• ই-পেপার

২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু

স্কুলশিক্ষিকার মাথায় ছাত্রীর মায়ের ১০ কোপ, আঙুল বিচ্ছিন্ন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
স্কুলশিক্ষিকার মাথায় ছাত্রীর মায়ের ১০ কোপ, আঙুল বিচ্ছিন্ন
আহত স্কুলশিক্ষিকা সিঁথি সীমিতা। সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক স্কুলশিক্ষিকাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে প্রিয়া বেগম (২৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হামলায় শিক্ষিকার মাথায় একাধিক কোপ লাগে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার সকালে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লাহচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, আহত সিঁথি সীমিতা (২৮) স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। পাশাপাশি তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। গত তিন মাস ধরে তিনি প্রিয়া বেগমের মেয়েকে পড়াচ্ছিলেন। এজন্য মাসে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেতেন।

পরিবারের দাবি, সম্প্রতি টিউশনির বকেয়া টাকা চাওয়ায় প্রিয়া বেগম ক্ষুব্ধ হন। তবে শিক্ষিকার স্বজনদের আরেকটি অংশের দাবি, কয়েকদিন আগে অভিযুক্ত নারী সিঁথির কাছে ২০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিলেন। সেই টাকা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো ছাত্রীকে পড়ানো শেষে বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সিঁথি। এ সময় প্রিয়া বেগম দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন।

আহত শিক্ষিকার দেবর সারোয়ার বলেন, ‘প্রথম কোপটি মাথায় লাগার পর দরজা খুলে বের হওয়ার চেষ্টা করে সিঁথি। কিন্তু দরজায় দুটি ছিটকিনি লাগানো ছিল। তাই বের হতে পারেনি। তার গলায়, হাতে ও কানে প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার ছিল। কোপানোর সময় প্রিয়া বলছিল, ‘আমার কাছে এক আনা স্বর্ণ নেই, তুই এত স্বর্ণ পরে আছিস ক্যান?’

পরে শিক্ষিকার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সিঁথির শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। সাতটি আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। চিকিৎসকরা তার মাথায় ১০টি গভীর ক্ষত শনাক্ত করেছেন, যেখানে প্রায় ৫০টি সেলাই দিতে হয়েছে।

মামলার বাদী শিশু মিয়া বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা। হামলার পেছনে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার জ্যেষ্ঠ উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল কবির বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হামলার পেছনে প্রকৃত কারণ টিউশনির বকেয়া, ধার-সংক্রান্ত বিরোধ নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য—সব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

৬ দিন ধরে নিখোঁজ ওসমানী বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
৬ দিন ধরে নিখোঁজ ওসমানী বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা
সংগৃহীত ছবি

ছয় দিন ধরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. আরিফুল্লাহ জেলিন (২৬) নিখোঁজ রয়েছেন। 

গত ৮ জুলাই সন্ধ্যার পর বিমানবন্দরের আবাসিক এলাকার কোয়ার্টার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার খোঁজ মিলছে না। থানায় জিডির পর পুলিশ তৎপর হলেও এখনো কোনো হদিস মিলেনি। এদিকে জেলিনের পরিবারকে সন্ধানের কথা জানিয়ে দুই দফা অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র।

মো. আরিফুল্লাহ জেলিন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মিনাপুর গ্রামের বাসিন্দা।

নিখোঁজ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেলিনের মামা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিল জেলিন। ছুটি শেষে ৭ জুলাই সিলেটে এসে বিমানবন্দর আবাসিক এলাকার কোয়ার্টারে ফিরে সে। পরদিন সন্ধ্যার পর কোয়ার্টার থেকে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। সিলেট ফেরার পর কর্মস্থলেও আর যোগ দেয়নি জেলিন, বাড়িতেও ফেরেনি।’

নিখোঁজের ঘটনার একদিন পর গত ৯ জুলাই সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন জেলিনের সহকর্মী ধনঞ্জয় কুণ্ডু।

জেলিনের মা ফরিদা ইয়াসমিন জানান, গত ৭ এপ্রিল ঢাকায় চাকরিতে যোগ দেন জেলিন এবং পরে তাকে সিলেটে স্থানান্তর করা হয়। সিলেটে যোগ দেওয়ার পর কাজে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কথা বলে ছেলে প্রায়ই তাকে ফোন দিতেন। পরে ছেলের আবদারে তিনি গত ১৩ এপ্রিল সিলেট আসেন এবং ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ১৫ এপ্রিল গ্রামের বাড়ি ফিরে যান। ছুটি কাটিয়ে গত ৭ জুলাই জেলিন পুনরায় সিলেটে কর্মস্থলে ফেরেন।’

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। জেলিন নিখোঁজ হয়েছেন, নাকি অন্য কোনো কারণে কোথাও চলে গেছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, ‘পারিবারিক সূত্রে যতটুকু জানতে পেরেছি, তিনি চাকরি করতে ইচ্ছুক ছিলেন না।’ 

