জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের সোনামুখী ইউনিয়নের উত্তর রামশালা গ্রামে শারমিন (৩০) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীর দাবি গত রাতে পারিবারিক কলোহের জেরে অভিমান করে শারমিন আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (৮ জুন) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শারমিন ওই এলাকার কৃষক শামীমের স্ত্রী এবং বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার মঙ্গলপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
নিহতের স্বামী, স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাড়িতে দেরি করে ফেরা নিয়ে রবিবার রাতে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কলোহ হয়। এর পরে স্বামী ঘুমিয়ে পড়ে। সোমবার সকালে পাশের রান্নাঘরে শারমিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় তার স্বামী। স্বামীর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তার ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়ে এনে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলির ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের স্বামী শামীম বলেন, ক্যারাম খেলে রাতে বাড়ি ফিরতে দেরি হয়েছিল। এ কারণে সে রাগ করে আমার সঙ্গে চিৎকার চেঁচামেচি করে। পরে আমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। সকালে উঠে আমি তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই।
একই এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সোলায়মান আলী সরদার বলেন, যতদূর জেনেছি তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলোহের জেরে সে আত্মহত্যা করেছে। তাদের মধ্যে বড় ধরনের কোন রকমের ঝামেলা ছিল না। পুলিশ মরদেহ থানায় নিয়ে গেছে।
আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিন রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহের শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।





