। ফলে মানুষ বাসাবাড়িতে ফিরেছেন। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতে সময় ব্যয় করছেন তারা।
সিলেটে গত সোমবার থেকে বৃষ্টিপাত কমে এসেছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সারাদিন খরতাপে পুড়েছে সিলেট। বৃষ্টিপাত কমায় ও পাহাড়ি ঢল কমে আসায় সিলেটের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সিলেট জেলার ১০ পয়েন্টের সবকটিতে নদনদীর পানি অনেক কমেছে। ফলে আপাতত বন্যার শঙ্কা অনেকটাই নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ‘উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত কিছুটা কমেছে। ফলে সিলেটের সব নদ-নদীর পানির উচ্চতাও কমে এসেছে। ফলে বন্যার শঙ্কা আপাতত কমেছে।’