ওসি বলেন, ‘সবশেষ তার মোবাইল লোকেশন গোয়াইনঘাটে শনাক্ত করা গিয়েছিল। সেখানে যে এলাকার লোকেশন পাওয়া গিয়েছিল সেখানে আমরা খুঁজেছি কিন্তু পাওয়া যায়নি। আমাদের চেষ্টায় ত্রুটি করছি না।’

পরিবারের বিপর্যস্ততার সুযোগে দুই দফা অর্থ নিয়েছে প্রতারক চক্র। প্রথম দফায় ১০ জুলাই কিডন্যাপ করা হয়েছে, মুক্তিপণ চেয়ে ২০ হাজার টাকা এবং পরে ১৩ জুলাই আবারও সন্ধান পাওয়া গেছে, চিকিৎসার জন্য টাকা লাগবে বলে আরো ৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয় প্রতারকরা।

জেলিনের মামা আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্ধান চেয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। ১০ জুলাই একটি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে বলে, ‘আপনার ছেলেকে আমরা কিডন্যাপ করেছি। তাকে ফেরত চাইলে এক লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা তখন জেলিনের কণ্ঠ শুনতে চাইলে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, আগে টাকা পাঠাতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘পরে আমরা ২০ হাজার টাকা নগদের মাধ্যমে পাঠাই। কিন্তু টাকা পাঠানোর পর কণ্ঠ শোনানোর বদলে শুধু জেলিনের ফোন থেকে একটি মিসড কল দেওয়া হয়। পরে আবার ফোন করে বলে, পুরো এক লাখ টাকা না দিলে কিছুই হবে না। এরপর আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।’ 

এ ঘটনার তিন দিনের মাথায় ১৩ জুলাই সকালে আরেকটি নম্বর থেকে কল দিয়ে নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে একজন বলেন, ‘জেলিনকে সিরাজগঞ্জে পাওয়া গেছে। তাকে হাসপাতালে নিতে হবে, রক্ত লাগবে, চিকিৎসার জন্য ৯ হাজার ৭০০ টাকা জরুরি দরকার। ট্রুকলার অ্যাপ নম্বরটির পরিচয় এসআই ফারুক দেখে তারা আশ্বস্ত হয়ে তারা ৫ হাজার টাকা বিকাশ করেন। এরপর থেকে আর ওই নম্বরে যোগাযোগ করা যায়নি।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, ‘আমি তাদের বারবার বলেছি, এরা প্রতারক, এরা চাইলে টাকা দিয়েন না। কিন্তু তারপরও তারা দিয়েছেন, দিচ্ছেন।’ 

এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘এরা তো বিভিন্ন জায়গা থেকে এভাবে প্রতারণা করে। আমরা সে বিষয়ে যাওয়ার চেয়ে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে মনোযোগ দিচ্ছি।’

সান্তাহারে এক রাতে ৬ দোকানে চুরি, ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
সান্তাহারে এক রাতে ৬ দোকানে চুরি, ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক
ছবি : কালের কণ্ঠ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার স্টেশন রোডে এক রাতেই ছয়টি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। দোকানের টিন ও দেয়াল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পৌর শহরের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের স্টেশন রোড এলাকায় সান্তাহার বেকারি, আদর্শ ছাপাখানা, কল্লোল মটরস, শামীম ট্রেডার্স, উজ্জ্বল ইলেকট্রিকস ও তমা পেপার হাউসে এসব চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চোরেরা দোকানের টিন ও দেয়াল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে আদর্শ ছাপাখানা থেকে প্রায় তিন হাজার টাকা, তমা পেপার হাউস থেকে চার হাজার টাকা এবং সান্তাহার বেকারি থেকে ক্যাশবক্স ভেঙে প্রায় সাত হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন চুরি করে। এ ছাড়া অন্য দোকানগুলো থেকেও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

একই রাতে ছয়টি দোকানে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে রিজভী ও মীর হেলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে রিজভী ও মীর হেলাল
ছবি : কালের কণ্ঠ

আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রাম জেলার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন এবং দুর্গত মানুষের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহম্মেদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদিপ বাজার সংলগ্ন এলাকা, বাঁশখালী উপজেলার ইলিশা এবং সাতকানিয়া পাঠানের পুল এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন নেতৃদ্বয়। পরবর্তীতে সাতকানিয়ার পাঠানের পুল এলাকা থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় নৌকায় কেউচিয়াসহ মারাত্মকভাবে প্লাবিত ও জলমগ্ন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে জলবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তারা সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন।

সরজমিনে পরিদর্শনকালে বন্যাদুর্গত এসব অঞ্চলের চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রীসহ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রশাসনের সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত দুর্গত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে।’

দুর্গত মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়া সুষম ত্রাণ বিতরণ নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নির্দেশনা দেন।

২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু | কালের কণ্ঠ