• ই-পেপার

‘দেশ থেকে পরীক্ষায় নকল নির্মূল হয়েছে’

রাজশাহীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম একলাছুর রহমান আহাদ (২১)। তিনি উপজেলার তানোর পৌর এলাকার রায়তান বাজে আকচা গ্রামের গোলাপ আলীর ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে নিজ বাড়ির উঠানসংলগ্ন ঘরের বাঁশের তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।

পরে তাকে দ্রুত তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আহাদ দীর্ঘদিন ধরে অভাব-অনটন ও ঋণের চাপে ছিলেন। 

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদ পারভেজ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে একদল অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে উখিয়ার মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এর ব্লক বি/৬ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এসব তথ্য স্বীকার করে উখিয়া ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন জানান, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অর্থায়নে এবং এনজিও সংস্থা সিএনআরএস পরিচালিত স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টারে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। আগুন দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আকার ধারণ করে। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, সেনাবাহিনীর টহল দলসহ এপিবিএন সদস্যরা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তিনি আরো জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির অফিস, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, আসবাবপত্র এবং চিকিৎসা কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ছাতকে হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছাতকে হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার
ছবি: কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চুরি হয়ে যাওয়া এক নবজাতককে চিরুনি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নবজাতকটি হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হলেও মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই থানার যৌথ অভিযানে তাকে উদ্ধার করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন উপজেলার সদর ইউনিয়নের আন্ধারীগাঁও সড়কের পাশ থেকে আনুমানিক ৪-৫ দিন বয়সী এক নবজাতক ছেলে শিশুকে উদ্ধার করেন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক কাওসার আহমদ। পরে তিনি শিশুটিকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে হস্তান্তর করে। এ সময় নবজাতকটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য ১৩ জন আবেদন করেন।

এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কাওসার আহমদ নবজাতকটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে চলে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসন শিশুটিকে উদ্ধারে তৎপর হয়ে ওঠে।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে কাওসার আহমদ ও তার স্ত্রী কল্পনা বেগম নবজাতকটিকে নিয়ে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থান করছেন। পরে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম এবং শান্তিগঞ্জ থানার সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বাদউল্লাহপুর (মানিকপুর) গ্রামের একটি বাড়ি থেকে কাওসারকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের কালারুকা বাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন সৈয়দ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোররাতে কল্পনা বেগমের কাছ থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, উদ্ধারের পর নবজাতকটিকে পুনরায় ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে দত্তক গ্রহণে আবেদনকারী ফয়সল আহমদের স্ত্রী রোকসানা বেগমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত আরিফিন বলেন, ‘নবজাতকটিকে সমাজসেবা বিভাগের আওতায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শফিউর রহমান জানান, নবজাতকটিকে দত্তক দেওয়ার জন্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুই থানার সমন্বিত ও চ্যালেঞ্জিং অভিযানের মাধ্যমে নবজাতকটিকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মহি উদ্দিন বলেন, ‘একটি কমিটি গঠন করে আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাই করা হবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে নবজাতকটিকে হস্তান্তর করা হবে।’

ছাতকে পুলিশের পৃথক অভিযানে বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ৫

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছাতকে পুলিশের পৃথক অভিযানে বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ৫
সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকে পৃথক অভিযানে মাদক কারবারি, হত্যা মামলার আসামি, বিভিন্ন মামলার আসামি ও সড়ক দুর্ঘটনা মামলার আসামিসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে ছাতক থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. মনিরুজ্জামান সজল, এসআই মো. সাদেক, এসআই তুষার কান্তি আচার্য, এএসআই মো. আরিফুজ্জামান ও এএসআই গিয়াস উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার ছৈলা আফজলাবাদ ইউনিয়নের দিঘলী (কালিদাসপাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার আসামি কালা মিয়াকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তার হেফাজত থেকে মোট ৫২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মদের পরিমাণ ১৫ হাজার ৯৯০ মিলিলিটার এবং আনুমানিক মূল্য ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা। এ ছাড়া ছাতক থানার হত্যা মামলার আসামি নূর আহমদ (২৮), অন্য একটি মামলার আসামি মো. আনিছুর রহমান আনিছ (২২) ও আবিদুর রহমান আবিদকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপরদিকে, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর মামলার আসামি মো. রেজাউল হককেও (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার সব আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে

‘দেশ থেকে পরীক্ষায় নকল নির্মূল হয়েছে’ | কালের কণ্ঠ